শৌর্যর বাবাকে গুটি বানিয়ে ভয়ংকর কান্ড ঘটালো নীলু! পাঁক থেকে মুক্তি পেতে কী করবে শৌর্য?

নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার জন্য অনেক মানুষ রয়েছে যারা পরিশ্রম করে এবং কিছু কিছু মানুষ রয়েছে যারা শয়তানি বুদ্ধি বের করে অন্যের জায়গা ছিনিয়ে নিয়ে সেই জায়গায় বসবাস করাটাকেই একমাত্র উপায় হিসেবে বেছে নেয়। ঠিক এইরকমই একজন মানুষ হল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের আপন বোন নীলাঞ্জনা। বর্তমানে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের পর্ব গুলি।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নীলাঞ্জনাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসে থাকার জায়গা করে দেয় শৌর্য। কারণ সে শান্তিপূর্ণভাবে একটা আইনের বিচ্ছেদ চাইছে। ঝামেলা করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। কারণ এখন মেয়েদের হাতে অনেক ক্ষমতা। আর নীলাঞ্জনার মতো মেয়েরা খুব ভালো করেই জানে সেই ক্ষমতার কিভাবে অপব্যবহার করতে হয়। ছেলের কথাগুলোকে বুঝতে পেরে নীলাঞ্জনাকে বাড়িতে থাকার অনুমতি দিয়ে দেয় সুচিস্মিতা।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৪ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 14 August)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নীলাঞ্জনা চলে আসে শৌর্যর ঘরে। তাকে অনেকবার বারণ করার পরেও সে কারুর কথা না শুনেই সেই ঘরে চলে যায়। এখানে গিয়ে সে শৌর্যের সাথে কথা বলার চেষ্টা করে। নীলাঞ্জনাকে দেখে শৌর্য ভীষণ রেগে যায়। কিন্তু সে কোন ঝামেলায় জড়াতে চায় না তাই শান্তভাবে নীলাঞ্জনাকে যা বলার বলে সেখান থেকে চলে যেতে বলে।

নীলাঞ্জনা তখন বলে, “তুমি যে আমার সঙ্গে এমন বিশ্বাসঘাতকতা করেছ এতে তোমার আত্ম গ্লানি হয় না? তোমার মনে হয় না তুমি সেটা করেছো সেটা ঠিক করনি? তোমাকে তো আমি বিশ্বাস করেছিলাম আর বিশ্বাস করে সবকিছু বলে দিয়েছিলাম। তাহলে তুমি এরকমটা কেন করলে?” সব শুনে শৌর্য বলে, তার মতন একটা মেয়ের কাছ থেকে এই সমস্ত কথা শুনে নিজের সময় নষ্ট করতে চায় না সে। এই বলে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় শৌর্য। একা একা ঘরের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে করতে নীলাঞ্জনা ঠিক করে ফেলে এত সহজে সে শৌর্যকে ছাড়বে না। তাকে শাস্তি পেতেই হবেতাকে শাস্তি পেতেই হবে।

সবটা ঠিক করে নিতে চাইছে অনির্বাণ

অন্যদিকে অনির্বাণ নানা রকম ভাবে চেষ্টা করে রাইয়ের মন পাওয়ার। তার মা এবং বাবা দুজন মিলেই যখন তার স্ত্রীয়ের নামে গাদা গুচ্ছের খারাপ খারাপ কথা বলে এবং তার মনের মধ্যে সন্দেহ ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, অনির্বাণ অনেক চেষ্টা করে সেই সন্দেহ গুলোকে নিজের মনের মধ্যে প্রশ্রয় না দেওয়ার। সে নিজেকে পুরোপুরি বদলে ফেলার চেষ্টা করে। রাইও চেষ্টা করছে পুরনো সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি এবং খারাপ স্মৃতিকে একটু একটু করে মুছে ফেলার। তারা দুজন কি পারবে আবার এক হতে?

Back to top button