সর্বসমক্ষে মাকে ধি*ক্কার জানালো অনির্বাণ! রাইয়ের সম্মান রক্ষা করতে পারবে তো সে?

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। শুরুর থেকেই অর্গানিক স্টুডিওর প্রযোজিত এই ধারাবাহিকটি দর্শকদের মাঝে চর্চায় উঠে এসেছিল। তারপর যত দিন এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা। ধারাবাহিকটি বেশ পছন্দ করছেন বাঙালি দর্শকরা। যার ফলাফল দেখা যাচ্ছে টিআরপি তালিকায়। স্টার জলসাকে পরাস্ত করে স্লট দখল করতে সক্ষম হয়েছে এই ধারাবাহিকে।
তবে চলতি সময়ে রাই আর অনির্বাণের বিয়ের নিয়ে জমজমাট মিঠিঝোরা। নীলুর শয়তানির কারণে কিছুক্ষণের জন্য রাই অনির্বাণের বিয়েটা আটকে গেলেও সফল হয়নি নীলুর পরিকল্পনা। রাইকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে অনির্বাণ। নিয়ে যায় নিজের বাড়িতে। যদিও ছেলের এই কান্ড দেখে অখুশি হয়েছেন অনির্বাণের মা সোহিনী। রেগে গিয়ে তিনি ফিরে আসেন বাড়িতে। সঙ্গে এও সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন ছেলের জীবন থেকে রাইকে তাড়িয়ে ছাড়বেন তিনি।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১১ জুলাই (Mithijhora Today Episode 11 July)
বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখা গেছে রাই বাড়িতে ঢুকতে না ঢুকতেই অশান্তি শুরু করে দিয়েছেন সোহিনী। শৌর্য্যর সঙ্গে রাইয়ের সম্পর্ক নিয়ে নানান কথা বলে রাইকে ভীষণ অপমান করেন তিনি। এমনকি রাইয়ের চরিত্রে কাদা ছিটাতেও দু’বার ভাবেননি সোহিনী। শাশুড়ির কথা শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ে রাই। তখনই রাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে ঘরে চলে আসে শর্মি। নতুন বৌদিকে এইভাবেই কাঁদতে দেখে শর্মি বুঝে যায় কিছু একটা হয়েছে। এরপরই রাই শর্মিকে অনুরোধ করে অনির্বাণের সঙ্গে দেখা করানোর জন্য।
অনির্বাণের ওপর অভিমান করে অনির্বাণকে অপমান করল রাই
তারপরই রাইয়ের কথা অনুযায়ী অনির্বাণকে নিয়ে আসে শর্মি। অনির্বাণকে দেখেই জমানো অভিমান বেরিয়ে আসে রাইয়ের মুখ থেকে। কেন অনির্বাণ তাকে আগে জানায়নি যে তিনি রাইকে পছন্দ করেননা। এই প্রশ্নই বারবার করতে থাকে রাই। যদিও নির্দ্বিধায় রাইয়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয় অনির্বাণ। কিন্তু তখনই চলে আসেন সোহিনী। যদিও তিনি অপমান করার আগেই তাকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেয় অনির্বাণ। ছেলের কথা শুনে চলে যান তিনি।
আরও পড়ুন: “এই পথ যদি না শেষ হয়”-এর নায়িকা এবার বিয়ের পিঁড়িতে!
স্রোতের কথা শুনে ভালো হয়ে গেল নীলু
অন্যদিকে দেখা যায় নীলুকে ওষুধ খাইয়ে তাকে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার কথা বোঝায় স্রোত। নীলুকে সে বোঝায় রাইকে এইভাবে দোষ দিয়ে তার উচিত এবার ঘুরে দাঁড়ানো। শৌর্য্য যা করেছে তারপরই শৌর্য্যর কথা না ভেবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে নীলুকে। সমাজ কোনদিন একজন অসহায় মেয়ের পাশে দাঁড়ায় না তাই কে কি বলবে একথা না ভেবে সামনের দিকে এগোতে হবে নীলুকে। বোনের এত কথা শুনে মাথা নাড়ালেও মাকে দেখে ফের ভোল পাল্টে যায় নীলু। সে জানায় রাইকে সে কখনও ক্ষমা করবে না আর শৌর্য্যকে দেখার জন্যই সে বৌভাতে যাবে। তবে কি রাইয়ের বৌভাতে ফের অশান্তি শুরু করবে নীলু? জানা যাবে আসন্ন সময়।

