অনিকেত ভেবে শ্যামলীকেই জড়িয়ে ধরলো অহনা! আদরের পরিবর্তে জুটল চড়!

জি বাংলার(Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon gopone mon veseche)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে অহনাকে নিয়ে শ্যামলী ও অনিকেতের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি চলছে। অহনাই যে দুজন লোককে ছদ্মবেশে অনিকেতের অফিসে পাঠিয়ে ১০ লাখ টাকা নিয়ে নিয়েছে সেটা বুঝতে পারে শ্যামলী। কিন্তু প্রমাণ তার হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় অনিকেত তাকে ভুল বুঝতে থাকে। অন্যদিকে অপরাজিতাও এই সুযোগে অনিকেতকে শ্যামলী সম্পর্কে উস্কাতে থাকে।

Kon gopone mon veseche today 7 September full episode /কোন গোপনে মন ভেসেছে ৭ সেপ্টেম্বর পুরো পর্ব-

আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় শ্যামলী নেই, এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে অহনা একটা সুন্দর রাত পোশাক পরে অনিকেতের ঘরে যায়। অন্যদিকে অনিকেতের কথা ভেবেই শ্যামলী বাড়ি ফিরে আসে। বাড়ি ফিরে এসে জানতে পারে অনিকেত অন্য ঘরে শুয়ে পড়েছে তখন শ্যামলী ভাবে স্যার যখন শুয়ে পড়েছে তখন আমিও বরং শুয়ে পড়ি।

Kon gopone mon bheseche today episode 13 may

এরপর শ্যামলী অনিকেতের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ে আর এসির টেম্পারেচার খুব কম করা ছিল সেই কারণে ঠান্ডা লাগায় শ্যামলী গায় চাদর জড়িয়ে শোয়। অন্যদিকে অহনা এসে ভাবে এটাই অনিকেত। সে তখন অনিকেতের ক্লোজ হতে চেষ্টা করে এবং অনিকেতকে বলে কতদিন ধরে আমরা এই দিনটার অপেক্ষা করেছি অনিকেত আমি আর তুমি এক হতে চেয়েছি কিন্তু পারিনি। আজ সেই দিনটা চলে এসেছে এই বলে সে অনি ভেবে শ্যামলীকে জড়িয়ে ধরে।

ওদিকে শ্যামলী ঠাটিয়ে থাপ্পর লাগায় অহনাকে। শ্যামলী অহনাকে বলে ছি ছি আপনি এত নিজের নিজের সম্মান নিয়ে এতটা খেলা খেলতে পারেন? এরপর অহনা পালাতে থাকে। কিন্তু শ্যামলীও পেছন পেছন দৌড়াতে থাকে আর চুলের মুঠি ধরে অহনাকে মারতে থাকে। এরপর বাড়ির সবাই সেখানে চলে আসে আর শ্যামলীকে জিজ্ঞেস করে কী হয়েছে?

একমাত্র অপরাজিতা আর অরুনাভ শ্যামলীকে দোষ দিতে থাকে বাদবাকি সবাই বুঝতে পারে এমন কিছু একটা কান্ড ঘটেছে যে কারণে শ্যামলী এমন রুদ্র রূপ নিয়েছে। শ্যামলী প্রথমে লজ্জায় কাউকে কিছু বলতে চায় না কিন্তু তারপরে সে বলে যে অহনা অনিকেত ভেবে শ্যামলীকেই জড়িয়ে ধরেছিল আর শ্যামলী আজ রাত্রে বাড়ি থাকবে না এটা নিশ্চিতভাবে জেনেই অহনা অনিকেতের ঘরে গিয়েছিল।

তখন ঠাকুমা অনিকেতকে বলে দাদুভাই এরপর আর অহনাকে ছেড়ে দিসনা। অহনা তখন আবার মিথ্যে করে কাঁদতে থাকে আর বলতে থাকে সে কিছু করেনি সে নির্দোষ। শ্যামলী তাকে সহ্য করতে পারে না বলে এইসব মিথ্যে কথা বলছে। অনিকেত তখন বলে সে ভালোমতোই বুঝতে পারছে কি হয়েছে, অহনা তোমার এত বড় সাহস কি করে হয় আমার পারমিশন ছাড়া আমার ঘরে ঢোকার?

আরও পড়ুন: সিঁথিতে সিঁদুর উঠতেই পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল পর্ণার! জমে গেল আজকের পর্ব!

এরপর শ্যামলীকে অনিকেত বলে অহনা যাই করুক না কেন সেটার শাস্তি দেওয়ার জন্য আমি ছিলাম আপনি কেন অহনাকে মারতে গেলেন আপনি অহনার কাছে ক্ষমা চান। কিন্তু শ্যামলী বলে আমি কখনই ক্ষমা চাইবো না আজ আপনার প্রশ্রয় পেয়েই অহনা ম্যাডাম এত বড় বার বেড়েছেন! আপনার কিছুতেই ওনাকে ক্ষমা করা উচিত নয়! কিন্তু অনিকেত উল্টে শ্যামলীকে কথা শোনাতে থাকে আর শ্যামলীকে জোর করতে থাকে অহনার কাছে ক্ষমা চাইতে, শ্যামলী কিছুতেই ক্ষমা চাইতে রাজি হয় না।

Back to top button