স্যারের সামনে মুখ ফসকে একি বলে ফেলল স্রোত! লজ্জায় লাল হয়ে উঠলো দুটো গাল!

কোন একজন বা দুইজন নয়, তিনজন নায়িকাকে নিয়ে সম্প্রচারিত হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকটি। তবে এই ধারাবাহিকের প্রধান নায়িকা হলো রাই। এই চরিত্রটি ধারাবাহিকের প্রধা আকর্ষণ। যত দিন যাচ্ছে এই চরিত্রটিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হচ্ছে। আরো বেশি প্রতিবাদী হয়ে উঠছে রাই। যার ফলে ধারাবাহিকটি বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে দর্শক মহলে। সমানতালে স্রোত আর নীলাঞ্জনার গল্প আলোচনায় উঠে এসেছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নিলাঞ্জনা সারাদিন নানারকম পরিকল্পনা করে চলেছে। তার মাথায় শুধু একটাই জিনিস ঘুরছে আর সেটা হল কিভাবে এই বাড়িতে টিকে থাকা যায়। যেহেতু নিজেরটা নিজে করে খাওয়ার ক্ষমতা তার নেই তাই তাকে টিকে থাকতেই হবে। তার বাড়ি তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তাই নীলাঞ্জনার কাছে এখন একমাত্র আশ্রয় ভরসা সবটাই তার শ্বশুরবাড়ি। আর এই শ্বশুরবাড়ির সে কখনোই ছাড়বে না।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৫ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 15 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্রোতকে তার বন্ধুরা মিলে সিনেমা দেখতে যেতে বলে। কিন্তু স্রোত না গিয়ে পড়াশোনা টাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। এরপর সার্থক স্যারের ফোন না ধরার জন্য স্যার নিজে বেশ কিছু কথা শুনিয়ে দেয় স্রোতকে। যেটা শুনে স্রোতের চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে যায়। সে বলে, এতগুলো টিউশন করার পরে সে যা টাকা পায় তাতে সে সিনেমা দেখতে যেতেই পারতো, কিন্তু যায়নি কারণ তাকে পড়াশোনা করতে হবে। সার্থক বুঝতে পারে সে কিছু কিছু সময় সত্যিই স্রোতের সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করে ফেলে।
আরো পড়ুন: আর নিজের সাথে আপোষ নয়! মুখের ওপর “না” বলতে শিখে গেল রাই!
এরপর সার্থকের বাড়ি যাওয়া নিয়ে কথাবার্তা চলতে থাকে ছাত্রী আর স্যারের মধ্যে। সার্থক বলে, একটা বয়স্ক মানুষ অসুস্থ জেনেও কেন স্রোত তাদের বাড়িতে যাচ্ছে না। এত কিসের রাগ তার, তার তো আগে যাওয়া উচিত। স্রোত কথায় কথায় মুখ ফসকে বলে ফেলে, সার্থক ডাকলেই সে যাবে। তবে কথাটা বলতে বলতে থামিয়ে দিয়ে প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে স্রোত। কিন্তু সার্থক ঠিকই বুঝতে পারে স্রোত কি বলতে চাইছিল। এমন হুট করে স্যারের সামনে এমন কথা বলে ফেলায় কিছুটা লজ্জা পেয়ে যায় স্রোত আর সেখান থেকে লাইব্রেরীতে চলে যায়।
রাইকে নিজের মনের কথা বলে দিল স্রোত
এদিকে দেখা যায় রাই বাথরুমে গিয়ে অনেক বমি করছে। কিন্তু সে ডাক্তার দেখাতে রাজি নয় কারণ তার কাছে এই মুহূর্তে এত টাকা নেই। স্রোত রাইয়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুললে, কথা ঘুরিয়ে দেয় রাই। এরপর কথায় কথায় স্রোত স্যারকে তুমি সম্বোধন করলে চমকে ওঠে রাই। বোনটা নতুন নতুন প্রেমে পড়েছে দেখে খুব খুশি হয় রাই। স্রোতের বাচ্চা বাচ্চা ভাব এবং প্রেমে পড়ার পর মনের মধ্যে ঘটে চলা সেই পাগলামি উপলব্ধি করতে পারে রাই।

