রুদ্রর পথে কাঁটা হয়ে উঠল লাবু! হেরে গিয়ে প্রথম কোপটা লাবুর ঘাড়েই মারলো সে!

বর্তমানে বেঙ্গল টপার ধারাবাহিক জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ফুলকির জনপ্রিয়তা। চলতি সময়ে জি বাংলার সবচেয়ে পুরোনো ধারাবাহিক নিম ফুলের মধু, জগদ্ধাত্রীকে পরাস্ত করে টিআরপি তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ফুলকি।
তবে সম্প্রতি সমস্ত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে এক হয়েছে রোহিত আর ফুলকি। তবে তারই মাঝে ধেয়ে এসেছে নতুন বিপদ। প্রবল বর্ষণের কারণে জলমগ্ন গোটা নবাবগঞ্জ। প্রাণ বাঁচাতে একাংশ মানুষকে রায় চৌধুরী বাড়িতেই আশ্রয় দিয়েছেন পল্লব রায় চৌধুরী। তবে তারই মাঝে শোনা যায় দুঃসংবাদ। লুট হয়েছে সরকার থেকে আসা ত্রাণের জিনিসপত্র। ত্রাণের জিনিসপত্র লুট হয়েছে শুনেই ক্ষেপে যায় নবাবগঞ্জের আম জনতা। আর তাদের ক্ষোভ গিয়ে পড়ে মাস্টার মশাইয়ের ওপর।
ফুলকি আজকের পর্ব ১২ জুলাই (Phulki Today Episode 12 July)
বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে ভগবানপুরে গিয়ে সেখানকার সাধারণ মানুষদের কাছে গিয়ে খোঁজ নিয়ে আসে অংশু আর ফুলকি। আর সেখান থেকে তারা জানতে পারে কোন ট্রাক লুট হয়নি। ফলে এবার সরাসরি রুদ্রকে ধরার পরিকল্পনা করে ফুলকি। নবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষদের নিয়ে জমায়েত করে রুদ্রর বাড়ির সামনে। পরিস্থিতি দেখে মেজাজ হারায় রুদ্র। তবে স্বামী নয়, এরূপ পরিস্থিতিতে নবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় লাবু।
সংসারের সমস্ত চাল, ডাল নিয়ে সাধারণ মানুষদের মধ্যে বিলিয়ে দেয় লাবু। তখনই ফুলকিকে থামাতে নিচে যায় রিকি। কিন্তু নিচে গিয়ে সে দেখে ইতিমধ্যেই সেখানে চলে এসেছে প্রেস। আর তারা সমস্ত কিছু নিয়ে খবর করা শুরু করে দিয়েছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে রুদ্রকে গিয়ে সমস্ত ঘটনা বলে রিকি। রেগে গিয়ে মাস্টার মশাইকে ফোন করে রুদ্র। রুদ্রর থেকে সবটা শুনে মাস্টার মশাই, তমাল, পিয়াল এবং রোহিত চলে আসে ফুলকিকে থামাতে। যদিও অনেক চেষ্টা করেও লাভের লাভ হয়নি কিছু।
আরও পড়ুন: জগদ্ধাত্রীর খুদে কাঁকন কার মেয়ে জানেন? কত বয়স এই ক্ষুদে অভিনেত্রীর?
অবশেষে ত্রাণের জিনিস ফিরিয়ে আনল ফুলকি
পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে দেখে তিওয়ারিকে ফোন করে গোডাউন থেকে সমস্ত সরকারি ত্রাণ নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে রুদ্র। এরপরই সে চলে যায় নিচে। সকলকে সে জানায় এতক্ষণ সে ত্রাণের খোঁজ করতে ব্যস্ত ছিল। তিওয়ারি তাকে ফোন করে জানিয়েছে ত্রাণের ট্রাক পাওয়া গেছে এবং সে নিয়ে আসতে। এই সংবাদ শুনেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় নবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষ। ফুলকি আর লাবুর নামে জয়ধ্বনি দিতে শুরু করে তারা। এদিকে রুদ্র আর ফুলকির ভাব দেখে রোহিত স্পষ্ট বুঝে যায় একটা কিছু গোলমাল আছে। ফুলকিকে শায়েস্তা করতে এবার কি করবে রুদ্র? আপনাদের কী মনে হয়?

