মধুবনীর কোলে ফিরে এলো মিহি! তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য! এবার কোথায় পালাবে কমলিনী?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় কয়েকদিন আগে শুরু হওয়া ধারাবাহিক হলো ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’ (Ke Prothom Kache Esechi)। ধারাবাহিকটিতে প্রথম বারের জন্য জুটি বেঁধেছে অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohana Maiti) এবং অভিনেতা সায়ন বসু (Sayan Bose)। এর আগে মোহনা জি বাংলারই ‘গৌরী এলো’ (Gouri Elo) ধারাবাহিকে অভিনয় করেছে এবং সেখানে অভিনয় করে সকলের মন জয় করে নিয়েছে সে। আর সায়নকে এর আগে কালার্স বাংলার (Colours Bangla) ‘টুম্পা অটোওয়ালা’ (Tumpa Autowala) ধারাবাহিকে নায়কের চরিত্রে দেখা গিয়েছে।
ধারাবাহিকে মোহনা চরিত্রের নাম মধুবনী এবং সায়নের চরিত্রের নাম ঋকদেব। ধারাবাহিকের প্রথম থেকে দেখানো হচ্ছিল মধুবনী একজন সিঙ্গেল মাদার যে একাই তার মেয়েকে মানুষ করছে। হাজারো বাধা-বিপত্তি লড়াই করে সে নিজের মেয়েকে নিয়ে জীবনের পথে এগিয়ে চলেছে। এরই মাঝে মধুবনীর আলাপ হয় ঋকদেবের সঙ্গে। ঋকদেবের অফিসেই কাজ করতো মধুবনী। সেখান থেকে দুজনের আলাপ তারপর সেই আলাপ ধীরে ধীরে সুন্দর সম্পর্কে পরিণত হয়।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ১১ সেপ্টেম্বর (Ke Prothom Kache Esechi Today Episode 11 September)
বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প বেশ কিছুটা এগিয়ে গিয়েছে। ঋকদেবের পরিবারের সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিচ্ছে মধুবনী এবং মিহি। মিহি সকলের আদরের হয়ে উঠছে। অন্যদিকে কিছুদিন আগেই ধারাবাহিকে দেখানো হয় কারখানায় আগুন লাগানোর মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ঋকদেবের ছোট কাকিকে। যেখানে আসল অপরাধী কমলিনী। অর্থাৎ ঋকদেবের মামনি। কিন্তু কমলিনী তার ছোট জা কে সামনে রেখে তার পিঠে ব’ন্দুক ঠেকিয়ে নিজে বাঁচার চেষ্টা করছে। আর ছোট কাকি যে নির্দোষ সেই কথাটা বুঝতে পেরে যায় মধুবনী। তাই সে সত্যের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে সে। আদালতে সঠিক প্রমাণ দিয়ে সে ছড়িয়ে আনে ছোট কাকিকে। আর এতেই বেশ ক্ষেপে উঠে কমলিনী। তিনি ঠিক করে নেন মধুবনী এবং মিহির বড় ক্ষতি করবে। আর সেই মতোই মিহিকে গুন্ডাদের দিয়ে অ’পহরণ করায়।
মিহিকে উদ্ধার করল ঋক-মধুবনী
কিন্তু ঋক দেব এবং মধুবনী ঠিক খুঁজে বার করে মিহিকে। আসলে মিহিকে ওই গুন্ডাগুলো অ’পহরণ করে ভিক্ষা করানোর জন্য। বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করতে থাকে কমলিনীর কথা মত। কিন্তু বড় বিপদ ঘটার আগেই সেখানে পৌঁছে যায় ঋক ও মধুবনী। সেখান থেকে ভিখারীদের সাহায্যে উদ্ধার করে আনে মিহিকে। তারপর মিহিকে বাড়ি নিয়ে আসার পরে সকলে চিন্তামুক্ত হলেও বেশ অবাক হয় কমলিনী। তারপর সে নানান কথাবার্তার মাধ্যমে মিহির পেট থেকে কথা বের করতে চেষ্টা করে। এরপর মিহি সবটা বলতে শুরু করে নিজের মতন করে। তবে কিডন্যাপ হওয়ার পর মিহি রাগী ঠাম্মি অর্থাৎ কমলিনীর কন্ঠস্বর যে শুনতে পেয়েছিল সেটা জানতে যাবে ঠিক তখনই সকলে তাকে থামিয়ে দেয়।
আরও পড়ুনঃ অনির্বাণ হোক বা নীলু, কারোর কোন নোং’রামি সহ্য করবে না স্রোত! দিদির পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ালো সে!
এরপরই ইন্সপেক্টরের ফোন আসে মধুবনির কাছে এবং অফিসার জানান ঋকদেব দের কর্মচারী অজিত সুই’সাইড করেনি তাকে বি’ষ খাইয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে আর সেটা করেছে ওই উকিল। কিন্তু মধুবনী অফিসারকে জানায় যে যাকে তিনি উকিল ভাবছেন তিনি আসলে উকিল নয় তিনি ঋকদেবদের কোম্পানির পুরোনো ম্যানেজার, শুভেন্দু। যাকে ভাড়া করেই কমলিনী সব প্ল্যান সাজিয়েছে। এবারে দেখার অপেক্ষায় ধারাবাহিকী আগামী দিনে কি অপেক্ষা করছে। কমলিনী যে সবটা করেছে সেটা কি আদৌ ধরা পড়বে?

