মা’রণ রোগে আক্রান্ত রাই! অপারেশন পর কি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে সে?

জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকগুলো দর্শকদের মাঝে সবচেয়ে বেশি চর্চিত হয়ে উঠেছে তার মধ্যে অন্যতম মিঠিঝোরা (MithiJhora)। রাইয়ের জীবনের ওঠা পড়ার গল্প প্রথম থেকেই মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকটির জনপ্রিয়তা। রাইয়ের ভূমিকায় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি (Aratrika Maity)।
তবে বর্তমানে মানুষের জীবন তরী কখন কোন দিকে বাক নেয় সেকথা কেউ জানে না। রাইয়ের জীবনেও যেন নেমে এসেছে ঘোর কালো অন্ধকার। একের পর এক বিপদ যেন এসেই চলেছে তার জীবন। তবে এত সব কিছুর পরও পাশে নেই পরিবার। বাবার মৃত্যুর পর থেকেই রাইয়ের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন তার মা। বারবার তিনি অপমান করেছেন রাইকে। এমনকি বিয়ের পরও মেলেনি সুখ। বিনা দোষীই বারবার রাইকে ভুল বুঝতেছে অনির্বাণ।

তবে এবার তোলপাড় হয়ে গেছে রাইয়ের জীবন। মা’রণ কর্ক’ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে রাই। আর সেই কারণেই বারবার তার টেস্ট রিপোর্টে আসছে প্রেগন্যান্সির কথা। যদিও এরকম একটি পরিস্থিতিতেও রাইয়ের পাশে নেই অনির্বাণ। এমনকি নেই তার মাও। বারবার জোর দিয়ে বলার পরও রাইকে বিশ্বাস করেনি অনির্বাণ। উল্টে প্রতিনিয়ত সন্দেহই করে গেছে সে। রাইয়ের চিকিৎসা না করিয়ে উল্টে রাইকে বের করে দেওয়া কথাও বলতে দুবার ভাবেনি অনির্বাণ।
কী দেখা গেছে ধারাবাহিকের আজকের পর্বে?
তবে এরকম পরিস্থিতিতে রাইয়ের পাশে দাঁড়িয়েছে তার বোন আর বৌদি। নিজের সার্থকের বাবার সঙ্গে কথা বলে সমস্ত ব্যবস্থা করেছে সে। এদিকে মা বা দাদা পাশে না থাকলেও মায়ের জায়গা নিয়েছেন মিষ্টি। নিজের গয়না বন্দক দিয়ে ননদের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করেছেন তিনি। তবে যে মানুষটার রাইয়ের পাশে থাকা প্রয়োজন ছিল, সে কোথায়? ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা গেছে রাইয়ের বাড়ি গিয়ে রাইয়ের মাকে রাইয়ের প্রেগন্যান্সির কথা জানিয়ে এসেছে অনির্বাণ। আর তারপরই স্রোতকে ফোন করে ফের রাইয়ের ব্যাপারে প্রশ্ন করতে থাকেন তিনি।
আরও পড়ুন: মেয়েরা ফেলনা নয়, এই অন্যায়ের বিচার চাই! অনেক হয়েছে, এবার অনির্বাণের শাস্তি চাই!
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে রাই?
মায়ের কথা শুনে চমকে যায় স্রোত। মাকে ফোন করে হাসপাতালে ডেকে নেয় সে। এদিকে রাইয়ের খোঁজ নিতে রাইয়ের বাড়ি আসে শৌর্য্য। তারপরই তারা দুজন চলে আসে হাসপাতালে। সার্থকের বাবা রাইয়ের মাকে জানান রাইয়ের ক’র্কট রোগ হয়েছে। যা শুনেই চমকে যান তিনি। এদিকে অপারেশন থিয়েটারে শুয়ে রাই ভেবে নেয় সে আর অনির্বাণকে ক্ষমা করবে না। কিন্তু এই মা’রণ রোগের হাত থেকে কি নিষ্কৃতি পাবে রাই? নাকি ঘটবে কোন অঘটন? সবটা জানার পর কি করবে অনির্বাণ? আপনাদের কি মনে হয়, রাইকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাবে?

