ঋত্বিক-অন্বেষা নয়, আনন্দীর জন্য বাছা হয়েছিল অন্য জুটিকে!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় আসছে নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। ইতিমধ্যেই জি বাংলার পর্দায় মুক্তি পেয়েছে আনন্দীর প্রথম ঝলক। যা দেখে ধারাবাহিক নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মাঝে তৈরি হয়েছে উৎসাহ। প্রথম ঝলকের মাধ্যমেই ফের একবার দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে জি বাংলার পুরোনো জুটি উর্মি এবং সাত্যকি।
একসময় জি বাংলার পর্দায় বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল এন আইডিয়াস প্রযোজনা সংস্থার ধারাবাহিক আমাদের এই পথ যদি না শেষ হয়। এই ধারাবাহিকেই মুখ্য ভূমিকায় অর্থাৎ উর্মি এবং সাত্যকির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জী এবং অন্বেষা হাজরা। পর্দায় ঋত্বিক-অন্বেষার জুটি রাতারাতি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। পর্দায় উর্মি ও সাত্যকির দুষ্টু, মিষ্টি রসায়ন ভীষণ পছন্দ করেছিলেন বাঙালি মহিলারা।

মুক্তি পেল আনন্দীর প্রথম ঝলক
ধারাবাহিকে প্রথম ঝলকেই দেখা গেছে ধারাবাহিকের নায়ক একজন ডাক্তার। ঠাম্মির অসুস্থতার কথা মাথায় রেখেই ঠাম্মিকে ইনজেকশন দিতে চায় সে। কিন্তু ইনজেকশন নিতে নারাজ ঠাম্মি। নাতির কাছে তিনি অবদান করেন তাকে নাত বউমা এনে দিতে তাহলে তার সেবাতেই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। তবে ঠাম্মির কথা শুনে নাত বউমা নয়, বরং নার্সের ব্যবস্থা করে নায়ক। তবে গোটা শহরের কোন নার্স ওই বাড়িতে গিয়ে ঠাম্মির চিকিৎসা করতে রাজি হয়নি।
তখনই এগিয়ে আসে নায়িকা। অর্থের প্রয়োজন তার। তাই নায়কের বাড়িতে নিয়ে ঠাম্মিকে সুস্থ করার চেষ্টা করতে রাজি হয় সে। নায়কের বাড়িতে গিয়েই লুডু খেলার আয়োজন করে নায়িকা। নায়িকার কথায় ঠাম্মিও যোগ দেন সে খেলায়। আর হাসতে হাসতেই ঠাম্মিকে ইনজেকশন লাগিয়ে দেয় নায়িকা। নায়িকার পাকা হাতের কাজ দেখে মুগ্ধ হয়ে যায় নায়ক। তখন নায়িকা বলে, যে হাত নয়, ভালোবাসতে বাসতে মনের অসুখ সারাতে শিখে গেছি স্যার। তখন নায়ক বলে, ভালোবাসা দিয়ে সব অসুখ সারানো যায়? নায়িকা বলে মনের আনন্দে বাঁচা তো যায়,না হলে ইহা কাল কেয়া হোগা কিসনে জানা বাবু মশাই।
আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে জগদ্ধাত্রীর টাইম স্লট! কোন ধারাবাহিকের জায়গা নিল এই মেগা?
ঋত্বিক-অন্বেষা নন, এই তারকা অভিনেতাঅভিনেত্রী ছিলেন প্রযোজনা সংস্থার প্রথম পছন্দ
তবে শোনা যাচ্ছে ধারাবাহিকে নায়ক-নায়িকা হিসেবে প্রযোজনা সংস্থার প্রথম চয়েস ছিলেন না ঋত্বিক মুখার্জী এবং অন্বেষা হাজরা। শোনা যাচ্ছে প্রথমে অভিনেত্রী তৃণা সাহা এবং রাহুল মজুমদারকে এই ধারাবাহিকের অফার দেয় প্রযোজনা সংস্থা। কিন্তু অনিবার্য কারণবশত এই ধারাবাহিকটির অফার রিজেক্ট করে দেন দুজনেই। তারপরই চূড়ান্ত পর্যায়ে ঋত্বিক মুখার্জী এবং অন্বেষা হাজরা এই ধারাবাহিকটির অফার গ্রহণ করেন।


