নীলুর কাণ্ড দেখে গা পিত্তি জ্বলে গেল দর্শকদের! মোটা টাকা খোরপোষ পেতে এবার উকিলের দ্বারস্থ নীলু!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে তার মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (MithiJhora)। এই ধারাবাহিকে প্রদর্শিত চরিত্র গুলির মধ্যে দর্শকদের কাছে সবথেকে প্রিয় হল নায়িকা রাই। নায়িকার চরিত্রের অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। বর্তমানে ধারাবাহিকের নায়ক হিসেবে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা সুমন দেকে।

এই ধারাবাহিকে একটি অন্যরকম বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সেটা হলো, এখানে নায়িকা রাই প্রধান নায়িকা হলেও তার দুই বোন স্রোত এবং নীলাঞ্জনাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাদের গল্পগুলি কেউ একই রকমের প্রাধান্যের সাথে সম্প্রচার করা হয়। অদ্ভুতভাবে এই তিন বোনের মধ্যে দুই বোন ইতিবাচক ভূমিকায় রয়েছে এবং আর এক বোন রয়েছে নেতিবাচক ভূমিকায়। সেই হচ্ছে ধারাবাহিকের খলনায়িকা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নীলাঞ্জনা অর্থাৎ নীলু ভালো নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন। সে কোনভাবেই তার দিদিকে সহ্য করতে পারে না। সবকিছুতেই নিজের দিদির দোষ খুঁজে বেড়ায়। নিজের দিদির সংসার ভাঙার জন্য যতদূর পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব ততদূর অবধি যেতে দেখা গিয়েছে নীলাঞ্জনাকে। যদিও রাই তাকে ক্ষমা করে দিয়েছে। সে নিজের মনে নিজের বোনকে নিয়ে কোনো রকম রাগ অভিমান পুষে রাখেনি।

টাকার কথা শুনতেই সব কান্না গায়েব

নীলাঞ্জনা যে কাজটা করেছে তাতে তার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির পক্ষে তাকে মেনে নেওয়াটা আর সম্ভব হচ্ছে না। তাই শৌর্য নীলাঞ্জনাকে ডিভোর্স দেবে। প্রথম দিকে ন্যাকা কান্না কাঁদলেও পরবর্তীতে আর কোনরকম কান্নাকাটির কোন কারণ খুঁজে পায়না নীলাঞ্জনা। কারণ তার স্বামী তাকে প্রত্যেক মাসে একটা মোটা টাকা দেবে বলেছে। নীলাঞ্জনা ভাবে, তাকে সংসার করতে হবে না কারোর খেয়াল রাখতে হবে না এদিকে মাস গেলে কোন কাজ করা ছাড়াই একটা মোটা অংকের টাকা তার হাতে ধরিয়ে দেওয়া হবে। এর থেকে সুখের আর কি হতে পারে?

আরও পড়ুন: জোর করে নীলুকে খলনায়িকা বানাচ্ছে কর্তৃপক্ষ! খেপে লাল দেবাদ্রিতার ভক্তরা

এই গোটা বিষয়টা উপলব্ধি করে সে সঙ্গে সঙ্গে নিজের এক বন্ধুকে ফোন করে তার পরিচিত এক উকিলের নম্বর চায়। পারিশ্রমিকের কথা উঠলেই তার চোখ পড়ে নিজের হাতে থাকা দুটো বালার দিকে। সঙ্গে সঙ্গে নীলাঞ্জনা বলে সে ফিস অর্থাৎ পারিশ্রমিক দিতে পারবে। তারপর ফোনটা রেখে ভাবতে থাকে এত সহজে সে কাউকে ছেড়ে দেবে না। ভালো থাকার একটা ভালো বন্দোবস্ত করতেই হবে তাকে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে লোভ এবং স্বার্থ এই বিষয়গুলো ছাড়া নিলাঞ্জনা মধ্যে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

Back to top button