ফের অতীতের মুখোমুখি হল মধুবণী! ফিরে এলো মিহির আসল বাবা মা!

মাত্র কয়েক মাস বয়স হয়েছে জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’-এর (Ke Prothom Kache Esechi)। কিন্তু নতুন ধারাবাহিক নিয়ে দর্শকদের মনে যতটা উত্তেজনা থাকে এই ধারাবাহিকের প্রতি কিন্তু দর্শকের ততটা ভালো লাগা বা উত্তেজনা কিছুই তৈরি হয়নি। তবে এই ধারাবাহিক দর্শকমহলে বিশেষ একটা প্রভাব ফেলতে পারেননি। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রীর মোহনা মাইতি (Mohana Maiti) এবং অভিনেতা সায়ন বোস (Sayan Bose)। এর আগে মোহনাকে আমরা প্রত্যেকেই রেখেছি জি বাংলার পর্দাতে ‘গৌরী এলো’ ধারাবাহিককে অভিনয় করতেন। অন্যদিকে অভিনেতা সায়ন বসুকে দেখা গিয়েছিল টুম্পা অটোওয়ালা’ ধারাবাহিকে অভিনয় করতে।
ধারাবাহিকে শেষ কয়েকদিন ধরে দেখানো হচ্ছে মধুবণীর প্রিয় বন্ধু স্নেহার বিয়ে হচ্ছে তবে স্নেহা যাকে ভালোবাসে অর্থাৎ ঋকদেবের প্রিয় বন্ধু কুশল তার সঙ্গে নয়। বরং পরিস্থিতি চাপে পরে অন্য একজনের সাথে বিয়ে করতে হচ্ছিল তাকে। বিয়ের দিন স্নেহার মনের অবস্থা বুঝতে পেরে মধুবণী তাকে সান্তনা দিয়ে কুশলের কাছে পালিয়ে যেতে বলে।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ১৫ সেপ্টেম্বর (Ke Prothom Kache Esechi Today’s episode 15 September)
আজকের পর্বে দেখানো হবে মধুবণী বুদ্ধি করে স্নেহাকে নিয়ে পালিয়ে আসে কুশলের বাড়িতে। সেখানেই বরের সাজে উপস্থিত থাকে কুশল। স্নেহাকে কনের সাজে দেখে কুশল হাঁটু মুড়ে বসে স্নেহাকে আরও একবার ভালোবাসার কথা জানায়। তারপর তাদের মধ্যে মিষ্টি এক মুহূর্ত তৈরি হয়।
তারপর দেখা যায় কুশল স্নেহার জন্য ঋকদেব নিজে রেজিস্ট্রি অফিস থেকে লোক নিয়ে এসেছে। এরপর মালাবদল, সিঁদুরদান, সই সাবুদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় কুশল স্নেহার বিয়ে। কুশল স্নেহার পাশাপাশি খুশিতে হারিয়ে যায় মধুবণী-ঋকদেব। কুশলের হাতে স্নেহাকে তুলে দিয়ে ফিরে আসে বাড়িতে। বাড়িতে এসে বুঝতে পারে বাড়িতে অনেক লোকজন এসেছে তার মধ্যে কিছু গলা তার বেশ চেনা লাগে।
এরপরে ঘরে ঢুকে ঋকদেব-মধুবণী দেখে বাড়িতে কয়েকজন আত্মীয় এসেছে। তাদের চিনতে পেরে ছুটে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেয় ঋকদেব। কিন্তু মধুবনী দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থমকে যায়। আসলে ঋকদেবদের বাড়িতে যেই আত্মীয়রা ঘুরতে এসেছে তারা ঋকদেবের রাঙা কাকা এবং রাঙা কাকিমা। কিন্তু তাছাড়া তাদের অন্য আরেকটা পরিচয় রয়েছে মধুবণীর কাছে। আসলে আগেই ধারাবাহিকের পর্বে দেখানো হয়েছিল ঋকদেবের কাছে মিহির পরিচয় সব সত্যিটা জানিয়েছিল মধুবণী। সরোগেসি পদ্ধতির মাধ্যমে একজন দম্পতির সন্তান নিজের গর্ভে ধারণ করেছিল মধুবণী। কিন্তু সেই দম্পতি কারা সেই পরিচয় দেয়নি মধুবণী।
আরও পড়ুন: দর্শকদের জন্য বিরাট সংবাদ! এইবার বলিউডে সালমান খানের বিপরীতে ডাক পেলেন এই টলি অভিনেত্রী
আসলে ঋকদেবের রাঙ্গা কাকা এবং রাঙ্গা কাকিমাই হল সেই দম্পতি মিহি যাদের সন্তান। মধুবণী তাদের দেখেই চিনতে পারে কিন্তু মধুবণীকে তারা চিনতে পারেনি। তাদের দেখেই মিহিকে হারানোর ভয় হয়ে থাকে মধুবণীর। ভয়ে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। তারপর মিহিকে জড়িয়ে কাঁদতে থাকে। ব্যাপারটা একদম ভালো চোখে দেখে না কমলিনী। এবারে দেখার অপেক্ষা ঋকদেব বা তার পরিবারের লোকজন কি আসল সত্যিটা জানতে পারবে কি না।
View this post on Instagram

