স্রোতের বিয়ের কথা শুনে হিং’সায় জ্ব’লে উঠলো সার্থক! তার কান্ড দেখে অবাক স্রোত!

এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সব থেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম স্থান দখল করে রয়েছে মিঠিঝোরা (MithiJhora)। এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই এবং নায়ক অনির্বাণের জুটি আবারও একটু একটু করে পছন্দ করতে শুরু করেছেন দর্শক মহল। তবে এই ধারাবাহিকের আরো একটি জনপ্রিয় জুটি হলো সার্থক স্রোতের জুটি। তারাও নায়ক নায়িকার তুলনায় কিছু কম যায় না।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নায়িকা রাই এবং অনির্বাণ দুজনেই আবার একটু একটু করে কাছাকাছি আসার চেষ্টা করছে। তাদের নিজেদের মনের মধ্যে যত রকমের মান অভিমান রয়েছে সবকিছু তারা ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে ফেলতে চাইছে। এতদিন অনির্বাণ অনেক চেষ্টা করেছে তবে রাইয়ের দিক থেকে কোন চেষ্টা পরিলক্ষিত হয়নি। তবে এইবার রাইও আস্তে আস্তে অনির্বাণের দিকে ঝুঁকছে।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২০ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 20 August)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই তাড়াতাড়ি নিজের কাজ সেরে অফিস থেকে বেরোয় এবং সেখানে অনির্বাণকে ডেকে নেয়। এই ঘটনায় ভীষণ খুশি হয় অনির্বাণ। সে বুঝতে পারে আগের থেকে অনেকটাই সহজ হয়েছে রাই। তার মনের মধ্যেও অনির্বাণের জন্য ভালোবাসার সঞ্চার ঘটেছে। তোরা দুজন মিলে ভীষণ সুন্দর একটা সন্ধ্যে উদযাপন করে। একসাথে গান গায়, একসাথে গল্প করে। আস্তে আস্তে আবার স্বাভাবিক সম্পর্কে পদার্পণ করছে তাদের জীবন।

অন্যদিকে নিলু অর্থাৎ নীলাঞ্জনা নিজের উকিলের সঙ্গে শালা পরামর্শ করে ফেলে। নীলাঞ্জনার উকিল বেশ অবাক হয় কারণ সে এরকম মক্কেল আগে হয়তো কখনো পায়নি। এত কাণ্ড ঘটিয়েও এখনো শিক্ষা হয়নি নীলাঞ্জনার। সমস্ত মান সম্মান বেঁচে এখন পুরো নি’র্লজ্জ হয়ে উঠেছে সে। এমন একটা অবস্থাতেও সে সংসারটাকে না বাঁচিয়ে ভেবে চলেছে ঠিক কত টাকা নিলে সে তার জীবনে সুখী থাকতে পারবে। সে শুধুমাত্র খেতে পড়তে চায় না পাশাপাশি ঘুরতে যেতে ফুর্তি করতে সবকিছুতেই তার টাকা চাই। এত অন্যায় করার পরেও মানুষ নিজের চাহিদা এত বড়াই করে বলতে পারে সেটা দেখেই অবাক হয়ে যায় নীলাঞ্জনার উকিল।

আরো পড়ুন: জি বাংলার পর্দায় আসছে আনন্দী! কোন মেগার পরিবর্তে এই নতুন ধারাবাহিকটি?

স্রোতের বিয়ে হতে দেবে না সার্থক

এদিকে স্রোত খেতে বসেছে শুনে সার্থক প্রথমে কিছুতেই যেতে চায় না। কিন্তু পরে কোন এক অজানা টানে নিজেই খাবার টেবিলে উপস্থিত হয় সে। সেখানেও তার সাথে স্রোতের এক দফা ঝামেলা লেগে যায়। যদিও পুরো বিষয়টা শান্তভাবে সামলে নেয় উজ্জ্বল সেনগুপ্ত অর্থাৎ সার্থকের বাবা। এরপরে স্রোতের আঙ্কেল স্রোতের বিয়ের কথাটা সবার সামনে তোলে। সার্থক যখনই শোনে তার বাবা স্রোতের বিয়ে অন্য কারো সঙ্গে ঠিক করছে তখন ভেতর ভেতর হিংসায় জ্বলে পুড়ে যায়। কারণ সে কখনোই চায় না অন্য কারো সঙ্গে স্রোতের বিয়ে হয়ে যাক।

Back to top button