আরো একবার নিজের সাথে আপোষ করলো রাই! সব জেনেও অন্ধকারে পা রাখল সে!

আমাদের সমাজে প্রত্যেকটি মেয়ে নিজের সম্পর্ক গুলোকে টিকিয়ে রাখার জন্য নিজেদের সমস্ত কিছু বলিদান দিয়ে দেয়। নিজের ভালো থাকা খারাপ থাকা গুলোর সাথে আপোষ করেও তারা চেষ্টা করে কাছের প্রিয় মানুষটার সাথে আরো কিছুদিন থেকে যাওয়ার। সমাজের আর পাঁচটা মেয়ের মতন সেই একই কাজ করলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। বর্তমানে বেশ জমে উঠেছে ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনির্বাণ অনেক বড় ভুল বা বলা বাহুল্য অনেক বড় অন্যায় করে ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের সাথে। সম্পর্কের মূল ভিত নড়িয়ে দেয় তার করা কাজগুলো। রাইকে দেখানোর সমস্ত স্বপ্ন এক ঝটকায় ভেঙে দেয় অনির্বাণ। রাই বুঝা যায় তার কপালে সুখ নামুক জিনিসটা একেবারেই নেই। তাই সব ছেড়ে নিজের মতন করে বাঁচার রাস্তা খুঁজে নেয় সে।
যদিও খুব বেশিদিন লাগেনি অনির্বাণের ভুল ধারণা ভাঙতে। কয়েকদিনের মধ্যেই সমস্ত বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যায় তার কাছে। সে বুঝে যায় এই নোংরা জঘন্য কাজটা রাই করতে পারেনা। সবকিছু মিথ্যে। এটাই সাজানো লোক দেখানো। সে বুঝতে পারে তার আরো একটু বিশ্বাস করা উচিত ছিল তার স্ত্রীকে। ব্যাস তারপর থেকেই উদভ্রান্তের মতন রাইকে আবার নিজের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে থাকে অনির্বাণ।
বহুদিন বহুবার বহু রকম ভাবে রাই অনির্বাণকে ফিরিয়ে দিয়েছে। কারণ সে খুব ভালো করেই জানে, এই সন্দেহ বাতিক মনোভাব এত সহজে দূর করা যায় না। আর যে মানুষটা নিজের কাছের মানুষকে বাদ দিয়ে বাকি সবার কথায় বেশি করে প্রভাবিত হয় তার সাথে আর যাই হোক সুখের শান্তিতে সংসার করা যায় না। সারা জীবন সন্দেহভাজন হয়ে থাকার থেকে সম্পর্ক ভেঙে দিয়ে একলা থাকা অনেক বেশি ভালো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাই নিজেকে আটকাতে পারেনি।
আরো পড়ুন দুঃসংবাদ! টিআরপি কমতেই নিম ফুলের মধু থেকে বিদায় নিলেন প্রধান নায়ক!
আবার অন্ধকারে পা রাখলো রাই
যতই হোক অনির্বাণকে সে বিয়েটা ভালোবেসেই করেছিল। এসে যখন দেখে অনির্বাণ প্রত্যেকদিন এসে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করছে দেখা করার চেষ্টা করছে তখন রাইয়ের খুব খারাপ লাগে। রাই মনে মনে বুঝতে পারে ঠিকই যে এই সংসার টেকার নয়। আবার কিছু একটা হবে যার ফলস্বরূপ রাইকে অপমানিত হতে হবে কিন্তু তাও নিজের সাথে আপোষ করে অনির্বাণকে আরো একটা সুযোগ দেয় সে। আমাদের সমাজেও প্রত্যেকটি মেয়ে কোন না কোন সময় এমনটা করেই থাকে। কখনো দায় পড়ে আবার কখনো ভালোবাসা থেকে।

