শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে না ঢুকতেই শাশুড়ির নিশানায় রাই!

জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকগুলো শুরুর থেকেই দর্শকদের মনে রাজত্ব করে এসেছে তাদের মধ্যে অন্যতম মিঠিঝোরা (Mithijhora)। শুরুর থেকেই একের পর এক চমক আসছে ধারাবাহিকটিতে। এছাড়াও যতদিন এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকের টিআরপি (TRP)। গল্পের নায়িকা রাইপূর্ণার জীবনের তোলপাড় করা ঘটনাগুলো দাগ কেটেছে বাঙালি গৃহিণীদের মনে। যদিও চলতি সপ্তাহেই ফের পুরোনো স্লটে ফিরেছে তিন বোনের গল্প মিঠিঝোরা।
তবে সম্প্রতি রাই অনির্বাণের বিয়ে নিয়েই জমজমাট ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব। অবশেষে সমস্ত ঝড়ঝঞ্ঝা মিটিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে রাই অনির্বাণ। অবশেষে রাইয়ের সুখের সংসারে স্বপ্নপূরণ হচ্ছে। যদিও নায়িকার সংসার হবে আর ভিলেনরা কিছু করবে না তা কি হয়? এক্ষেত্রেও দিদির বিয়ে বানচাল করতে ঘুমের ওষুধ খেয়েছে নীলু। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সোহিনীও চেষ্টা করেছেন ছেলের কান ভাঙানো কিন্তু এত কাঠখড় পুড়িয়েও লাভ হল না কিছু। হয়ে গেল রাই অনির্বাণের বিয়ে।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১০ জুলাই (Mithijhora Today Episode 10 July)
ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে রাইয়ের কথা রাখতে রাইকে সম্প্রদান করেছেন নন্দিতা। এরপর যথারীতি নিয়ম অনুযায়ী অনির্বাণের হাত ধরে নতুন জীবনে পা রাখে রাই। রাইয়ের বিদায়ের সময় চোখ ভিজে আসে দাদা বিক্রমের। অর্থের কারণে নাকি ভালোবাসায় সেটা যদিও স্পষ্ট হয়নি। তবে রাইয়ের কাছে নিজের সব কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেয় বিক্রম। রাইও তার ব্যবহারের জন্য লজ্জিত হয়ে ক্ষমা চেয়ে নেয় দাদার কাছে।
এরপরই অনির্বাণকে সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় রাই। যদিও দিদি বিয়ে করে বরের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি চলে গেল কথাটা শুনেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে নীলু। দিদি সংসার করবে, আর সে সে কিনা সারাজীবন নিজের বাপের বাড়িতে পড়ে থাকবে? একাকিত্বের জীবন কাটাবে? কথাটা মাথায় আসতেই ভয়ঙ্কর রাগ তৈরি হয় নীলুর মধ্যে। মনে মনে সেও ভেবে নেয় কিছুতেই রাইকে সুখে শান্তিতে সংসার করতে দেবে না সে।
আরও পড়ুন: চলে এলো তেঁতুল পাতার প্রথম প্রোমো! কবে থেকে আসছে এই মেগা? জেনে নিন এখনি
রাইকে বরণ করবেন না, জানিয়ে দিলেন সোহিনী
এদিকে স্বামীর হাত ধরে শ্বশুরবাড়িতে পা রাখে রাই। কিন্তু নিজের স্বভাব অনুযায়ী রাইয়ের সঙ্গে ফের খারাপ ব্যবহার শুরু করেন সোহিনী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেয় রাইকে বউ বলে তিনি মানেন না তাই রাইকে কিছুতেই তিনি বরণ করবেন না। তিনি শর্মিকে বলেন বরণ তিনি করবেন না প্রয়োজনে এমনই বাড়িতে চলে আসুক রাই। কথাটা শুনে খুব কষ্ট হয় রাইয়ের। রাইকে এইভাবে কষ্ট পেতে দেখে অনির্বাণ বলে সে এইসব বরণের নিয়ম কানুন মানে না তাই যদি তাদের বরণ না হয় তাহলে কি খুব সমস্যা হবে? কথাটা শুনে খুব কষ্ট পায় রাইও। সোহিনীর মন কি কোনদিন জয় করতে পারবে রাই? নাকি বিয়ের পর দূরত্ব তৈরি হবে রাই অনির্বাণের মধ্যেও।

