কমলিনীর পর্দাফাঁস! অফিসের টাকা লোপাট করছে কে জেনে গেল মধুবনী!
জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকটির জনপ্রিয়তা। মিহির চরিত্রে দর্শকদের মনে জয় করে নিয়েছে খুদে অভিনেত্রী রাধিকা কর্মকার। পাশাপাশি মধুবনী আর ঋকের চরিত্রে মোহনা মাইতি এবং সায়ন বসুর দুর্দান্ত অভিনয় ভীষণ পছন্দ করেছেন দর্শকরা।
তবে সম্প্রতি মধুবনী আর ঋকের সদ্য তৈরি হওয়া বৈবাহিক জীবনে ঝড় তুলেছে কমলিনী সেনগুপ্ত। একদিকে ঋকের ঠাম্মি সুরমা সেনগুপ্তকে মধুবনীর ব্যাপারে উস্কে যাচ্ছেন কমলিনী আর অন্যদিকে কোম্পানিতেও একের পর এক ফ্রোড করে যাচ্ছেন কমলিনী। তবে কমলিনীর কারসাজি মধুবনী বা ঋক ধরতে না পারলেও ধরে ফেলছে কুশল আর সেই জন্যই কুশলকে রাস্তা থেকে সরানোর প্ল্যান করছেন তিনি।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ১০ আগষ্ট (Ke Prothom Kache Esechi Today Episode 10 August)
ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে মধুবনীর ওপর নজর রাখছিল মধুবনীর দিদি আর জামাইবাবু। আর তখনই একজনের ছায়া দেখতে চিৎকার করে ওঠে মধুবনী। মধুবনীর গলার আওয়াজ পেয়ে বেরিয়ে আসে ঋক। যদিও কাউকেই দেখতে পায়নি তারা। এরপরই ভিতরে আসতেই মধুবনীর ফোনে ফোন করেন অ্যাকাউন্টেন্ট। তিনি মধুবনীকে জানান কোম্পানির অ্যাকাউন্ট থেকে বারবার অনেকগুলো টাকা তোলা হচ্ছে তাও সেটা অটোমেটিক। এই বিষয়ে কোন তথ্য অফিসের ডেটাটে নেই।
আরও পড়ুন: মা-ছেলেকে বাগে আনল কৌশিকী! উৎসবের পকেট ফাঁকা করে বড়লোকিয়ানা ঘুচিয়ে দিল!
সবটা শুনে অফিসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মধুবনী। পরেরদিন সকালে হয়েই স্কুলে চলে যায় মিহি। কিন্তু স্কুলের সহপাঠীরা ফের রাগাতে শুরু করে মিহিকে। এমনকি তার প্রিয় বান্ধবীও বলে ‘স্টেপ ফাদার’ ভালো হয়না সেকথা তাদের বইয়েও লেখা আছে। সবটা শুনে ভীষণ ধাঁধায় পড়ে যায় মিহি। এমনকি স্কুল শেষ হয়েই তাকে নিতে চলে আসে তার মাসি। তিনিও মিহিকে বলেন তার বাবা তাকে দিয়ে বাড়ির সব কাজ করবে। এইসব কথা শুনেই চিন্তা করতে শুরু করে মিহি।
টাকা লোপাট করছে কে? জেনে গেল মধুবনী
এদিকে দীপককে টাকা দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় কমলিনীর দেখা হয় কুশলের সঙ্গে। স্নেহার সঙ্গে তার সম্পর্ক ভাঙার জন্য যে দায়ী তাকে যোগ্য শাস্তি দেওয়ার কথা জানিয়ে দেয় কুশল। আর সেই কারণেই স্নেহার বাড়িতে ফোন করে স্নেহার বাবার সঙ্গে কথা বলে এক বড়লোক ছেলের সঙ্গে স্নেহার নিয়ে ঠিক করে কমলিনী। অন্যদিকে দেখা গেছে অফিসে গিয়ে অ্যাকাউন্টেন্টর থেকে সমস্ত কথা জেনে নেয় মধুবনী। সমস্ত তথ্য নিয়ে চলে যায় ব্যাঙ্কে চলে যায় মধুবনী। সেখানে থেকে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে সেনগুপ্ত বাড়িতে হয়ে দাদুকে মধুবনী জানান তাদের কোম্পানির থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চুরি যাচ্ছে। আর সেই অ্যাকাউন্টে টাকা যাচ্ছে সেটা দেবযানী সেনগুপ্ত নামে করা। মধুবনীর কথা শুনেই চমকে যায় দাদু। কারণ দেবযানী সেনগুপ্ত ঋকের মা। তাহলে কি এবার ধরা পড়বে কমলিনী? জানতে হলে দেখতে থাকুন কে প্রথম কাছে এসেছি।
View this post on Instagram

