ফুলশয্যার রাতেই হলো ধামাকা! মালার সামনেই মোক্ষম চাল দিল জগদ্ধাত্রী!

জি বাংলার (Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো জগদ্ধাত্রী(Jagadhatri)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে, উৎসবকে বিয়ে করে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়েছে মালা, আর উৎসবের সামনেই বার করে দিয়েছে মেহেন্দিকে। জগদ্ধাত্রী আর কৌশিকী সবটা মানতে না পারলেও তাদের হাতের কাছে কোন প্রমাণ না থাকায় সবটা মানতে বাধ্য হয়েছে তারা। অন্যদিকে মুখার্জী বাড়িতে ঢুকেই মালা নিজের মত গুটি সাজাতে শুরু করে দিয়েছে আর এই কাজে সে পাশে পেয়েছে রাজনাথ মুখার্জীর স্ত্রী বৈদেহী মুখার্জীকে।

জগদ্ধাত্রী ৩০ আগস্ট আজকের পর্ব (Jagadhatri 30 August full episode)

জগদ্ধাত্রী ধারাবাহিকে শুরুতেই দেখা যায় যে, মালা একটা বেশ ভারী হার পছন্দ করে দেখতে থাকে এবং তারপর উৎসবকে ডাকে আর বলে উৎসব এই হাতটা আমাকে পরিয়ে দাও তো উৎসব হাতটা দেখে চিনতে পারে আর বলে এটা তো মেহেন্দির হার। তখন মালা বলে, হ্যাঁ পরিয়ে দাও। শোনো ন্যাকামি করো না তো, একটা মাঝি আর কটা নৌকায় জীবন পাড়ি দেবে? উৎসব তখন জিজ্ঞেস করে, তুমি কী বলতে চাইছো? মালা তখন বলে আমি এটাই বলতে চাইছি যে, তুমি একজনই পুরুষ মানুষ আর তোমার জীবনে একজন নারী থাকবে,সেটা মালা চ্যাটার্জী, আর কেউ না।

জি বাংলা, বাংলা ধারাবাহিক, বাংলা টেলিভিশন, জগদ্ধাত্রী, জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব, জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ১৫ আগষ্ট, অঙ্কিতা মল্লিক, সৌম্যদীপ মুখার্জী, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, Jagaddhatri, Jagaddhatri Today Episode, Jagaddhatri Today Episode 15 August, Ankita Mallick, Soumyadeep Mukherjee

এরপর মালাকে যখন হারটা উৎসব পড়াতে যাবে, ঠিক সেই মুহূর্তে উৎসবের ফোনটা বেজে ওঠে এবং মেহেন্দি ফোন করে। মেহেন্দি উৎসবকে জিজ্ঞেস করে উৎসব তুমি কোথায় আছো? তখন উৎসব তোতলাতে থাকে। মালা তখন বলে, কে মেহেন্দি তো? বলতে পারছ না! অসুবিধা হচ্ছে? কোন‌ও ব্যাপার নেই, আমাকে ফোনটা দাও-এই বলে ফোনটা কেড়ে নেয় উৎসবের হাত থেকে। মালা বলে, হ্যাঁ মেহেন্দি আমি মালা বলছি। এখন না আমরা ফুলশয্যার ঘরে আর কিছুক্ষণের মধ্যে সমস্ত আচার অনুষ্ঠান মেনে আমরা ফুলশয্যা করব।

আরো পড়ুন: বিয়ে আটকানোর অন্য উপায় পেয়ে গেলো হৈমন্তী!এবার কী করবে ফুলকি?

এরপর মালা বলে তোমার ঘরটা না বন্ধ করে দিয়েছে সেই কারণে আমরা এখন একটা অন্য ঘরে ফুলশয্যা করছি। তোমার হার স্বামী সবটাই যখন নিয়ে নিয়েছি ঘরটা নিতে কতক্ষণ? মেহেন্দি তখন বলে,মালা একটা কথা বলব,একটু উৎসবকে ফোনটা দেবে? মালা বলে, হ্যাঁ হ্যাঁ নিশ্চয়ই। কথা বলে নাও তবে শেষবারের মতো আর কখন‌ও ওর সাথে কথা বলবে না। এরপর মেহেন্দি উৎসবকে বলে, শেষবারের মতো বলছি আমি তোমাকে ভালোবাসি, এতটাই ভালবাসি যে তোমাকে ছেড়ে দিতে পর্যন্ত পারলাম। তুমি যদি ফিরে আসো তাহলে বুঝবো তুমি আমার ছিলে,আর যদি না ফিরে আসো তাহলে বুঝবো তুমি কখনোই আমার ছিলে না।

এরপর দুধ আর পান দিতে এসে জগদ্ধাত্রী মালাকে বলে বৃক্ষরোপনের দিন কেউ একজন মালা চ্যাটার্জীকে আইডেন্টিফাই করেছে যেটা শুনে মালা ভয় পেয়ে যায়।

অন্যদিকে জগদ্ধাত্রী উৎসবকে বলে আমার বোনের জীবনটা নষ্ট করে আমি তোমাদের দুজনকে সংসার পাততে দেব না। এরপর উৎসবের জন্য আনা দুধটা উৎসবের মুখেই ছুঁড়ে মারে জগদ্ধাত্রী। রাগে গজগজ করতে থাকে উৎসব মালা আর জগদ্ধাত্রী চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলে তোমাদের দুজনের ছক যদি আমি বানচাল না করি তাহলে আমার নাম‌ও জ্যাশ সান্যাল নয়। এরপর উৎসবের মা বৈদেহী মুখার্জী বলে, কাল এই মেয়ে অফিস যাবে, আমি নিজে ওকে সাজিয়ে দেব।

আরো পড়ুন: বিয়ে আটকানোর অন্য উপায় পেয়ে গেলো হৈমন্তী!এবার কী করবে ফুলকি?

অন্যদিকে সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে গেলে মালা নিজের সন্দেহ ঘোচাতে পুরো ঘর তন্ন তন্ন করে খুঁজে পায় একটা ডিভাইস, যেটা জগদ্ধাত্রী ঘরে রেখে এসেছিল ওদের কথোপকথন শোনবার জন্য। এরপর জগদ্ধাত্রী দেবুকে প্রশ্ন করতে থাকে , চুপ না থেকে মুখ খুলুন, কাঁকন আইডেন্টিফাই করেছে মালাকে, আপনি বলুন, এরপর দেবু মুখ খোলে।

Back to top button