দেরি করে ফেলল অনির্বাণ! ক্ষমা চাওয়ার আগেই অনেক দূরে চলে গেল রাই!

টানটান উত্তেজনায় জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের বর্তমান পর্ব। অনেক বড় কলঙ্কের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছিলো ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। তবে এইবার সেই সমস্ত কলঙ্ক থেকে মুক্তি পাওয়ার পালা। বর্তমানে জি বাংলায় সম্প্রচারিত ধারাবাহিক গুলির মধ্যে সবথেকে চর্চায় রয়েছে যে ধারাবাহিকটি সেটি হচ্ছে মিঠিঝোড়া। টানটান উত্তেজনায় ভরে উঠেছে দর্শকদের মন।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, এতদিন সবাই মিলে অকারণে ধারাবাহিকের নায়িকা রাইকে নানা রকমের দোষারোপ করেছিল। শশুর বাড়ি থেকে শুরু করে বাপের বাড়ি কেউ অপমান করতে ছাড়েনি তাকে। সে যে কোন অপরাধ করেনি সেটা সে চেয়েও কাউকে বুঝিয়ে উঠতে পারছিল না। কারণ তাকে কেউ বিশ্বাসই করে না। এইবার আসল সত্যিটা অনির্বাণকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল শৌর্য।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২৬ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 26 July)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই চাকরির উদ্দেশ্যে বেরোতে গেলে তাকে অনেকগুলো কথা শুনিয়ে দেয় তার মা নন্দিতা। রাই এবার প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে যায় আর খুব কষ্ট পায় প্রত্যেকের কথায়। প্রত্যেকদিন তাকে এমন অনেক কথা শুনতে হচ্ছে যার জন্য সে দোষী নয়। আর এই সমস্ত কথা শুনতে পারে না সে। এর মধ্যেই এসে হাজির হয় অনির্বাণের পাঠানো ডিভোর্সের কাগজ। রাই তাতে সই করে দেওয়ায় নন্দিতার কথা আরো দ্বিগুণ হয়ে ওঠে।
নন্দিতা বারবার তাকে বারণ করে ডিভোর্স পেপারে সই করতে। রাই নিজের আত্মসম্মান হারাতে চায় না, সে জানিয়ে দেয় কোনভাবেই এই ডিভোর্সটা আটকানোর জন্য সে অকারণে অনির্বাণের হাতে-পায়ে গিয়ে পড়বে না। এই কথায় আরও রেগে যায় নন্দিতা। রাই ঠিক করে সে আর এই বাড়িতে থাকবে না। এক মাস সময় নিয়েছিল সে। কিন্তু আর এক মুহূর্তও থাকার মতন অবস্থা নেই এই বাড়িতে। স্রোত মিষ্টি সবার কথা অগ্রাহ্য করে রাই নিজের ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ে কোন এক অজানা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।
কল রেকর্ডিং শুনে মাথা ঘুরে গেল অনির্বাণের
এদিকে শৌর্য চলে আসে অনির্বাণের অফিসে। কিন্তু অনির্বাণ তার একটা কথাও শুনতে রাজি নয়। সে জানিয়ে দেয় তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সে আর একটাও কথা শুনতে চায় না। তখন শৌর্য বলে, কালি যখন তার গায়ে একবার ছেটানো হয়েছে তখন নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতেই হবে তাকে। এই বলে সে ফোনটা বের করে আর আগের দিনে রাত্রিবেলা নীলাঞ্জনার সমস্ত কথা অনির্বাণকে শোনায়। সব শুনে অনির্বাণের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। সে আত্মগ্লানিতে মাটিতে মিশে যায়। শৌর্যর কাছে ক্ষমা চেয়ে সে তাড়াতাড়ি চলে যায় রাইয়ের বাড়ি। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে।
View this post on Instagram

