বিরাট বড়ো রোগে আক্রান্ত সার্থকের বাবা! অসুস্থতা জুড়ে দিলো বাবা ছেলের সম্পর্ক! অনির্বাণের কথায় প্রচন্ড রেগে গেল সৌর্য!

যত দূরত্বই বাড়ুক না কেন যখন প্রিয় মানুষটাকে হারিয়ে ফেলার প্রসঙ্গ ওঠে তখন আপনা আপনি সেই দূরত্ব কমে যায় এবং সমস্ত অভিমান গলে জল হয়ে যায়। ঠিক এমনটাই ঘটলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র সার্থক এবং তার বাবার মাঝে। বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনির্বাণ আর রাইয়ের মাঝে যে ভুল বোঝাবুঝিগুলো হয়েছিল সেই সব কিছু মিটে গিয়েছে। দুজনেই দুজনাকে তাদের মনের কথা জানাতে পেরেছে। আর এই কাজে ভীষণ সাহায্য করেছে নায়িকার বোন স্রোত। অনির্বাণ রাইয়ের বাড়ি এসে তার মায়ের কাছে রাইকে বিয়ে করার প্রস্তাব রেখেছে। আর অদ্ভুতভাবে নন্দিতা তাতে রাজি হয়ে গিয়েছে।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২৪ জুন (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 24 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্রোত সকালের দুটো ক্লাস করতে পারেনি। সে যখন কলেজে আসে তার বন্ধুরা বলে, এত দেরি করে আসার জন্য তার দুটো ক্লাস মিস হয়ে গেছে। কেন এত দেরি হলো তার? তারপর সার্থক স্যারও কলেজে আসেনি। সার্থক স্যারের সাথে স্রোতের নাম জড়ানোর জন্য সে খুব রেগে যায়। স্রোত বলে, “তোরা আমার সাথে ওনাকে জড়াস না। উনি শুধু আমাকে অপমান করতে পারেন।” তারপর স্রোত বলে, সে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই কলেজ ছেড়ে চলে যেতে চায়।
কাছাকাছি এলো বাবা ও ছেলে
অন্যদিকে ডঃ উজ্জ্বল সেনগুপ্ত অর্থাৎ সার্থকের বাবার অবস্থা খুব একটা ভালো না। সার্থক চুপি চুপি তার বাবার ঘরে এসে বাবার রিপোর্ট, ওষুধ পত্র এবং প্রেসক্রিপশন গুলো দেখে। সার্থকের বাবা বুঝতে পারে সে অসুস্থ বলেই তার ছেলে কলেজে যায়নি। এরপর নিচে এসে সার্থক তার পিসিমণিকে কিছু ওষুধ লিখে দেয় আর সেই ওষুধ গুলোই বাবাকে খাওয়াতে বলে। এর মাঝে স্রোত ফোন করে সার্থকের বাবাকে। এখান থেকেই স্রোত বুঝতে পারে তার অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। উজ্জ্বলবাবু স্রোতকে একবার দেখা করতে বলে। স্রোত দেখা করার কথা দেয়।
অনির্বাণের কথা শুনে রেগে গেলো সৌর্য
এদিকে অনির্বাণ যে বিয়ে করছে সেই কথাটা জানাতে চলে আসে সৌর্যের বাড়িতে। সেখানে এসে সবার উপস্থিতিতে সে জানায়, “আমি বিয়ে করছি আর পাত্রীর নাম রাইপূর্ণা।” সবাই তাকে বারণ করে। সৌর্য ভিতর ভিতর প্রচন্ড রেগে যায় কিন্তু মুখে কিছুই বলতে পারে না। অনির্বাণ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, রাইকে সে তাদের থেকে একটু বেশি চেনে। রাই তাকে বিশ্বাস করে আর অনির্বাণও রাইকে বিশ্বাস করে, এর বাইরে সে আর অন্য কারোর থেকে কোন বিষয়ে কোন কিছু শুনতে রাজি নয়।

