গাছ বি’ষাক্ত হলে ফলে তো বি’ষ থাকবেই! এমন মায়ের সংস্পর্শে কখনও বদলাবেনা অনির্বাণ!

জি বাংলার ( Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা( Mithijhora )। এই ধারাবাহিকের রাই অসুস্থ কিন্তু অদ্ভুত রকম ভাবে রাই অসুস্থ হলেও রাইয়ের বর অনির্বাণের প্রতি কারোর মনে এতটুকুও সহানুভূতি তৈরি হচ্ছে না। ধারাবাহিকের নায়িকা অসুস্থ হলে নায়ক চরিত্রের ছটফটানি দেখে দর্শকের মনের মধ্যে একটা যে কষ্ট তৈরি হয় অনির্বাণ চরিত্র সেই অনুভূতি বা কষ্ট তৈরি করতে পারছে না।

আর‌ও ভালো করে বলা যেতে পারে অনির্বাণ চরিত্রটাকে দেখলেই দর্শক বিরক্ত হয়ে উঠছেন। এর পিছনে অনেকগুলো কারণ আছে। প্রথমত অনির্বাণ রাইয়ের কথা একবারের জন্যও শুনতে চায়নি, এক বারের জন্যেও তার মনে হয়নি রাইয়ের কথা শুনে দেখা উচিত প্রেগনেন্সি রিপোর্ট ফলস হতে পারে! দ্বিতীয়ত, রাই অসুস্থ সেটা জানার পর অনির্বাণ যেটা করছে সেটাকে পাগলামো বলে বোধ হচ্ছে।

Mithijhora

মানুষ যখন কাউকে ভালোবাসে তখন সে এটা ভেবে কষ্ট পায় তার ভালোবাসার মানুষটার থেকে সে কত দূরে চলে গেছে কিন্তু অনির্বাণ বারংবার হাসপাতালে পড়ে থাকছে শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত ভাবনা চিন্তার কারণে! আসলে পুরুষ হিসেবে স্বামী হিসেবে তার অহংকার এবং অধিকারবোধটাই প্রবল হয়ে উঠছে, তাই হাসপাতালে সে সকলকে জিজ্ঞেস করে সে স্বামী হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না!

ডাক্তারবাবু যে বিষয়টা বুঝতে পারেন যে রাইয়ের অবস্থা যখন খারাপ ছিল তখন অনির্বাণ ছিল না সেই বিষয়টা অনির্বাণ নিজে বুঝতে পারছে না। সব থেকে বড় কথা রাইকে নিজের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়াটাই অনির্বাণের প্রধান উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, সে যে কোন‌ওভাবে রাইকে নিজের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায় কিন্তু সে নিজে যা কিছু অন্যায় বা পাপ করেছে তার প্রায়শ্চিত্ত করতে সে তৈরি নয়।

অন্যদিকে অনির্বাণের মা সোহিনী যেন সব সময় রয়েছে অনির্বাণের মাথায় ধুনো দেওয়ার জন্য। ছেলেকে সৎ পরামর্শ দেওয়ার পরিবর্তে সব সময় সে কুবুদ্ধি দিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়েও সে তার ছেলেকে বলছে রাইয়ের জন্য তার জীবন নষ্ট হয়ে গেছে, যখন বুঝতে পারছে ছেলে এই ধরনের কথা সহ্য করতে পারছে না তখন আবার কথা ঘুরিয়ে ছেলেকে ইন্ধন দিচ্ছে বৌমাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য!

আরও পড়ুন: টেলিভিশনের জনপ্রিয় নায়কের সাথে গোপনে প্রেম করছে রাই! কে সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি?

কিন্তু একবারের জন্যেও সে তার ছেলেকে বলছে না, নিজেকে একটু সময় দাও এবং রাইকে একটু সময় দাও। মূলত মায়ের কথা শুনেই বাধ্য অনির্বাণ বারবার রাইকে ফেরাতে ছুটে যাচ্ছে কিন্তু সে একবারের জন্যও এটা বুঝতে পারছে না যে রাই তার সাথে দেখা করতে এবং কথা বলতে চাইছে না। তাই তার এখন দূরেই থাকা উচিত। দর্শক মনে করছেন যেমন মা তার তেমন ছেলে। ছেলের থেকে মা এককাঠি উপরে বলে সমালোচনায় মুখর হচ্ছেন দর্শক। সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন নেটিজেন লিখেছেন, “গাছ বি’ষাক্ত হলে ফলে তো বি’ষ থাকবে!এমন মায়ের সংস্পর্শে কখনও বদলাবেনা অনির্বাণ।”

Back to top button