মায়ের সংজ্ঞাটাই বদলে দিলো নন্দিতা! অনির্বাণের কথা শুনে কেন এমন করল সে?

বর্তমানে মেয়েদের জায়গা এই সমাজে কিছুটা উন্নত হলেও এখনো বেশিরভাগ বাড়িতেই পুরুষের কথাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। কিছু কিছু মানুষ তাদের নিজেদের পরিবারের মেয়েদেরকে বিশ্বাস করতে পারে না। তাদের কাছে একটা বাইরের ছেলের বলা কথা বেশি প্রাধান্য পায়। আর ঠিক এমনটাই দেখানো হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের পর্দায়। এই সবকিছুর মধ্যে বড্ড বেশি অসহায় হয়ে পড়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা রাই।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই একটা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তার শরীরে বাসা বেঁধেছে ক’র্কটের মতন মা’রন রোগ। কিন্তু সেই কথা সে কাউকে জানাতে চায় না। কারণ সবাই তাকে কেবল ভুল বুঝেছে। কেউ ঠিকটা জানতে বা বুঝতে চায়নি। তাই নিজেকে নিয়ে আর অন্য কাউকে ব্যস্ত করতে চায়নি ধারাবাহিকের নায়িকা। একটা মানুষ অবিশ্বাসী হয়ে উঠলে ঠিক কতটা হিং’স্র হয়ে উঠতে পারে সেটা প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণকে দেখে। যদিও তাকে নায়ক বলতে নারাজ দর্শক মহল।

Bengali serial

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৩ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 3 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সময় মতন হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছে রাই, স্রোত। তাদেরকে গাড়ি করে নিয়ে এসেছে সার্থক স্যার। তারা হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে চলে আসে তার বউমণি মিষ্টি। একটা পরের বাড়ির মেয়ে হয়েও সে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য থেকে এক চুলও সরেনি। বরং মায়ের দায়িত্বটাও পালন করছে মিষ্টি। এরপর স্রোতের আঙ্কেল তাদেরকে জানায় এইবার রাইকে হাসপাতালের বেডে শুইয়ে দিতে হবে। অপারেশনের জন্য তাকে তৈরি করতে হবে।

সবাই ভীষণ ভয় পেয়ে থাকে। এর মাঝেই মায়ের উস্কানিতে আর স্থির থাকতে না পেরে রাইয়ের বাড়িতে গিয়ে হাজির হয় অনির্বাণ। তারপর প্রথমেই সে নিজের সমস্ত রাগ উগরে দেয়, তারপর যা যা ঘটেছে সবটা সে রাইয়ের মাকে খুলে বলে। সমস্তটা শোনার পর নন্দিতা আবার নিজের মেয়েকে ভুল বোঝে। নন্দিতা এবং তার ছেলে বিক্রম দুজন মিলে রা’য়ের মুন্ডুপা’ত করতে থাকে। কারণ তারা এই একটাই কাজ পারে। বিশ্বাস করে আসল সত্যিটা খুঁজে বার করা তাদের ধাতে নেই।

আরও পড়ুন: মিহির বুদ্ধির সামনে কুপোকাত দুষ্টু পিপি! মধুবনীর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়াল তার এক রত্তি মেয়ে!

সবটা জেনেও রায়কেই দোষী করল নন্দিতা

রাইকে ফোনে না পেয়ে সে স্রোতকে ফন করে। তারপর নন্দিতা স্রোতকে বলে, “তুই না ডাক্তার হবি? ডাক্তার হওয়ার আগে মানুষ হ। এভাবে ডাক্তার হওয়া যায় না। নিজের দিদির পাপ লুকাতে যাচ্ছিস। তোদের লজ্জা করে না? এত জঘন্য একটা কাজ তোরা করতে পারলি? একবারও জানানোর প্রয়োজন মনে করলি না। এতটা জঘন্য তোরা কবে থেকে হয়ে গেলি?” সব শুনে স্রোত বলে, নন্দিতা যেন নিজের চোখেই এসে সবটা দেখে যায়। এরপর আর দেখার সুযোগ হবে কিনা সেটা তার জানা নেই। কথাটা শুনে কেঁপে ওঠে নন্দিতা। সে তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে হাসপাতালে উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

Back to top button