ত্রাণ আদায় করতে মোক্ষম চাল চললো নায়িকা! ফুলকির জালে জর্জরিত রুদ্ররূপ সান্যাল!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি (Phulki)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে এসেছে দর্শকদের। টিআরপি (TRP) তালিকাতেও জ্বলজ্বল করছে তার প্রমাণ। জ্যাস সান্যালকে পরাস্ত করে টিআরপি তালিকায় পর্দার সঙ্গে জব্বর টক্কর দিচ্ছে ফুলকি। আর তার সঙ্গে গল্পে একের পর এক নতুন মোড় বদলে দিয়েছে ধারাবাহিকের দিশা। রুদ্র হোক শালিনী কাউকেই রেহাই দিচ্ছে না বক্সার ফুলকি দাস।

তবে বর্তমানে বন্যা নিয়েই জমে উঠেছে ধারাবাহিকের গল্প। রোহিত ফুলকির বিয়ের পরের দিনই শুরু হয়ে যায় ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। এরূপ পরিস্থিতিতে দেখে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে এই নবদম্পতি। তবে তার মাঝেই শুরু হয়ে সমস্যা। সরকার থেকে আসা ত্রাণের গাড়ি লুট করে রুদ্ররূপ সান্যাল। আর তার ফলে সাধারণ মানুষের প্রকোপ হয়ে পড়ে পল্লব রায়চৌধুরীর ওপর। যদিও জেঠুমণির অপমান মুখ বুজে সহ্য করেছি ফুলকি আর রোহিত। ত্রাণ উদ্ধার করত তৎপর হয়ে পড়েন দুজনেই।

ফুলকি আজকের পর্ব ১১ জুলাই (Phulki Today Episode 11 July)

ইতিমধ্যেই ধারাবাহিক দেখা গেছে দিদি অর্থাৎ লাবণ্যর সঙ্গে কথা বলে বাড়ি ফিরে গেছে ফুলকি। সেখানেই জমায়েত ঘটেছে সকলের। ফুলকি স্পষ্ট জানিয়ে দেয় এর মধ্যে নির্ঘাত কারসাজি আছে। জামাইবাবু চাইলে ত্রাণ উদ্ধার করতে পারতেন কিন্তু করেননি। এই প্রসঙ্গে ফুলকির সঙ্গে সহমত পোষণ করে রোহিতও। সেও জানায় সম্পূর্ণ এলাকাটা রুদ্রর। ফলে সেখান থেকে কীভাবে ট্রাক বোঝাই জিনিস লুট হতে পারে?

রোহিতের কথা শুনে ফুলকি জানায় তাদের ভগবানপুরে গিয়ে সমস্ত বিষয়টা দেখতে হবে কিন্তু গোপনে। জামাইবাবুর কানে যেন কথা না যায়। যদিও কাঁচা খেলোয়াড় নন রুদ্ররূপ সান্যালও। ফুলকি কি করতে পারে তার আন্দাজ করেই রিকিকে তিনি পাঠিয়ে দেন ফুলকির ওপর নজর রাখতে। এরপরই অংশুর সঙ্গে ভগবানপুরে চলে যায় ফুলকি। অংশুও জানায় তারও মনে হচ্ছে এর পিছনে রয়েছে রুদ্র কারণ ভগবানপুর এলাকায় রুদ্রর কথা ছাড়া একটা পাতাও নড়ে না। এরপরই কিছু সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে ফিরে আসে অংশু আর ফুলকি।

আরও পড়ুন: টিআরপিতে নতুন মোড়! পর্ণাকে সরিয়ে ফের সিংহাসনে ফুলকি! প্রথম পাঁচে উঠে এসেছে গীতা!

ত্রাণ উদ্ধার করতে নতুন চাল ফুলকির

এরপর হল পট পরিবর্তন। দেখা যায় রুদ্রর অফিসে বসে আছে শালিনী আর ঈশিতা। শালিনী অভিযোগ করে বলে তার মান সম্মান সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে একজন আশ্রিতা হয়ে রায়চৌধুরী বাড়িতে থাকতে গিয়ে। শালিনীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে কথা বলতে শুরু করে ঈশিতাও। তখন বিরক্ত হয়ে গিয়ে দুজনকেই অফিস থেকে বের করে দেয় রুদ্র। কিন্তু তারপরেও আসেনি শান্তি। কারণ এরপর বাড়ি ফিরতেই তার দেখা হয় ফুলকির সঙ্গে। সাধারণ মানুষদের নিয়ে ত্রাণ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানায় ফুলকি। ফুলকির কান্ড দেখে মাথায় রক্ত উঠে যায় রুদ্রর। তবে কি এবার ত্রাণ ফেরত দেবে রুদ্র? আপনাদের কি মনে হয়?

 

Back to top button