নতুন জীবনের শুরুতেই বিরাট বিপত্তি! এ কোন অ’শনি সংকেত পেলো মধুবনী?

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা। সিঙ্গেল মাদার মধুবনীর চরিত্রে অভিনয় করে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohona Maiti)। পাশপাশি ধারাবাহিকে ঋকের চরিত্রটিও অসাধারণভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলছেন অভিনেতা সায়ন বসু (Sayan Bose)। এমনকি দর্শকদের মাঝে প্রশংসিত হচ্ছে খুদে অভিনেত্রী রাধিকা কর্মকার (Radhika Karmakar)।

তবে বর্তমানে ঋক আর মধুবনীর বিয়ে নিয়ে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের গল্প। যদিও তাই মাঝে নিজের খেলা শুরু করে দিয়েছেন ঋকের সৎ থুড়ি অসৎ মা কমলিনী সেনগুপ্ত। এক ঢিলে দুই পাখি মারার প্ল্যান করেছেন তিনি। একদিকে ঋক আর মধুবনীর সামনে ভালোমানুষির নাটক করে চলেছেন অন্যদিকে মিহিকে হাতিয়ার করে ঋকে সেনগুপ্ত পরিবার এবং সম্পত্তির থেকে বেদখল করার প্ল্যান করেছেন তিনি।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ১ আগষ্ট (Ke Prothom Kache Esechi Today Episode 1 August)

ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে ঋক মধুবনীকে কথা দিয়েছে ওই বাড়িতে কোনদিনও মিহির অযত্ন হবে না। কিন্তু তবুও মন মানছে না মধুবনীর। এরপরই দেখা যায় বিয়ের দিন সকালে মধুবনীকে ফোন করেন ঋকের ঠাকুমা। তিনি মধুবনীকে বলেন তিনি মধুবনীকে জিজ্ঞাসা করেন তার বাড়িতে কে কে আছে। মধুবনী জানায় তার মা বাবা মারা গেছেন অনেক আগেই। তার দিদি, জামাইবাবু আছে তবে তারা থাকেন বাইরে। আপনজন বলতে এখন যে বাড়িতে সে ভাড়া থাকছে সেই বাড়ির মাসিমা আর মেসোমশাই।

ঠাম্মির কথা শুনে চমকে গেল মধুবনী

সমস্ত কথা শুনে সকলকে নিয়ে যথা সময়ে চলে আসতে বলেন ঋকের ঠাকুমা। কিন্তু তিনি একবারও মিহির নাম নিলেন না ভেবেই কষ্ট পায় মধুবনী। সে ভগবানের কাছে প্রার্থনা করে যেন মিহি ওই বাড়িতে ভালো থাকে। কিন্তু তখনই নিভে যায় প্রদীপ। এক অজানা ভয় ডানা বাঁধে মধুবনীর মনে। এদিকে মধুবনীর বাড়িতে তত্ত্ব নিয়ে সবাই যাবে শুনেই নতুন প্ল্যান করেন কমলিনী। মিহিকে ওই বাড়িতে রেখে মধুবনীকে নিয়ে সেনগুপ্ত বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। তারপরই শুরু হয় ঋক মধুবনীর গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুন: না, আর ফিরবে না রাই! অনির্বাণকে ছাড়াই বাঁচবে সে!

কুশলকে দেখেই চমকে গেলেন দীপক

বর-বউয়ের গায়ে হলুদ একসঙ্গে হচ্ছে দেখে ভীষণ রেগে যান ঠাম্মি। তবে পরিস্থিতি সামনে নেন ঋকের দাদু। এদিকে কমলিনীর সঙ্গে দেখা করতে চলে আসেন দীপক। আর তাকে দেখেই ভীষণ রেগে যান কমলিনী। তিনি বলেন সমস্ত টাকা দিয়ে দেবেন। কিন্তু দীপক যাওয়ার সময়ই তার সঙ্গে ধাক্কা লাগে কুশলের। কুশলকে দেখে নিজের ছেলে কথা মনে পড়ে যায় দীপক বাবুর। এরপরই গায়ে হলুদের পালা শেষ হতেই মধুবনীকে আশীর্বাদ করেন সকলে। কিন্তু বিয়ে সময় মিহিকে দেখে কি করবেন ঠাম্মি? তবে কি ভেঙে যাবে ঋক মধুবনীর বিয়ে? জানতে হলে দেখতে থাকুন কে প্রথম কাছে এসেছি।

 

Back to top button