অনির্বাণ হোক বা নীলু, কারোর কোন নোং’রামি সহ্য করবে না স্রোত! দিদির পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ালো সে!

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশন জগতে বহু ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে যার গল্প দর্শকদের মনে দাগ কেটেছে। তবে টিআরপিতে তেমন একটা জায়গা করে উঠতে পারেনি। জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকটিও ঠিক সেই রকমই। এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই দর্শকদের প্রচন্ড কাছের একটা মানুষ হয়ে উঠেছে। এই চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। যত দিন যাচ্ছে তার অভিনয় এবং তার জীবন কাহিনী দর্শকদের আরও বেশি করে তার প্রতি আকর্ষিত করছে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই এখন অপারেশনের পরবর্তী অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তারমধ্যে মাঝেমধ্যে জ্ঞানের সঞ্চার হচ্ছে আবার অচৈতন্য হয়ে পড়ছে সে। দিদি ভাইয়ের এমন অবস্থা সহ্য করতে পারছে না স্রোত। দিদি ভাইকে যত বেশি এইভাবে দেখছে তত বেশি করে তার অনির্বাণ সেনের ওপর রাগ বেড়ে যাচ্ছে। সে বুঝতে পারছে তার দিদিভাই নিজের জীবনের সবথেকে বড় ভুলটা ওই লোকটাকে বিয়ে করেছিল।

Bengali serial

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১১ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 11 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাইয়ের কিছুটা জ্ঞান ফিরে আসে। তখন স্রোত এবং মিষ্টি দুজন মিলে তার সাথে কথা বলে। শরীরের এমন অবস্থাতেও সে প্রথমেই খোঁজ নেয় সবাই কেমন আছে। কারণ সে খুব ভালো করেই জানে তার শরীর খারাপ জেনে সবাই খুব অস্থির হয়ে থাকবে। সে হাসিমুখে সবার কথা জিজ্ঞাসা করে। সে জিজ্ঞাসা করে তার মা কেমন আছে। একে একে সবার কথা তার দিদি ভাইকে জানায়। সব শুনে অনেকটা নিশ্চিন্ত হয় রাই।

অনির্বাণকে ঢুকতে দিলো না রাই

অন্যদিকে অনির্বাণ হাসপাতলে ঝামেলা অশান্তি করতে থাকে কারণ তাকে তার স্ত্রীর ঘরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এমন সময় ডাক্তার এসে বলে, রোগী যদি দেখা করতে চায় তাহলে অনির্বাণকে ঢুকতে দেওয়া যাবে। নার্স গিয়ে সেই কথা রাইকে জিজ্ঞাসা করলে, রাই স্পষ্ট জানিয়ে দেয় অনির্বাণকে যেন বাড়ি চলে যেতে বলা হয়। যদিও অনির্বাণ সেটা বিশ্বাস করেনি। সে পরে এই নিয়ে স্রোতকে অনেক কথা জিজ্ঞাসা করে। স্রোতও ভালো মতো কথা শুনিয়ে দেয় অনির্বাণকে। বউমণি বলে, অনির্বাণের মাথায় জেদ চেপে গিয়েছে। আর এই জেদ নিয়ে ভালোবাসা যায় না।

আরও পড়ুনঃ অসুস্থ রাইয়ের কাছে যাওয়ার জন্য পাগলামি শুরু করল অনির্বাণ! কী হতে চলেছে আগামী পর্বে?

নীলুকে তাড়িয়ে দিল স্রোত

এরপর মিষ্টির সাথে কথা বলতে থাকে স্রোত। সে বলে, যে অনির্বাণ দাকে সে চিন্ত, এটা সেই অনির্বাণ সেন নয়। এর মধ্যে দিদিভাইয়ের জন্য এতটুকুও ভালোবাসা নেই। সবটাই ইগো। এই অহংকারের জন্যই একদিন এই লোকটার পতন হবে। ঠিক সেই সময় সেখানে চলে আসেন নীলু। নীলাঞ্জনার প্রধান লক্ষ্য ছিল রাইকে দিয়ে ডিভোর্সটা আটকানো। কিন্তু স্রোত সেই কাজে বাধা দেয়। সে স্পষ্ট জানায়, যে বা যারা দিদি ভাইয়ের ক্ষতি করেছে এবং যাদের দেখলে দিদিভাই বিরক্ত হতে পারে সে কোনভাবেই তাদেরকে রাইয়ের কাছে যেতে অনুমতি দেবে না।

Back to top button