এনজিওর লোক সেজে কোঠা বাড়িতে ঢুকে পড়ল পর্ণা! বর্ষাকে উদ্ধার করার মোক্ষম উপায় বের করে ফেললো সে!

অনেকেই সবকিছু থেকে নিজের আত্মসম্মানটাকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মনে করে। কিছু মানুষের কাছে তাদের আত্মসম্মানটাই সব। আর সেটা রক্ষা করতেই অনেক বড় এক সিদ্ধান্তে উপনীত হলো জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়ক সৃজনের বোন বর্ষা। এই মুহূর্তে বাংলার টিআরপি তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে নিম ফুলের মধ্য ধারাবাহিকের নাম।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা, সৃজন, চয়ন, রুচিরা, পিকলু এবং থানার অঙ্কিতা ম্যাডাম সবাই মিলে চেষ্টা করছে বর্ষাকে খুঁজে বের করার। সেটা করতে গিয়েই তারা বর্ষার খোঁজ পায়। তারা জানতে পারে অর্ণব বর্ষাকে রোজীর কোঠায় বিক্রি করে দিয়েছে। এটা জানতে পেরে অর্ণবের ওপর মারাত্মক রেগে যায় পিকলু আর সৃজন। তারা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারে না ঠিক কি করলে ওই রকম একটা মারাত্মক জায়গা থেকে বর্ষাকে বের করে আনা সম্ভব হবে।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২৩ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 23 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিপদ বুঝে পর্ণা নিজের অফিসে এক বিশ্বস্ত সাংবাদিককে সমস্ত ঘটনাটা খুলে বলে। তার সাহায্যেই বর্ষাকে উদ্ধার করার একটা উপায় বেরিয়ে আসে। সেই সাংবাদিক উন্মেষ নামক একটি এনজিওর কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়ে যায় সবাইকে। ওই কোঠায় যাতায়াত আছে এনজিওর লোকেদের। তাই সেখানে ঢুকতে সমস্যা হবে না বলেই মনে হয় প্রত্যেকের।
রোজীর কোঠায় পর্ণা
তারা প্রত্যেকেই সেই এনজিওর লোক সেজে সেখানে চলে যায়। কিন্তু তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়। পরে শুধুমাত্র মেয়েদেরকেই ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু সৃজন গোটা বিষয়টায় বেশ ভয় পেয়ে যায়। কারণ দুজন মেয়ে একা একা আদেও কিছু করে উঠতে পারবে কি না সেটাই বুঝতে পারে না সে। মনে অনেক সাহস নিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়ে রুচিরা আর পর্ণা।
আরো পড়ুন: অনিকেতকে ফাঁদে ফেলার ব্যবস্থা করে ফেললো অহনা! শ্যামলীর দিক থেকে চোখ ফেরাতে পারলো না অনিকেত!
দারুন কাজ করলো ঘুমের ওষুধ
তারা আগের থেকেই সমস্ত পরিকল্পনা করে এসেছিল। এমনি এমনি সবার চোখের সামনে দিয়ে বর্ষাকে নিয়ে সেখান থেকে যে বেরোনো যাবে না সেটা খুব ভালো করেই জানতো পর্ণা। তাই ভ্যাকসিনের নাম করে ঘুমের ঔষধ দিয়ে সবাইকে ঘুম পাড়ানোর ব্যবস্থা করে তাহলে সে। একে একে সবাই চলে আসে তাদের কাছে ভ্যাকসিন নিতে। সেখানে বর্ষাকে না দেখতে পেয়ে একটু অস্বস্তিতে পড়ে পর্ণা আর রুচিরা। কিন্তু কোন ভাবেই তারা পেছন ফিরে তাকায় না। তাদেরকে আজ বর্ষাকে উদ্ধার করতেই হবে।

