লাটে উঠেছে কোম্পানি! ঋকের পর কমলিনীর টা’র্গেট পূর্ণেন্দু!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। টিআরপি তালিকায় নজরকাড়া ফলাফল করতে না পারলেও দিনে দিনে পর্দায় জমে উঠেছে ধারাবাহিকের গল্প। ঋক মধুবনীর জীবনে গ্রহণ হয়ে এসছেন কমলিনী সেনগুপ্ত। ধারাবাহিকে মোহনা মাইতি (Mohona Maiti) এবং সায়ন বসুর (Sayan Bose) রসায়ন বেশ পছন্দ করছেন দর্শকরা। পাশাপাশি এলাচ বুড়ি অর্থাৎ মিহির ভূমিকায় খুদে অভিনেত্রী রাধিকা কর্মকার (Radhika Karmakar) তাক লাগিয়ে দিচ্ছে দর্শকদের।

সম্প্রতি বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে ঋক আর মধুবনী। কিন্তু তারই মাঝে নতুন সমস্যা দেখে দিয়েছে ঋক আর মধুবনীর জীবনে। ঋক মধুবনীকে ভালোবেসে বিয়ে করলেও সেই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি সেনগুপ্ত বাড়ির সদস্যরা। মধুবনীকে বাড়ির থেকে তাড়িয়ে দেন ঋকের ঠাম্মি। তবে স্ত্রীর অপমান মুখ বুঝে সহ্য করেনি ঋকও। মধুবনীর হাত ধরেই বাড়ি ছেড়েছে সে। যদিও ঋক আর মধুবনীকে বাড়ি থেকে তাড়ানোর জন্য ইন্ধন যুগিয়েছেন ঋকের মণিমা অর্থাৎ কমলিনী সেনগুপ্ত।

Mohona Maiti, Bengali Serial, Bengali television, Star jalsha, Zee Bangla, Ke prothom kache esechi, Mohona বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, জি বাংলা, কে প্রথম কাছে এসেছি, মোহনা মাইতি

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ৭ আগষ্ট (Ke Prothom Kache Esechi Today Episode 7 August)

ইতোমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে স্বামী মেয়েকে নিয়েই নিজের বাড়িতে সংসার পেতেছে মধুবনী। ঋকও নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসায় ভরিয়ে দিচ্ছে মিহিকে। রান্না করেও খাওয়াচ্ছে তাকে। এদিকে ঋক অফিস থেকে বেরোনোর পরেরদিনই অফিসে এসে হাজির হয় কমলিনী সেনগুপ্তর সুপুত্র রিশব সেনগুপ্ত। শুট বুট পড়ে অফিসে এসেই অ্যাকাউন্টেন্টের কাছে গিয়ে কোম্পানির পাঁচ লাখ টাকা চেয়ে বসে রিশব।

তবে রিশবের ব্যবহার নজর এড়ায়নি কুশলের। সঙ্গে সঙ্গে দাদুকে সম্পুর্ণ ঘটনাটা জানিয়ে দেয় কুশল। কুশলের কথা শুনে রিশবকে অফিস ছেড়ে কলেজে যেতে বলেন পূর্ণেন্দু সেনগুপ্ত। সঙ্গে তিনি এও বলেন টাকা খোলামকুচি নয়, টাকা রোজগার করতে জানতে হয়। দাদুর কাছে এরূপ কড়া কড়া কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গেই মাকে ফোন করে সবটা জানিয়ে দেয় রিশব। এদিকে কমলিনীকে ফোন করে মধুবনী। কমলিনী সন্ধ্যার সময় আসতে বলেন মধুবনীকে।

আরও পড়ুন: জগদ্ধাত্রীর ধামাকা পর্ব! দেবুর মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে ম’রণ ফাঁদে পড়ল জগদ্ধাত্রী!

কমলিনীর দেওয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন পূর্ণেন্দু সেনগুপ্ত

এদিকের স্কুলে গিয়ে ফের সহপাঠীদের হেনস্তার শিকার হল মিহি। কিন্তু অদ্ভুতভাবে মিহিকেই বকতে শুরু করেন শিক্ষিকা। যা দেখে প্রতিবাদ করে ঋক। মিহিও সকলকে জানিয়ে দেয় ঋক মিহির বাবা। অন্যদিকে দেখা যায় ওষুধ দেওয়ার অছিলায় পূর্ণেন্দু সেনগুপ্তকে ভুল অসুস্থ দিয়ে দেন কমলিনী। তারপরই কমলিনীর কথা মতো সেনগুপ্ত বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়েছে মধুবনী। কিন্তু মধুবনীকে দেখেই তাকে অপমান করতে শুরু করেন সুরমা সেনগুপ্ত। কিন্তু হঠাৎই বুকের যন্ত্রণায় অসুস্থ হয়ে পড়েন পূর্ণেন্দু। তাহলে কি মারা যাবেন পূর্ণেন্দু সেনগুপ্ত? জানতে হলে দেখতে থাকুন কে প্রথম কাছে এসেছি।

Back to top button