যেমন মা তার তেমন ছেলে! এমন শাশুড়ি আর বর জুটলে জীবন ন’রক হতে বাধ্য!

কিছু কিছু মানুষ নিজের করা সমস্ত দোষ গুলোকে টাকা দিয়ে ঢাকতে চায়। তাদের কাছে টাকাই সব। মানুষের মন তারা টাকা দিয়ে বেচাকেনা করতে পারে এমনটাই ধারণা তাদের। ঠিক এইরকমই একজন মানুষ হল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের শাশুড়ি সোহিনী সেন। তার ব্যবহার আজ সত্যিই অবাক করেছে দর্শকদের। এই ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্র দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতিকে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মৃ’ত্যুর সাথে লড়াই করে চলেছে। সব সত্যিটা জানতে পেরে ছুটে এসেছে অনির্বাণ। সবটা জানার পরে বেশ অনুতপ্ত হয়েছিল অনির্বাণের বাবা মা। তখন মনে হয়েছিল, হয়তো এইবার তাদের মধ্যে কিছু পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু সেই গুড়ে বালি। তাদের মধ্যে যেটা আছে সেটা হলো টাকার গরম। তাদের মতে টাকা দিলেই সাত খুন মাফ হয়ে যায়। কিন্তু সবাই যে টাকার লোভী হয় না সেটা হয়তো তাদের জানা ছিল না।

Mithijhora, Zee Bangla, মিঠিঝোরা, জি বাংলা, সমালোচনা, অনির্বাণ, শৌর্য্য , রাই , আরাত্রিকা মাইতি, সুমন দে

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১০ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 10 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণের মা এবং বাবা দুজনেই হাসপাতালে এসে মাথা নিচু করে ক্ষমা চায়। তারপর তারা নিজে নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়, এই হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসকের সাথে কথা বলে তারা তাদের বাড়ির বউকে বড় হাসপাতালে নিয়ে যাবে এবং আরো ভালোভাবে চিকিৎসা করাবে। তারা অনেক টাকা খরচা করবে আর কোন ত্রুটি রাখবে না। এরপর নিজেরাই সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করার জন্য উদ্যত হয়। তখন স্রোত তাদেরকে থামায়। সে বলে, “হঠাৎ এখন আপনাদের এরকমটা কেন মনে হচ্ছে যে আপনারা চাইলেই আমার দিদির ওপরে সেই অধিকারটা কলাতে পারেন? আমার দিদি অপারেশনের টেবিলে যাওয়ার আগে স্পষ্ট জানিয়ে গিয়েছিল অনির্বাণ সেন যাতে তার আশেপাশে না ঘেঁষতে পারে। আর আমাকে আমার দিদির ইচ্ছে রাখতেই হবে। আর দায়িত্বের কথা বলছেন? যখন আপনারা জানতে পারলেন আমার দিদি অন্য কারুর বাচ্চা বহন করছে না তখন আপনাদের মাথায় এলো যে ওর দায়িত্ব নেওয়া উচিত। এই দয়া আমাদের চাইনা।”

রেগে গেল অনির্বাণের মা

বাড়ি ফিরে সোহিনী অনির্বাণের বাবাকে বলে, “পুরো ফ্যামিলিটাই বাজে। ভালো জায়গায় বেশি টাকা খরচ করে চিকিৎসা করানোর সুযোগ দিলাম, গোটা খরচাটাই আমাদের ঘাড়ের উপর দিয়ে মিটে যেত। শুনল না। যখন জানতে পারবে লোকজন যে আমাদের বাড়ির বউ সস্তার হাসপাতালে পড়ে আছে তখন আমাদের মান-সম্মান ধুলোয় মিশে যাবে।” এই কথার উত্তরে অনির্বাণের বাবা বলে, তারা অনেক বড় ভুল করেছে। মেয়েটাকে মানসিকভাবে যন্ত্রণা দিয়েছে। তাই এখন যদি তাদের পরিবার দুটো কথা বলে তাহলে তাদের উচিত মাথা নিচু করে সেগুলো শুনে নেওয়া। তারা যেটা করেছে সেটা অন্যায়। যদিও সোহিনী এসব কথায় পাত্তা দেয় না।

আরও পড়ুনঃ নোং’রামি করে নির্লজ্জের মতন শৌর্যর কাছে সাহায্য ভিক্ষে চাইল অনির্বাণ! মুখে ঝা’মা ঘষে দিল শৌর্য!

অনির মনের ময়লাগুলোকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল শৌর্য

অনির্বাণ তার ভাইকে বলে, যখন রাই সুস্থ হয়ে যাবে তখন সে যেন একটুখানি অনির্বাণের হয়ে রাইকে বোঝায়। একপ্রকার অনুরোধ করে অনির্বাণ। শৌর্য তখন স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে এটা করবে না। কারণ যদি তার কথা শুনে রাই রাজি হয়ে যায় তাহলে অনির্বাণের মনে আবার প্রশ্ন জাগবে যে শৌর্যর কথায় কেন রাই রাজি হয়ে গেল? অনির্বাণের এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে শৌর্য বললেই রাই সেটা শুনবে। তারমানে এখনো তার মনের মধ্যে সন্দেহের বীজগুলো রয়ে গিয়েছে। তাই জন্য শৌর্য আর কোন কিছু বলবে না। অনির্বাণ সবটাই বুঝতে পারে কিন্তু মন থেকে কিছুই মেনে নিতে পারে না।

Back to top button