বিয়ের আগেই বিরাট বিপত্তি! মধুবনীকে এমন কথা কেন বললেন ঋকের ঠাম্মি!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। সিঙ্গেল মায়েদের গল্পকে ধারাবাহিকের আঙ্গিতে জি বাংলায় ফুটিয়ে তুলেছে বাংলা টকিজ। ধারাবাহিকে সিঙ্গেল মাদার মধুবনীর চরিত্রে অভিনেত্রী মোহনা মাইতির (Mohona Maiti) দুর্দান্ত অভিনয় মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকটির জনপ্রিয়তা। পর্দায় সায়ন বসুর (Sayan Bose) এবং খুদে অভিনেত্রী রাধিকা কর্মকারের (Radhika Karmakar) মিষ্টি সম্পর্কও মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের।
তবে বর্তমানে মধুবনী আর ঋকের বিয়ে নিয়ে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের গল্প। সমস্ত ঝড় ঝাপটা পেরিয়ে অবশেষে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছে মধুবনী আর ঋক। তবে তারই মাঝে উঁকি দিচ্ছে নতুন সমস্যা কমলিনী সেনগুপ্ত। বড় ছেলের সংসার ভাঙার জন্য বিরাট চাল চলেছেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে এখনও কিছুই জানেনা ঋক।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ৩১ জুলাই (Ke Prothom Kache Esechi 31 July)
ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে শুরু হয়ে গেছে মধুবনী আর ঋকের বিয়ের তোড়জোড়। ঋকের বাড়িতে আইবুড়োভাতের খাওয়ার পরিবেশন করেছেন কমলিনী। যদিও তারপরই তিনি নিজের ছোট ছেলেকে বলতে থাকেন এটাই এই বাড়িতে ঋকের শেষ খাওয়া। এরপরই ঋকের বিয়ে। বউ, মেয়েকে নিয়ে ঋক এই বাড়িতে আসবে আর বউ, মেয়ের হাত ধরেই ঋক এই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবে।
অন্যদিকে দেখা যায় মধুবনীকে রেঁধে বেড়ে খেতে দিয়েছেন কাকিমা। সমস্ত পদগুলো একটু একটু করে মেখে মধুবনীকে খাইয়ে দেয় মিহি। মেয়ের কান্ড দেখে চোখে জল চলে আসে মধুবনীর। মিহিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে সে। মনে করতে থাকে মেয়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো। এদিকে ঋক দেখে তার প্রিয় পোস্তর বড়া রান্না করেছে তার মা। মনের আনন্দে পোস্তর বড়া খেতে যাবে তখনই তার মনে পড়ে ছোট্ট মিহির কথা। তারপরই লুকিয়ে লুকিয়ে পোস্তর বড়ার বাটিটা নিয়ে চলে যায় ঋক।
আরও পড়ুন: এক কিংবা দুই বছর নয়, এবার ১০০ দিনের এপিসোড নিয়ে নতুন নতুন গল্প আনছে প্রধান চ্যানেল!
ঋকে জড়িয়ে ধরল মধুবনী
এদিকে মিহির জন্যও পোস্তর বড়া রান্না করে ভালো ঠাম্মি। কিন্তু ঋকের কথা মনে পরতেই পোস্তর বড়াগুলো রেখে দেয় মিহি। এরপরই চলে আসে ঋক। সে মিহিকে দিয়ে দেয় পোস্তর বড়ার বাটিটা। এদিকে মিহিও ঋকে দিয়ে দেয় পোস্তর বড়া। ঋক আর মিহির কান্ড দেখে ভীষণ খুশি হয় মধুবনী। মিহিকে কোলে তুলে নিয়ে ঋক বলে সে মিহিকে রাজকন্যার মতো রাখবে। এই কথা শুনেই ঋকের হাতটা জড়িয়ে ধরে মধুবনী। পরেরদিন সকলে শুরু হয়ে যায় দধিমঙ্গলের অনুষ্ঠান। তখনই মধুবনীকে ফোন করেন ঋকের ঠাম্মি। থাকলে কি ঠাম্মি জেনে যাবেন সত্যিটা? আপনাদের কি মনে হয়?

