মরণ খেলায় মেতেছে কমলিনী! ঋককে বাঁচাতে কী করবে মধুবনী?

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। এখনও পর্যন্ত সন্ধ্যে সাড়ে ৬টার স্লট দখল করতে না পারলেও ধারাবাহিকের কাহিনী এবং চরিত্রগুলো ইতিমধ্যেই মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের। ধারাবাহিকটিতে মধুবনীর চরিত্রে অভিনেত্রী মোহনা মাইতির (Mohona Maiti) দুর্দান্ত অভিনয় মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের। পর্দায় মোহনার সঙ্গে সায়ন বসুর (Sayan Bose) রসায়ন ভীষণ পছন্দ করছেন দর্শকরা। তাছাড়াও ধারাবাহিকে মিহির চরিত্রে খুদে অভিনেত্রী রাধিকা কর্মকারের (Radhika Karmakar) অভিনয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ দর্শক।
তবে বর্তমানে মধুবনী আর ঋগদেবের বিয়ে নিয়েই জমে উঠেছে ধারাবাহিকের কাহিনী। অবশেষে সত্যিই হতে চলেছে ছোট্ট মিহির স্বপ্ন। সমস্ত ঝড় ঝাপটা পেরিয়ে অবশেষে মধুবনীর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছে ঋক। যদিও সমস্যা যায়নি জীবন থেকে। সৎ ছেলের জীবনের নষ্ট করতে উঠে পরে লেগেছেন কমলিনী সেনগুপ্ত। ঋকের সামনে ভালো মানুষের নাটক করে সমস্ত সম্পত্তি দখল নেওয়ার প্ল্যান করেছেন তিনি।

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ৩০ জুলাই (Ke Prothom kache esechi 30 July)
ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে মধুবনীর বাড়িতে বিয়ের তত্ত্ব পাঠিয়েছেন কমলিনী কিন্তু সকলের জন্য সব কিছু পাঠালেও মিহির জন্য কিছুই দেননি তিনি। যদিও সেই বিষয়ে ঋককে কিছুই জানাননি মধুবনী। এরপরই দেখা যায় অফিসের সকলে মিলে আইবুড়োভাত দিয়েছে ঋক এবং মধুবনীকে। তবে খাওয়ার শেষ করেই মধুবনী আর মিহিকে নিয়ে নিজের কেবিনে চলে যায় ঋক। এরপরই সে মিহির দিয়ে দেয় একটা মিষ্টি শাড়ি।
দুল দেখে দোষীকে চিহ্নিত করল মধুবনী
টুকটুকে লাল রঙের শাড়ি দেখে ভীষণ খুশি হয় মিহি। মনে মনে মধুবনীও ভাবে ঋক ভীষণ ভালো মানুষ। উনি মন থেকে মিহিকে ভালোবাসেন। কিন্তু ঋক বেরিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই সেখানে চলে আসেন গার্ড। তিনি জানান আগুন লাগার দিন তার ভায়রাভাই একজন মহিলাকে দেখেছিলেন। তাড়াহুড়ো মহিলার কান থেকে পড়ে গিয়েছিল একটা দুল। এরপরই মধুবনীকে সে দুলের ছবিটা দেখেন তিনি। ছবিটা দেখেই কানের দুলটা চিনতে পারে মধুবনী। তার মনে হয় কমলিনী সেনগুপ্তর কানে এই দুলটা দেখেছে সে।
আরও পড়ুন: অনির্বাণের ঘাড়ে সব দোষ চাপিয়ে দিল নন্দিতা! সবার অলক্ষে ভ’য়ংকর কাণ্ড ঘটালো সে!
তবে নিজের ভুল বুঝতে পেরে পরক্ষণেই মধুবনী বলে এই দুলের সাহায্যের আসল দোষীকে খুঁজে বের করবে সে। পরেরদিন দেখা যায় সক্কাল সক্কাল শুরু হয়ে গেছে ঋকের আইবুড়োভাতের অনুষ্ঠান। পঞ্চ ব্যঞ্জন পরিবেশন করা হয় ঋকে। তবে ঋকে খাওয়ার বেড়ে দিয়েই ছোট ছেলেকে কমলিনী বলেন এটাই ঋকের এই বাড়িতে শেষ খাওয়া। বিয়ের পর বউ, মেয়ে সমেত ঋকে এই বাড়ি থেকে তাড়াবেন তিনি। এরপরই এই সম্পত্তি হবে তার ছেলের। মধুবনী কি পারবে কমলিনীকে আটকাতে? জানতে হলে দেখতে থাকুন কে প্রথম কাছে এসেছি।

