মালাকে লেজে গোবরে করে ছাড়ল কৌশিকী! জমে গেল আজকের পর্ব

বর্তমানে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের সব থেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। জগদ্ধাত্রী এবং কৌশিকী প্ল্যান করেই চলেছে কিভাবে মালাকে জব্দ করা যায়। এর মধ্যেই একটি ফোন আসে জগদ্ধাত্রীর কাছে। ফোনটি তুলে জগধাত্রী বুঝতে পারে ফোন করেছে মালা । ফোন তুলতেই মালা বলে ‘তুমি কোথায় জগদ্ধাত্রী তোমাকে তো আসতে হবে। আমার বিয়ে বলে কথা। সেখানে তুমি থাকবে না সেটা কি হয় নাকি’। এরপর জগদ্ধাত্রী মালাকে পাল্টা প্রশ্ন করে তোমার বিয়ে কি মুখার্জি বাড়ি থেকেই হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে মালা জানায় যে তার বিয়ে কোন বড় অনুষ্ঠান বাড়িতে হবে। এরপর জগদ্ধাত্রী মালার বাবা-মার পরিচয় জানতে চায়। এর উত্তরে মালা বলে তার বাবার নাম স্বর্গীয় প্রভাস চ্যাটার্জী কিন্তু মার পরিচয় দেয় না সে। মালা বলে বিয়ের পর উৎসবকে যে প্রথম বরণ করবে সেই আমার মা এবং তাকে দেখে তোমাদের সবার চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যাবে। মালার মায়ের পরিচয় নিয়ে ঘনাচ্ছে রহস্য। এখানেই থাকছে জগদ্ধাত্রী ধারাবাহিকের নতুন চমক।
জগদ্ধাত্রী মালার মায়ের পরিচয় এর বিষয়ে না জানতে পারলেও জগদ্ধাত্রী এটুকু বুঝে যায় যে সবটার পিছনে রয়েছে মালার মা। তিনি পেছন থেকে গেমটা খেলছেন। জগদ্ধাত্রী সাথে কৌশিকীও ভাবছে কিভাবে মালাকে জব্দ করা যায়। জগদ্ধাত্রী, কৌশিকী, স্বয়ম্ভু সবাই মেহেন্দীর পাশে আছে জেনে মেহেন্দীও মনে সাহস পায়।

এর মধ্যেই মালা ফোন করে মেহেন্দিকে। এবং ফোন করে মেহেন্দিকে উস্কাতে থাকে মালা মেহেন্দিকে বলে যে আমার বিয়ে আর বিয়ে মানে মেহেন্দি সংগীত আরো নানান কত কাজ আর সেই কাজগুলো করতে তুমি চলে আসো। মেহেন্দি একটু উত্তেজিত না হয়ে উত্তর দেয় যে উৎসবকে যখন দিয়ে দিয়েছি এই কাজ করতো আমার কিছু যায় আসবে না।কৌশিকী এসে মেহেন্দির পাশে দাঁড়ায়। বলে তুমি কিচ্ছু ভেবোনা, ওই মালাকে এবার এমন জব্দ করব যে ও সারা জীবন মনে রাখবে।
এরপর সবাই মিলে মালা কে শায়েস্তা করার উপায় ভাবতে থাকে। এরপর সবাই মিলে মালার মেহেন্দির অনুষ্ঠানে গিয়ে উপস্থিত হয় মেহেন্দি নিজেই মালাকে মেহেন্দি পরিয়ে দিতে থাকে। মেয়ে হাতে মেহেন্দি লাগানোর পর থেকেই লাফাতে থাকে মালা। হাত চুলকিয়ে চুলকিয়ে নাজেহাল হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: জোলাপ খেয়ে কাপড়ের চোপরে অবস্থা হল ঈশার! পর্ণার ঘরে ঢুকে পড়ল সৃজনের ব্রহ্মাস্ত্র!
আসলে ওই মেহেন্দির মধ্যে বিচুটি পাতা মিশিয়ে দিয়েছিল জগদ্ধাত্রী, কৌশিকী, মেহেন্দিরা। মালাকে শায়েস্তা করতে এই ফন্দিই এঁটেছিল ছিল তারা। এরপর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলে মালা কিন্তু চুলকানি কমার জায়গায় আরো বেড়ে যায়। কারণ সাবানের মধ্যেও মেশানো ছিল বিচুটি পাতা। মালাকে এভাবেই শায়েস্তা করল জগদ্ধাত্রী, কৌশিকী আর মেহেন্দি।

