স্রোতকে নিজের শেষ ইচ্ছের কথা জানালো রাই! কান্নায় ভিজে গেল স্রোতের চোখ!

কিছু কিছু মানুষ জীবনে কখনোই সুখ পায় না। সারা জীবন অন্যের জন্য কাজ করে অন্যকে ভালোবেসে দিন শেষে একরাশ অবহেলা জোটে তাদের কপালে। আর ঠিক সেইরকমই একজন মানুষ হল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। নিজের কাছের মানুষগুলোর জন্য অনেক কিছু করেছে রাই। কিন্তু কোনদিনও পরিবর্তে কিছু চায়নি। কারণ না চাইতে ই তাকে অনেক অপমানের শিকার হতে হয়েছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাইয়ের জীবনটা শুরু থেকেই কিছু ভুল মানুষের হাতে পড়ে কেমন যেন নড়বড়ে হয়ে গিয়েছে। তার জীবনে সবথেকে বড় ভুল মানুষটা হলো অনির্বাণ। একজন অসফল পুরুষ এবং ব্যক্তিত্বহীন নায়ক। মায়ের কথায় মায়ের প্ররোচনায় নিজেকে রাইয়ের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলেছে সে। এখন আর তার চোখে কোন সহজ-সরল জিনিস সহজ-সরল ভাবে ধরা পড়ে না। অবিশ্বাসের বেড়াজালে আটকে গিয়েছে অনির্বাণের দেহ এবং মন।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৩০ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 30 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাইকে নিয়ে সার্থকের বাবা, স্রোতের কলেজের প্রিন্সিপাল স্যার এবং আরো কয়েকজন গণ্যমান্য ডাক্তার আলোচনায় বসে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের আলাপ আলোচনার মধ্যে দিয়ে এটাই চূড়ান্ত করা হয় যে, রাইয়ের ক’র্কট রোগ হয়েছে। আর সেটা যাতে আর বেশিদূর ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, প্রয়োজন পড়লে আগামীকালই অপারেশন করতে হবে। এটাই তার বাঁচার একমাত্র উপায়।
রাইয়ের হাতে আর বেশি সময় নেই
সবটা শুনে হাত-পা কাঁপতে থাকে স্রোতের। দিদি ভাইকে নিয়ে প্রচণ্ড চিন্তায় পড়ে যায় সে। কিন্তু অন্যদিকে শান্ত নদীর মতন নিশ্চিন্ত এবং স্থির হয়ে বসে থাকে রাই। সে নিজের মনের মধ্যেই অনেক পরিকল্পনা করে ফেলে। প্রথম দিকে রাই এই অপারেশনে রাজি হয় না কারণ এতে অনেকগুলো টাকা লাগবে। কিন্তু আঙ্কেল রাইকে রাজি করায়। এরপর স্থির করা হয় পরের দিন সকালবেলাতেই অপারেশন হবে। এটাকে আর ফেলে রাখা যাবে না।
আরও পড়ুন: এক হাতে কা’ঠারি আর অন্য হাতে মিহি! তিলোত্তমার বিচার চাইতে রাস্তায় নামলো মধুবনী!
এদিকে রাইকে অফিসে না পেয়ে আবার পাগল হয়ে যায় অনির্বাণ। নায়িকাকে ফোন করে যা নয় তাই বলে সে। কিন্তু রাই খুব শান্তভাবেই তার প্রতিবাদ করে। অনির্বাণের বলা কথাগুলো শুনে সহ্য করতে পারে না স্রোত। সেও দু চার কথা শুনিয়ে দেয়। আর তারপর সোহিনী অনির্বাণের কানে আরও বেশি করে বি’ষ ঢালতে থাকে। অন্যদিকে রাই স্রোত আর তার বউমণিকে বলে, অপারেশনের আগে রাতটা সে তাদের দুজনের সাথে থাকতে চায়। তবে কি এটাই রাইয়ের জীবনের শেষ রাত হতে চলেছে?

