নিজের অজান্তেই স্রোতের ওপর অধিকার ফলাচ্ছে সার্থক! তার কান্ড দেখে অবাক স্রোত!

সব সম্পর্ক মিষ্টি আলাপ দিয়ে শুরু হয় না। কিছু কিছু সম্পর্ক টক-ঝাল-মিষ্টি ঝগড়াঝাঁটি রাগ অভিমান দিয়েও শুরু হতে পারে। তারই প্রমাণ দিচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) সবথেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের বোন স্রোত এবং তার নায়ক সার্থক। দিন দিন তাদের ঝগড়া এবং ভালোবাসা দুটোই একটু একটু করে বেড়েই চলেছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, তিন বোনের জীবন তিনটি খাতে বয়ে চলেছে। একজনের সম্পর্ক ভেঙে গিয়েও আবার নতুন করে শুরু হচ্ছে, আরেকজনের সম্পর্ক ভেঙে যাচ্ছে এবং সব থেকে ছোট বোন স্রোতের সম্পর্ক নতুন করে শুরু হচ্ছে। তিনটে সম্পর্কের কাহিনী দর্শককে এমন ভাবে আকর্ষণ করছে যে টেলিভিশনের পর্দা থেকে তারা চোখ সরাতেই পারছে না।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২১ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 21 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্বামী স্ত্রীর স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে রাই আর অনির্বাণ এর মধ্যে। তাদের মধ্যে আর কোনো রকমের ভুল বোঝাবুঝি এবং দূরত্ব কাজ করছে না। এখন তারা একে অপরের সব থেকে ভালো বন্ধু এবং সব থেকে ভালো সঙ্গী হয়ে উঠেছে। কিন্তু এর মাঝেই রাইয়ের শরীরটা আবারো খারাপ করে। রাই অফিসে যেতে পারে না। আবার তার মাথা ঘোরে। বিষয়গুলো একেবারেই ভালো চোখে দেখেনা সোহিনী। বারবার তাকে ডাক্তারের কাছে যেতে বলে।
রাই মনে মনে ভাবে এইবার তার ডাক্তার দেখিয়ে নেওয়া উচিত। কারণ যদি জটিল কোন রোগ হয় তাহলে সেটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সারানো দরকার। তাকে তো ঠিক থাকতেই হবে নইলে তার সংসারকে সামলাবে। সকালবেলা বিছানায় পড়ে রয়েছে রাই আর এই বিষয়টাই তাকে ভাবাচ্ছে। কারন সে কখনো কাজ ছাড়া থাকেনা। রাই বাড়িতে রয়েছে, তাই অনির্বাণও আর অফিসে যায় না, সেও বাড়িতে থেকে বউয়ের সেবা করে। অনির্বাণকে এমন বদলে যেতে দেখে বেশ ভালো লাগছে রাইয়ের। সে তো ঠিক এমনটাই চেয়েছিল।
আরও পড়ুন: শুধু মিহি নয়, আরও একটি ছেলে আছে মধুবনীর! মিহির ভাইয়ের কথা শুনে চমকে গেলেন ঠাম্মি!
সার্থকের কথায় রেগে গেল স্রোত
অন্যদিকে খাবার টেবিলে স্রোতের বিয়ের কথা উঠতেই স্রোতের উপর রেগে যায় সার্থক। সে বলে, ভালো ছেলের গলায় ঝুলে পড়ায় নাকি স্রোতের একমাত্র লক্ষ্য। ভালো ছেলে পেয়ে সে এই দেশ ছেড়ে চলে যেতে চায়। স্রোত বলে সে এরকম কথা কখনোই ভাবেনি। যদিও তার কথায় বিশ্বাস কর্ণপাত করে না সার্থক। উল্টে মিথ্যে বাহানা দিয়ে খাবারে নুন বেশি হয়েছে বলে খাবার টেবিল ছেড়ে উঠে চলে যায়। স্রোত মনে মনে বুঝতে পারে তার সার্থক স্যার তার বিয়ে হয়ে যাওয়ার বিষয়টা মেনে নিতে পারছে না। দুজনের প্রতিক্রিয়া জানাটাই ছিল সার্থকের বাবার মূল উদ্দেশ্য। সে খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছে দুজনেই দুজনের প্রতি দুর্বল।

