জোর করে নীলুকে খলনায়িকা বানাচ্ছে কর্তৃপক্ষ! খেপে লাল দেবাদ্রিতার ভক্তরা

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মিঠিঝোরা (MithiJhora)। সেই শুরুর দিন থেকেই তিন বোনের দুষ্টু মিষ্টি গল্প সম্প্রচার করছে এই ধারাবাহিকটি। তবে এখন আর গল্পটা টক ঝাল মিষ্টি নেই। বনে বনে শত্রুতা এত বেশি পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে যে এক বোনের জন্য ঘর ভেঙে যাচ্ছে অন্য বনের। আর সব থেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছে ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। এই চরিত্রে অভিনয় করছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই বাবার মৃত্যুর পর সংসারের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নিজের মেজ বন নিলাঞ্জনার সঙ্গে নিজের ভালোবাসার মানুষের বিয়ে দিয়ে দেয়। সেখান থেকেই শুরু হয় আসল গল্প। নীলাঞ্জনা সন্দেহ বাতিক হয়ে পড়ে আর নিজের দিদিকে দোষারোপ করতে থাকে। সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও ভালোভাবে মন দিয়ে সংসারটা করে উঠতে পারে না সে।

নিজে সংসার করতে পারেনি বলে নিজের দিদির সংসারটাও ভেঙ্গে দেয় নীলাঞ্জনা। নিজের দিদি এবং নিজের স্বামী দুজনের ছবি বিকৃত করে একসাথে পাশাপাশি রেখে নোংরা ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করে সে। যদিও এই চরম নোংরামি খুব বেশিদিন লুকিয়ে রাখতে পারিনি নীলু। খুব তাড়াতাড়ি সেটা সবার সামনে ধরা পড়ে যায়। তারপর থেকে আরও বেশি হিংস্র হয়ে উঠেছে নীলাঞ্জনা। কাউকে সম্মান করতে পারে না সে।
প্রথম থেকে নীলাঞ্জনা চরিত্রটিকে এমন দেখানো হয়নি। হ্যাঁ, রাই এবং স্রোতের তুলনায় নীলাঞ্জনা আর চরিত্র কিছুটা অন্যরকম হলেও এমন খলনায়িকা হওয়ার মতো নয় কিছু করতে দেখা যায়নি তাকে। কিন্তু হঠাৎ করি কেমন যেন চরিত্রটিকে বদলে দিল কর্তৃপক্ষ। অনিশ্চয়তা থেকে তার মধ্যে বাসা বাঁধলো শ’য়তান। ব্যাস সেখান থেকেই জাঁদরেল খলনায়িকা হয়ে উঠল নিজের মায়ের পেটের বন। এটা একেবারেই পছন্দ হয়নি দর্শক মহলের।
আরও পড়ুন: “অবশেষে জব্দ হবে রুমি! দুষ্টু পিপির কুকীর্তি ফাঁস করে দিল ছোট্ট মিহি!
দেবাদ্রিতাকে এই চরিত্রে চাইছে না দর্শক
নীলাঞ্জনা চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী দেবাদ্রিতা বসু। তার এক ভক্ত এই ধারাবাহিক সম্পর্কে লিখেছেন, “নীলাঞ্জনা চরিত্রটিকে জোর করে নেতিবাচক প্রতিপন্ন করলো চ্যানেল। কিন্তু তাও অসাধারণ কাজ করে চলেছে নীলাঞ্জনা। অভিনেত্রী দেবাদ্রিতাকে এমন চরিত্রে ভালো লাগেনা।” অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে দর্শকদের চরিত্রটির হঠাৎ এবং পরিবর্তন তাও আবার অকারণে সেটা একেবারেই পছন্দ হয়নি।

