স্বামীর অধিকার ফলাতে ব্যস্ত অনির্বাণ! তীব্র প্রতিবাদ জানালো রাই!

জোর করে কোন কিছুই পাওয়া যায় না। জোর করতে গেলে সবকিছুই আরো বেশি করে ঘেটে যায়। জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই তাই জন্য এই মুহূর্তে নিজেকে সময় দিতে চাইছে। সে বুঝতে পারছে সে যেটা পড়ছে সেটাতে তার মনের তরফ থেকে কোন মত নেই। তার মন এবং মাথায় একত্রিত ভাবে তার চরম বিরোধী। কিন্তু তারপরেও নিজেকে একটা সুযোগ দিচ্ছে সে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, আবারো নিজের মায়ের মন্ত্রণায় নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করে বসে অনির্বাণ। সৌভাগ্যবশত বিষয়টা বুঝতে পারিনি ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। যদিও সন্দেহ করার পর নিজের কাছেই অনেকটা ছোট হয়ে যায় অনির্বাণ। আর প্রতিজ্ঞা করে সে আর এরকম ভুল কোনদিনও করবে না। কিন্তু এই সন্দেহ করাটাই যদি মানুষের স্বভাব হয় তাহলে সেই স্বভাব কি এত সহজে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে ফেলা যায়?
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৩ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 13 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নীলাঞ্জনার শাশুড়ি মা সুচিস্মিতা নীলাঞ্জনাকে অনেকগুলো কথা বলে। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তার ছেলের দিকে যেন হাত বাড়ানোর চেষ্টা না করে নীলাঞ্জনা। তাকে এই বাড়িতে দয়া করে থাকতে দেওয়া হয়েছে। ডিভোর্স হয়ে গেলে চলে যাবে। নীলাঞ্জনা মনে মনে ভাবে, এবার তাকে এমন কিছু একটা করতে হবে যাতে বাড়ির সবাই তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়। নিজের শশুর মশাইকে ভুল ওষুধ খাইয়ে আবার সেই অবস্থা থেকে সুস্থ করে তুললে হয়তো বাড়ির সবার মনে নীলাঞ্জনা প্রতি একটু হলেও মায়া জন্মাবে। পাকা ঘরে একা বসে এই সমস্ত চিন্তা ভাবনাই করতে থাকে সে।
স্রোতের মন জুড়ে শুধুই সার্থক
অন্যদিকে সার্থকের বাবা উজ্জ্বল সার্থককে জানায় আগামী বৃহস্পতিবার স্রোতকে সে রাত্রিবেলার ডিনারে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। কথাটা শুনে মনে মনে ভালো লাগলেও মুখে বিরক্তি ফুটিয়ে তুলে সেখান থেকে চলে যায় সার্থক। অন্যদিকে স্রোত বারবার নিজের মনের মধ্যে সার্থকের নামই জপ করতে থাকে। ভুল করে খাতার মধ্যে সার্থকের নাম লিখে ফেলে। স্রোত খুব ভালো করেই বুঝতে পারে তার মধ্যে একটা দুর্বলতা সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু সে নিজের সেই দুর্বলতাটাকে কোনভাবেই প্রশ্রয় দিতে চায় না।
আরো পড়ুন: বিরাট ঘোষণা! অমর সঙ্গী শুরু হতে না হতেই মুখ্য চরিত্রে বদলে যাচ্ছে নায়ক!
আরো একটু সময় চেয়ে নিল রাই
এদিকে দেখা যায়, অনির্বাণ রাইকে নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য বেরোয়। অনির্বাণ যখন তাকে আবার সবটা আগের মতন করে নিতে বলে আবার সেই আগের রাই হয়ে যেতে বলে তখন নায়িকার স্পষ্টভাবে জানায় তার কিছুটা সময় লাগবে। রাতে অনির্বাণ চেষ্টা করে এরাই এর সাথে ঘনিষ্ট হওয়ার। কিন্তু রাই একেবারেই মানসিকভাবে সেসবের জন্য প্রস্তুত নয়। প্রথমটাই রেগে গেলেও পরে অনির্বাণ বিষয়টা বোঝে আর নিজেই বলে সে অপেক্ষা করবে। যতদিন না রাই নিজের থেকে এগিয়ে আসবে ততদিন অবধি অনির্বাণ অপেক্ষা করবে। এটা শুনে খুব খুশি হয় রাই।

