সৃজনকে কলঙ্কমুক্ত করতে সুইটিকে ফাঁদে ফেলল পর্ণা! শুরু হল পর্ণার মিশন রঘুনাথপুর!

জি বাংলা (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলোর মধ্যে প্রথমেই উঠে আসে ‘নিম ফুলের মধু’র (Neem Phuler Modhu) নাম। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই ধারাবাহিক দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের। একসময় বেঙ্গল টপার হয়েছে এই ধারাবাহিক সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে। বর্তমানে যদিও খুব একটা পিছিয়ে নেই ধারাবাহিক। তবে বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প অনেকটাই ঘুরে গিয়েছে। ধারাবাহিকে কেন্দ্রীয় চরিত্র পর্ণার ভূমিকায় অভিনয় করছেন অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা (Pallabi Sharma) এবং পল্লবীর বিপরীতে সৃজনের চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা রুবেল দাস (Rubel Das)।

ধারাবাহিকটি প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে জি বাংলার পর্দায় চলছে। শুরুর সময় থেকেই দর্শকদের বেশ পছন্দের ধারাবাহিক এটি। ধারাবাহিকের শুরু থেকেই দেখানো হয়েছে পর্না এবং সৃজন এর অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ হয়েছে। কিন্তু সৃজনের মা অর্থাৎ পর্নার শাশুড়ির প্রথম থেকে পর্ণাকে পছন্দ ছিল না। তাই তাকে তিনি কোনদিনই তার বাবুর বউ হিসেবে মেনে নিতে পারেননি। নানান কলা কৌশল করে বাড়ি থেকে বার করতে চেয়েছে, সৃজনের থেকে আলাদা করতে চেয়েছে। কিন্তু তার সেই সমস্ত চেষ্টাই বার বার বিফলে গিয়েছে।

Bengali serial

কিছুদিন আগে ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছিল পর্ণার বর্তমান অফিসের বস তাকে জোর করে বিয়ে করতে চাইছেন। আর যেহেতু পর্ণার স্মৃতি হারিয়ে গিয়েছে এবং সে জানে সৃজনের স্ত্রী সুইটি, তাই সৃজনের ভালোর কথা ভেবে তার পরিবারের কথা ভেবে পর্ণা তার বসকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যায়। কিন্তু সৃজন সবটা জেনে চুপ করে বসে না থেকে পর্ণাকে তুলে আনে বিয়ের মণ্ডপ থেকে। এরপর তারা দ্বিতীয়বার বিয়ে করে। বিয়ে করার পর সৃজন পর্ণাকে বোঝায় যে সুইটি তাকে ফাঁসিয়ে বিয়ে করেছে সৃজন এবং সুইটির বিয়েটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

তাই সুইটির পর্দা ফাঁস করতে এবারে সৃজন, পর্ণা, চয়ন এবং রুচিরা মিলে প্ল্যান করে সুইটির বিরুদ্ধে সমস্ত প্রমাণ জোগাড় করে তারা সুইটির মুখ থেকে সত্যি কথাটা বের করবে। সৃজনকে সুইটির কাছ থেকে মুক্তি দেবে। আজকের পর্বে দেখা যাবে কিভাবে সৃজন, পর্ণা, চয়ন এবং রুচিরা মিলে সুইটির বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করে।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব (Neem Phuler Modhu Today episode 12 September)

সম্প্রতি আজকের এপিসোডের একটি ভিডিও ক্লিপ সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে বিয়ের পরের দিন চারজন মিলে দত্তবাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে পৌঁছায় রঘুনাথপুর অর্থাৎ সুইটির গ্রামে। সেখানে তারা বিদেশি মানুষের ছদ্মবেশ নিয়ে পৌঁছে যায়। পর্ণা, চয়ন, রুচিরাকে বিদেশি ছদ্মরূপে দেখা যায় এবং সৃজনকে দেখা যায় তাদের ট্যুর গাইড হিসেবে। এখানে পৌঁছে তারা এমন একটা হাবভাব করে যেন ভারতের কোন এক গ্রামে তারা বিদেশ থেকে ঘুরতে এসেছে। সুইটির বাবা দাদা এবং গ্রামের আরো কয়েকজন সেখানে উপস্থিত থাকে। বিদেশি লোকজন দেখে তারাও মনে মনে ফন্দি আঁটতে শুরু করে। এমনকি সৃজন তাদের বুঝিয়ে ফেলে যে বিদেশ থেকে পয়সাওয়ালা লোকেরা ঘুরতে এসেছে তাদের গ্রামে। বড়লোক বিদেশি শুনে টাকার লোভ সামলাতে পারে না সৃজনের বাবা এবং দাদা। সঙ্গে সঙ্গে ফন্দি আঁটতে থেকে কিভাবে বিদেশি লোকদের থেকে মোটা অংকের টাকা বের করে নেওয়া যায়।

আরও পড়ুন: ৮১ বছর বয়সেও কমেনি অভিনেত্রীর দাপট! শেষ বয়সে একাকী দিন কাটাচ্ছেন লিলি চক্রবর্তী!

অন্যদিকে দত্ত বাড়িতে সকালবেলা সৃজনের মা খোঁজখবর করতে শুরু করে সবার। সৃজনকে দেখতে না পেয়ে রীতিমত ফোন করতে থাকে। তখন ঠাম্মী জানায় তারা বিয়ের পরের দিন মন্দারমনি গিয়েছে। এই কথা শুনে তো বেশ রেগে যায় বাবুর মা। অন্যদিকে সুইটি ইশা কে ফোন করে সে সমস্ত ঘটনা বলে। কিন্তু ইশা বেশ চালাক। সে বুঝতে পারে কোথাও একটা গন্ডগোল রয়েছে। পর্ণা এবং সৃজন নিশ্চই কোন মতলবেই বেরিয়েছে বাড়ি থেকে। অন্যদিকে সুইটির দাদা ফোন করে বিদেশি লোকজনদের গ্রামে আসার খবর দিয়ে দেয় সুইটিকে। এবার দেখার অপেক্ষা কবে কিভাবে সৃজনরা সুইটির সমস্ত সত্যি ফাঁস করে।

Back to top button