পাওয়া গেলো বর্ষার খোঁজ, অর্ণবকে আটকাতে ফাঁদ পাতলো সৃজন! রোজীর কোঠায় পা রাখলো পর্ণা!

একটা অপরাধ ঢাকতে মানুষ আরো হাজারটা অপরাধ করে বসে। ঠিক তেমনি করেই নিজের পরকীয়া গোপন করতে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়ক সৃজন এর বোনের ওপর চরম অন্যায় করলো তার স্বামী অর্ণব। কিন্তু তাকে এত সহজে মুক্তি পেতে দেবে না পর্ণা। এইবার শুরু হল তাদের বর্ষা উদ্ধার অভিযান।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন দুজনেই বর্ষাকে নিয়ে অত্যন্ত চিন্তিত। ইতিমধ্যেই তার খোঁজ করতে গিয়ে সাসপেন্ড করা হয়েছে চয়নকে। কোনভাবেই কোন পথ খোলা রাখেনি অর্ণব। বর্ষাকে যাতে তারা কোনোভাবেই খুঁজে না পায় তার সমস্ত ব্যবস্থা করে ফেলেছে সে। আর এখন তার ভয় অনেক কম কারণ তার মাথার ওপর হাত আছে ইশার। উপর মহলের সাথে যুক্ত থাকায় অর্ণবের নামে পুলিশ কেস নিতে চাইছে না।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২২ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 22 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ইন্দু অর্থাৎ অর্ণবের বোন ফোন করে সৃজনকে। তার থেকে সৃজন জানতে পারে, অর্ণবের মাথার ওপর এমন কারোর হাত রয়েছে যার সাহায্যে সে এত তাড়াতাড়ি অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পেয়ে গিয়েছে। অর্ণব আর সোহিনী দুজন মিলে রাতের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া পাড়ি দিচ্ছে। এটা শুনে আর চুপ করে বসে থাকতে পারেনা পর্ণা। সে বলে বর্ষা ঠিক কোনো না কোনোভাবেই তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। ঠিক তখনই সৃজনের মনে পড়ে তার কাছে একটা অজানা নাম্বার থেকে ফোন এসেছিল।
বর্ষার খোঁজ পেল পর্ণা
সেই নাম্বারটি যেই ব্যক্তির তার কাছে গিয়ে হাজির হয় প্রত্যেকে। প্রথমে ওই লোকটি মনে করে তার বউ তার পেছনে গোয়েন্দা লাগিয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে তার সেই ভুল ভাঙে। আনঅফিসিয়ালি অর্থাৎ পিছন থেকে সৃজন পর্ণাকে সাহায্য করে অঙ্কিতা ম্যাডাম। তাই জন্য এই কাজটা করতে তাদের আরো বেশি সুবিধা হয়। সেই লোকটির কাছ থেকে সবাই জানতে পারে বর্ষা রোজীর কোঠায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: ছোটপর্দায় ফিরছেন সৌমীতৃষা! জি নয় এবার জলসায় মা দুর্গারূপে দেখা যাবে মিঠাই রানীকে
সমস্ত বিষয়টা বুঝতে পেরে এর আগে গা হাত-পা জ্বলে যায় সৃজনের। সে ভাবতেও পারে না অর্ণব তাদের বোনকে কোঠা বাড়িতে বিক্রি করে এসেছে। তারা ঠিক করে তখনই সেখানে যাবে কিন্তু অঙ্কিতা ম্যাডাম তাদেরকে বারণ করে। সে বলে কোনরকম নিরাপত্তা ছাড়া সেখানে যাওয়াটা একেবারেই নিরাপদ নয়। ঠিক সেই সময় পর্ণার মাথায় একটা বুদ্ধি আসে সে তাড়াতাড়ি ফোন করে তার অফিসে আর সেখানে সবটা জানায়।

