ম’র্গে গিয়ে দিদিকে চিহ্নিত করল স্রোত! তবে কি সত্যি সত্যিই বিদায় নিল রাই?

সঠিক সময়ে সঠিক জিনিসটা না করলে এবং না বুঝলে পরে আফসোসের সীমা থাকে না। আর তখন আফসোস করেও বিশেষ কিছু একটা হাসিল করা যায় না। এইবার ঠিক সেটাই হলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের বর্তমান নায়ক অনির্বাণের সাথে। সে চিরকালের মতন হারিয়ে ফেললো নায়িকা রাইকে। আজকের পর্ব চোখে জল এনে দিল দর্শক মহলের। এই ধারাবাহিকে প্রধান নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই নিজের বাড়িতে অপমান সহ্য করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সে আর অকারণে একটা কথাও কারোর কাছ থেকে শুনতে চায় না। তাই ব্যাগপত্র গুছিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে শৌর্য অনির্বাণের কাছে গিয়ে প্রমাণসহ তাকে বুঝিয়ে দেয় যে এই সমস্ত কিছুর পেছনে রয়েছে নীলাঞ্জনা। অনির্বাণ তাড়াতাড়ি করে ক্ষমা চাওয়ার জন্য রাইয়ের বাড়িতে চলে আসে।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২৯ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 29 July)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণ চলে গিয়েছে রাইয়ের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে এসে বারবার সবার কাছে অনুরোধ করে তারা যেন একবার রাইয়ের সাথে তার কথা বলার ব্যবস্থা করে দেয়। এতদিন ধরে দিদির সাথে যে অন্যায় অত্যাচার হয়েছে তার উপযুক্ত জবাব দেয় স্রোত আর মিষ্টি। এরপর মিষ্টি চলে যায় চড়কিকে স্কুল থেকে আনতে।
অন্যদিকে শৌর্য সকালবেলা বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে যাওয়ায় সবাই বেশ চিন্তায় পড়ে যায়। সে যখন ফেরে এভাবে না বলে চলে যাওয়ার জন্য সবাই তাকে বকাবকি করে। এরপর শৌর্য সবাইকে জানাই সে অনির্বাণ দার কাছে গিয়েছিল। পাশাপাশি কেন গিয়েছিল সেই সমস্ত কিছু বিস্তারিত খুলে বলে সে। নীলাঞ্জনা যা যা করেছে সবটাই সে সবাইকে জানায়। সব শুনে বাড়ির প্রত্যেকে আর এক মুহূর্তের জন্যও নিলাঞ্জনাকে নিজের চোখে সামনে দেখতে চায় না। শৌর্য নীলাঞ্জনাকে উচিত শিক্ষা দেয়।
আরো পড়ুন: ছলা কলায় সৃজন পর্ণাকে আলাদা করে দিল কৃষ্ণা! সুইটির কথা শুনে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল পর্ণার!
দিদিকে শনাক্ত করল স্রোত
অন্যদিকে স্কুল থেকে মেয়েকে নিয়ে মিষ্টি বাড়িতে ঢুকতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে। সে বলে, চৌমাথার মোরে একটা মেয়ে গাড়ির সামনে ঝাঁপ দিয়ে নিজেকে শেষ করে দিয়েছে। তাড়াতাড়ি করে সবাই মিলে চলে যায় পুলিশ স্টেশনে। সেখান থেকে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় ম’র্গে। যে মৃতদেহটি তাদেরকে দেখানো হয় সেটির মুখ এতটাই বিকৃত হয়ে গিয়েছে যে, কেউ সেভাবে চিনতে পারেনা। এরপর তার পরনে যে শাড়িটা ছিল সেটা দেখে আঁতকে ওঠে স্রোত। কারণ ওই শাড়িটাই পরে বেরিয়েছিল রাই। কান্নায় ভেঙে পড়ে অনির্বাণ। তবে কি সত্যিই সবাইকে ছেড়ে চলে গেল রাই?

