নীলুর মতো দুমুখো সাপ বোনের থেকে শৌর্যের মতন শত্রু থাকা অনেক ভালো, দাবি নেটিজেনদের❗

বাংলা সিরিয়ালের প্রত্যেকটি ধারাবাহিক এই একজন করে নায়ক নায়িকা এবং খলনায়িকাকে দেখতে পান দর্শক মহল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খলনায়িকার সঙ্গে নায়িকার কোন সম্পর্ক থাকে না। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে রক্তের সম্পর্কই হয়ে ওঠে সবথেকে বড় শত্রু। জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের জীবনেও ঠিক তেমনটাই ঘটেছে। নিজের বোন এখন তার জীবনের সবথেকে বড় শত্রুতে পরিণত হয়েছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নায়িকা রাই নিজের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নিজের বোনকে নায়কের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়। এরপর নীলাঞ্জনাকে মেনেও নেয় শৌর্য। একটু একটু করে তাদের মধ্যে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু নিজের অত্যাধিক লোভ লালসা এবং স্বার্থপরতার জন্য মিথ্যে বলে নিজের জায়গাটা হারিয়ে ফেলে নীলাঞ্জনা। তারপর থেকেই নিজের দিদির ওপর আরো বেশি প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব ওঠে তার।
দিদির একবার বিয়ে ভেঙে গিয়েছে। তাই বোন হিসেবে দ্বিতীয় বার দিদির বিয়েতে কোনরকম ব্যাঘাত না দেওয়াটাই কাম্য ছিল। কিন্তু নিলাঞ্জনা সেটা করেনি। ইচ্ছে করে বিয়ে ভেস্তে দেওয়ার জন্য ঘুমের ওষুধ খেয়েছে। যদিও অনির্বাণ বিয়েটা আটকাতে দেয়নি। যার ফলে শত বাধা বিপত্তির পরেও বিয়েটা হয়। এইটা একেবারেই মেনে নিতে পারেনি নীলাঞ্জনা। তাই এবার ফুলশয্যার রাতেই দিদির চরম সর্বনাশ করার পরিকল্পনা করে নীলাঞ্জনা। শুধু তাই নয়, সেই পরিকল্পনা মাফিক কাজও মিটিয়ে নেয়। নিজের কাজের দারুন সফলতা পায় সে।
নিজের বোন হয়ে সর্বোপরি একজন মেয়ে হয়ে একজন মেয়ের বিকৃত ছবি বানিয়ে তার স্বামীকে দেখিয়ে সমস্ত সম্পর্ক নষ্ট করে দেয় নীলাঞ্জনা। রাই বাধ্য হয়ে বাড়ি ফিরে আসে। একটা মেয়ে যার সদ্য বিয়ে হয়েছে, সে ফুলশয্যার পরের দিন সকাল বেলা স্বামীকে ছাড়া এক কাপড়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়ি এসে উঠছে তাও আবার পাকাপাকিভাবে। এটা একটা মেয়ের জন্য কতটা কষ্টদায়ক সেটা হয়তো সেই মেয়েটাই বোঝে। আর এই সমস্ত কিছুর জন্য দায়ী নিলাঞ্জনা।
আরও পড়ুন: ভেঙেছে একের পর এক সম্পর্ক! কেন আজও সিঙ্গেল মিঠিঝোরার অনির্বাণ?
নীলুকে পছন্দ করছে না দর্শক মহল
দর্শকদের মতে নীলাঞ্জনা থেকে শত্রু হিসেবে অনেক গুণ ভালো শৌর্য। কারণ সে অন্তত অকারণে রাগ বা অভিমান করেনি। তার প্র’হার করার পদ্ধতিটাও বেশ স্বচ্ছ। সামনে থেকেই যুদ্ধ করে সে। কিন্তু নীলাঞ্জনা ভালো মানুষের মুখোশ পরে পিছন থেকে ছুরি মারে তাও আবার নিজেরই দিদির ওপর, এই বিষয়টা অত্যন্ত কুরুচিকর।। এমন জঘন্য নিম্ন মানসিকতা সম্পন্ন কাজের জন্য নীলাঞ্জনাকে ধিক্কার জানাচ্ছে দর্শক মহল।

