রাইয়ের বাড়িতে ডিভোর্স পেপার পাঠালো অনির্বাণ! নীলুর পর্দা ফাঁস করতে শৌর্যকে দলে টানলো স্রোত!

এইবার মিথ্যের ওপর থেকে পর্দা সরিয়ে দিতে চলেছে স্রোত। জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই বর্তমানে এক চরম সংকটে পড়েছে। আর তাকে এই বিপদে ফেলেছে তার নিজের বোন নীলাঞ্জনা। নিজের স্বামীর সঙ্গে সুখের শান্তিতে সংসার করতে না পারায় তার মনে বিদ্বেষের জন্ম হয়েছিল। আর সেখান থেকেই সে তার নিজের দিদির সংসার ছারখার করে দেওয়ার পরিকল্পনা করে ফেলে। তার কুকর্মের জন্য আজ বিয়ের পরের দিনই বাড়ি ফিরে আসতে হয় রাইকে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নীলাঞ্জনা নিজের দিদির সাথে রীতিমত নোং’রামি করে। শৌর্যের সাথে রাইয়ের বেশ কিছু খারাপ ছবি বানিয়ে সেই ছবিগুলো ফুলশয্যার রাতে উপহার হিসেবে একটি ছেলেকে দিয়ে অনির্বাণের হাতে পৌঁছে দেয়। সেটা দেখা মাত্রই রায়কে ভীষণ ভুল বোঝে অনির্বাণ। তার মনে হয়, এতদিন সে একটা মেয়েকে ভুল চিনেছে। নিজের প্রতি ঘৃণা হয় তার।
অন্যদিকে রাই নিজের বাপের বাড়ি চলে আসে। প্রথমে কাউকে কিছু না বলতে চাইলেও পরে সে নিজের বোন স্রোত এবং বৌদি মিষ্টিকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। পাশাপাশি ছবিগুলো দেখায়। সবকিছু দেখে শুনে স্রোত বলে, সে বিশ্বাস করতে পারছে না যে অনির্বাণ দার মতন এত বিচক্ষণ একজন মানুষ এই মিথ্যে ছবিগুলোকে দেখে বিশ্বাস করে ফেলতে পারে। এরপর তারা সোজাসুজি এই নিয়ে শৌর্যের সাথে কথা বলার পরিকল্পনা করে।
রাইকে ডিভোর্স দিচ্ছে অনির্বাণ
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, এত কিছু ঘটে যাওয়ার পর আর কোনোভাবেই অনির্বাণ নিজের মা-বাবার কাছে মুখ দেখাতে পারছে না। তার মনে হচ্ছে, তার মা-বাবা যেটা বলেছিল সেটাই ঠিক। মানুষ চিনতে সে এখনো অবধি শিখে উঠতে পারেনি। কাকে বিশ্বাস করতে হয় আর কাকে বিশ্বাস করলে ঠকে যেতে হয় সেই বোধ বুদ্ধি এখনো অবধি তার হয়নি। নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে পেরে ভীষণ খুশি অনির্বাণের মা সহিনী। এইবার নিজের ছেলেকে নিজের ইশারায় নাচানোর পরিকল্পনা করে ফেলে সে।
আরও পড়ুন: প্রথমবার বাবা হয়ে পাশে দাঁড়ালো রাজনাথ! উৎসব নয়, স্বয়ম্ভুকে বাঁচাতে এগিয়ে এলো সে!
সোহিনী অনির্বাণকে বলে, এরপর থেকে অনির্বাণের জীবনের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো সোহিনী নেবে। সে আর অনির্বাণকে কোন ভুল মানুষের প্রতি ঝুঁকতে দেবে না। সোহিনী বলে, মিউচুয়াল ডিভোর্স করার সমস্ত ব্যবস্থা করে ফেলছে সে। ডিভোর্স পেপারটার রাইয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেবে সোহিনী। অন্যদিকে রাই চলে আসে শৌর্যের বাড়িতে। সেখানে এসে রাই শৌর্যকে জিজ্ঞাসা করে, সে কেন তার জীবনের এত বড় সর্বনাশটা ঘটালো। শৌর্য কিছুই বুঝতে পারে না।

