কেউ চেয়েও পায় না আর কেউ পেয়েও নেয় না, সম্পর্ক না রেখেও নিজের ভালোবাসা প্রমাণ করলো শৌর্য!

ভালোবাসা সত্যিই বড় নিষ্ঠুর। বেশিরভাগ মানুষ বিশেষ করে যারা সত্যি করে মন প্রাণ দিয়ে কাউকে চায়, তাদের সাথেই এমন নির্মম আচরণ করে ভাগ্য। একইভাবে নিয়তির চরম পরিহাসের শিকার হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের প্রথম নায়ক শৌর্য। সে অনেক ভালবেসেছিল নায়িকা রাইকে। কিন্তু পরিণতি পায়নি তার ভালোবাসা। এদিকে যে সহজেই পেয়ে গেছে রাইকে, সে ভালোবাসার মূল্য দিতে পারেনি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নায়িকার বোন নীলাঞ্জনা নিজের দিদির ফুলশয্যার দিন জামাইবাবুর কাছে দিদির ছবি বিকৃত করে সেই ছবি পাঠিয়ে নিজের দিদি জামাইবাবুর সম্পর্ক ভেঙে দেয়। এর ফলে যে অবিশ্বাস এবং ঘৃণার সৃষ্টি হয় নায়ক অনির্বাণের মনে, সেটা বিচ্ছেদ অবধি গড়ায়। শেষ পর্যন্ত ডিভোর্স পেপারে সই অবধি করে দেয় রাই। নিজের দিদির সাথে চরম অন্যায় করে নীলাঞ্জনা। এদিকে কেউ তার এই সমস্ত কীর্তিকলাপ সম্পর্কে জানতেও পারেনা।

কিন্তু এই নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয় শৌর্যর মনে। কারণ ওই ছবিতে সেও ছিল। তাই সে কিছুতেই চুপ করে বসে থাকতে পারে না। সে বুঝতে পারে এই কাজটার পেছনে নীলাঞ্জনা ছাড়া আর কেউ থাকতে পারে না। তাই অত্যন্ত কৌশলে নীলাঞ্জনাকে বাড়িতে এনে তাকে নেশাগ্রস্ত করে তার পেট থেকে সমস্ত কথা বের করে নেয় শৌর্য। শুধু তাই নয় প্রমাণ স্বরূপ সেই কথাগুলোকে নিজের ফোনে রেকর্ড করে নেয় সে।
আরো পড়ুন: ভাইরাল শালিনী! সামাজিক মাধ্যমে শালিনীর ভিডিও দেখে চমকে গেল রোহিত-ফুলকি!
পরের দিন সকাল হতেই অনির্বাণের কাছে গিয়ে নিজেকে এবং রাইকে নির্দোষ প্রমাণ করে সে। সবটা শোনার পরেও অনির্বাণ প্রশ্ন করে, এই ভয়েস রেকর্ডারটা নকল নয় তো? মানুষ কতটা অবিশ্বাসী হলে এমন প্রশ্ন করতে পারে। শৌর্য চায়নি তাকে জুড়ে কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে অথবা অন্য কোন বিষয়ের জন্য তার প্রাক্তন প্রেমিকা সবার কাছে বিশেষ করে তার স্বামীর কাছে অসম্মানিত হোক এবং অবিশ্বাসের কারণ হয়ে উঠুক। তাই নিজেকে প্রমাণ করেছে শৌর্য।

নিজের ভালোবাসা প্রমাণ করে দিয়েছে শৌর্য
একটা জিনিস ভাবলে অবাক লাগে, শৌর্য হচ্ছে সেই ছেলেটা যে মন প্রাণ দিয়ে শুধুমাত্র রাইকে চেয়েছে। কোনরকম সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও, তার সাথে এত খারাপ কিছু হওয়া সত্ত্বেও সে রাইকে নির্দোষ প্রমাণ করেছে। নিজের ভালোবাসাকে কলঙ্কিত হতে দেয়নি শৌর্য। অন্যদিকে অনির্বাণ সবকিছু পেয়েও অবহেলা করে সবটা হারিয়েছে। নিজের স্ত্রীকে এতোটুকুও বিশ্বাস করতে পারেনি অনির্বাণ। শৌর্য যেটা করে দেখিয়েছে তাতে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে অনির্বাণ নয় বরং শৌর্যই রাইয়ের প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী। তার থেকে বেশি ভালো রাইকে আর কেউ বসতে পারবে না।

