অহনার শ্বশুরবাড়ি হাজির হলো শ্যামলী! সব সত্যি জেনে অবাক নায়িকা! অনিকেতের কাছে অহনার কুকীর্তি ফাঁস করলো সে!

একটা মানুষ শুধুমাত্র নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং অনেক অনেক টাকার লোভে ঠিক কত নিচে নামতে পারে সেটার জলজ্যান্ত নিদর্শন হয়ে উঠলো জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকের বর্তমান প্রধান খলনায়িকা অহনা। চলতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিকের নাম। যত দিন যাচ্ছে আরও বেশি আকর্ষণীয়তা বাড়ছে এই মেগার।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নানা রকমের মিথ্যা কথা বলে, নিজেকে সমস্ত অন্যায়ের শিকার হিসেবে অনিকেতের সামনে উপস্থাপন করে ইতিমধ্যেই একটা দামি বড় ফ্ল্যাট বাগিয়ে নিয়েছে অহনা। এই গোটা বিষয়টা মোটেই সত্যি বলে মনে হয়নি শ্যামলীর। তাই সে লুকিয়ে লুকিয়ে প্রতিম আর প্রিয়াকে দলে নিয়ে অহনার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। আর সেই তদন্ত করে সে যা জানতে পারে তাতে রীতিমত চমকে ওঠে শ্যামলী।

কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ৪ জুলাই (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 4 July)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলী অহনার কাকার বাড়িতে ঢোকার একটা বুদ্ধি বের করে ফেলে। সে অহনার কাকিমাকে বলে, অহনা আর তার স্বামী একটা ইন্সুরেন্স করিয়েছিল। সেটার জন্যই তারা এসেছে। অহনার কাকিমা বলে, অহনা আর তার স্বামীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে। তখন শ্যামলী কায়দা করে, অহনার স্বামীর বাড়ির ঠিকানাটা অহনার কাকিমার কাছ থেকে নিয়ে নেয়। তার কাকিমা আর সময় নষ্ট না করে সেই ঠিকানাটা দিয়ে শ্যামলীদের বিদায় করে।

অহনার শ্বশুরবাড়ি পৌঁছে গেলো শ্যামলী

এদিকে অনিকেতের পিসি এবং পিসির ছেলে দুজন মিলে চলে আসা অহনার বাড়িতে। তারা দুজন অহনাকে বলে, শ্যামলীকে যেভাবেই হোক বাড়ি থেকে বের করতে হবে। আর তার জন্য অহনার সাহায্য চাই তাদের। অহনা বলে সে একা কিছু করতে পারবে না তাই উল্টোদিকে তাদের সাহায্যও প্রয়োজন। এরপর নিজেদের মধ্যে নানা রকমের গোপন শলা পরামর্শ করে তারা। আর তারপর গাড়ি নিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। অহনার বাড়ির সামনে জোড়া বাড়ির গাড়ি দেখে শ্যামলী বুঝতে পারে তাদের বাড়ি থেকেই কেউ এখানে এসেছে।

আরও পড়ুন: বিয়ের পিঁড়ি ছেড়ে উঠে গেলো রাই! নায়িকাকে ভুল বুঝে চলে গেলো অনির্বাণ! নিলুর আসল উদ্দেশ্য জেনে গেলো স্রোত!

এরপর সেই ঠিকানা নিয়ে শ্যামলী চলে যায় অহনার শ্বশুর বাড়ি। নিজেদের একটি মহিলা কেন্দ্রিক এজেন্সির কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয় তারা। অহনার শাশুড়ি এবং স্বামী দুজনে শ্যামলীকে জানায়, অহনা সব সময় অনেক টাকা চাইতো। সেই সব টাকা তাকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। শুধু তাই নয় নানারকম ভাবে ঝামেলা করতো। এমনকি নিজের গর্ভের সন্তানটাকেও নষ্ট করে ফেলে অহনা। যার ফলে ওকে ডিভোর্স দেওয়া হয়। সব শুনে মাথা ঘুরে যায় শ্যামলীর। শ্যামলী প্রতিজ্ঞা করে এইবার অনিকেতের ভুল ভাঙিয়ে অহনাকে বিদায় করবে সে।

Back to top button