অনেক হয়েছে আর নয়! এবার স্রোতের হাত ধরেই অনির্বাণকে উচিত শিক্ষা দিল রাই!

মানুষের সহ্যের একটা সীমা থাকে। সেই সীমা যখন কেউ অতিক্রম করে যায় তখন আর হাজার চেষ্টা করেও তাকে ক্ষমা করা যায় না। অপমানিত অসম্মানিত হতে হতে সেই সহ্যের সীমা পেরিয়ে গেছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। এখন তার সেই অপমান অসম্মান ফিরিয়ে দেওয়ার পালা। চুপ করে নায়কের কুরুচিকর মানসিকতার শিকার আর হবে না রাই।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, এর আগেও বহুবার অনির্বাণকে সুযোগ দিয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা। কারণে অকারণে অনির্বাণ নানা রকম ভাবে অবিশ্বাস করেছে রাইকে। কোন কারণ ছাড়াই কেবলমাত্র সন্দেহের বসে অনেক বড় অন্যায় করেছে সে। কিন্তু তারপরেও বারবার অনির্বাণকে সুযোগ দিয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা। রাই ভেবেছিল এবার হয়তো অনির্বাণ নিজেকে শুধরে নেবে। সন্দেহ ছেড়ে শুধুই ভালবাসবে তাকে।

MithiJhora, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, মিঠিঝোরা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 20 August মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২০ আগষ্ট, মিঠিঝোরা আজকের পর্ব

কিন্তু অনির্বাণ সেটা করতে পারেনি। উল্টে আরও বেশি সন্দেহ করেছে রাইকে। আর এই সন্দেহ সহ্য করতে পারছে না রাই। এবার তার মুক্তি চাই। আর সেই মুক্তি পেতে প্রথমে সে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবে আর তারপর অনির্বাণকে সারা জীবনের মতন ত্যাগ করবে। মনে মনে সবটাই ভেবে ফেলেছে রাই। এতকিছুর পরেও অনির্বাণের একবারও মনে হয়নি অন্য কোন ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। অন্য কোন উপায় অবলম্বন না করে সে রাইকে দোষারোপ করাটাই সবথেকে উচিত কাজ বলে মনে করেছে।

কিন্তু এইভাবে চলাটা সম্ভব নয়। তাই রাই মনে মনে ঠিক করে ফেলে সে ঠিক কি কি করবে। এর মাঝেও অনির্বাণ এক দফা রাইয়ের জিনিসপত্রের না বলে হাত দিয়ে ঘাটাঘাটি করে দেখে ফেলেছে সেখানে কোন গুপ্ত জিনিস রয়েছে কিনা। কোন কিছু খুঁজে না পেয়ে আরও বেশি বিরক্ত হয়ে উঠেছে সে। কিন্তু একবারও এটা ভেবে দেখেনি যে এত বড় অন্যায় করার পরেও রাইয়ের মধ্যে এতটা জোর কি করে আসছে। তার মানে কি রাই সত্যি কথা বলছে! এসব কিছুই ভাবার প্রয়োজন মনে করেনি অনির্বাণ।

আরও পড়ুন: অষ্টমঙ্গলায় অঘটন❗ রোদ্দুরের জীবনে অনাহূত অতিথি❗ প্রোমো প্রকাশ্যে আসতেই হইচই টলিপাড়ায়

স্রোতের সাহায্যে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবে রাই

রাই এই ঘটনার পর নিজের বোনকে ফোন করে বলে, এখন স্রোতই তার একমাত্র ভরসা। স্রোতকে তার একটা সাহায্য করতে হবে। এসব শুনে স্রোত বলে সে সবসময় তার দিদি ভাইয়ের পাশে আছে। রাই ঠিক করে, সবার আগে তাকে জানতে হবে তার কি হয়েছে। আর এটা জানার জন্য সে অন্য কোন ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করবে। অনির্বাণের মায়ের বন্ধুর কাছে সে আর যাবে না। কারণ রাই বুঝে গেছে অনির্বাণের মা অত্যন্ত নিম্ন মানসিকতার একটা মানুষ। এইবার স্রোতের সাথে মিলেই অনির্বাণকে উচিত শিক্ষা দেবে রাই।

Back to top button