প্রয়োজনে বোনেরাও মা হয়ে উঠতে পারে, নিঃসঙ্গ রাইয়ের ভরসা এখন স্রোত!

জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকগুলো শুরু থেকেই দর্শকদের মাঝে চর্চায় উঠে এসেছে তাদের মধ্যে অন্যতম অর্গানিক স্টুডিওর প্রযোজিত ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। শুরু থেকেই রাই, নীলু ও স্রোত এই তিন বোনের লড়াইয়ের গল্প মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। ধারাবাহিকে রাইয়ের ভূমিকায় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি (Mithijhora)। অনির্বাণের চরিত্রে দর্শকদের নজর কেড়েছেন অভিনেতা সুমন দে (Suman Dey)।

তবে রাই বাদে যে চরিত্রটি বারবার দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে সে হল রাইয়ের ছোট বোন স্রোতস্বিনী অর্থাৎ স্রোত। ধারাবাহিকের প্রথম থেকেই প্রতিবাদী ও স্পষ্ট বক্তা স্রোতের চরিত্রটি ভীষণ পছন্দ করেছিলেন দর্শকরা। নানান কারণে বারবার নিজের বাড়িতেই অপমানিত হতে হয়েছে রাইকে। মা, দাদা, এমনকি যে নীলুর সুখের জন্য তার সঙ্গে নিজের ভালোবাসার মানুষের বিয়ে দিয়েছিল রাই, সেই নীলুও সুযোগ বুঝে বারবার অপমান করেছে রাইকে।

aratrika maity

তবে রাইয়ের পাশে কেউ না থাকলেও প্রথম থেকেই দিদির পাশে থেকেছে স্রোত ও বৌমণি। মা, দাদার বিরুদ্ধে গিয়েও দিদিকে সমর্থন করেছে সে। প্রতিবাদ করেছে দিদির হয়ে। এমনকি অনির্বাণের সঙ্গে প্রথমবার যখন রাইয়ের ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল তখনই অনির্বাণের অফিসে গিয়ে অনির্বাণকে সমস্ত সত্যিটা জানিয়ে এসেছে স্রোত নিজে। এমনকি যখন রাইয়ের ওপর বিশ্বাস রাখেননি নন্দিতা তখনই দিদির প্রতি নিজের বিশ্বাস এক মুহূর্তের জন্যও হারায়নি স্রোত।

পাশে নেই স্বামী, রাইয়ের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে স্রোত

বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে প্রেগন্যান্সির রিপোর্ট দেখে রাইকে সন্দেহ করতে শুরু করেছে অনির্বাণ। এমনকি পাশে নেই মাও। এরকম দুর্বিষহ পরিস্থিতিতে যেখানে সর্বপ্রথম রাইয়ের পাশে থাকার দরকার ছিল অনির্বাণের সেখানে শুধুমাত্র রাইকে সন্দেহ করেই কাটিয়ে গেছে অনির্বাণ। তবে এরকম রাইয়ের প্রেগন্যান্সির কথা এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস করেনি স্রোত। বরং যোগাযোগ করেছে সার্থকের বাবার সঙ্গে।

আরও পড়ুন: জলসাকে টাইট দিতে গিয়ে টিআরপিতে ডুবে গেল জি বাংলা! পুরনো মেগার কাছে হেরে ভূত জি বাংলা!

রাইয়ের মা হয়ে উঠেছে স্রোত

ধারাবাহিকের আজকের পর্ব দেখলেই বোঝা যায় রাইয়ের মায়ের সমস্ত দায়িত্বই একা হাতে পালন করছে স্রোত। ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা থেকে শুরু করে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা। যাবতীয় কাজ করছে স্রোত। এমনকি যখন সে জানতে পারে দিদির ক্যান্সার হয়েছে ভিতরে ভিতরে ভীষণ কষ্ট পেতে থাকে সে। যা ফুটে উঠেছে স্রোতের মুখেও। দিদিকে সুস্থ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে সে। এমনকি অনির্বাণের কথা শুনে অনির্বাণকেও দু’চার কথা শুনিয়ে দেয় সে। সুতরাং বলাই বাহুল্য, বোন হয়েও যেন বিপদে দিদির মা হয়ে ওঠা যায় সেকথাই এবার স্পষ্ট করেছে স্রোত।

Back to top button