সুযোগ বুঝে সৃজনকে ফোন করলো বর্ষা! তদন্ত আটকাতে সাসপেন্ড করা হল চয়নকে! দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে অর্ণব!

সবদিক থেকে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। বারবার তার সমস্ত রাস্তা আটকে দিচ্ছে ইশা। বর্ষাকে নিয়ে অনেক বড় বিপদে পড়েছে গোটা দত্ত পরিবার। বর্ষাকে খুঁজে বের করতে গিয়ে অনেক বুদ্ধি খাটাতে হচ্ছে পর্ণাকে। তারপরেও কোনো উপায় বের হয়ে আসছে না। চলতি সপ্তাহের টিআরপি তালিকা অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকটি।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা, সৃজন, চয়ন প্রত্যেকে মিলে একসাথে তাদের বোন বর্ষার খোঁজ করছে। বর্ষার স্বামী অর্ণব বর্ষাকে নিষিদ্ধপল্লীতে ৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছে। নিজেকে বাঁচাতে সেই টাকার কিছু অংশ ইশাকে দিয়ে পুলিশের মুখ বন্ধ করে দিয়েছে অর্ণব। এবার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সে এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে বর্ষাকে খুঁজে চলেছে তার পরিবার।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 1 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, খাবার, জল কোনো কিছুই দেওয়া হয়নি বর্ষাকে। খিদে তৃষ্ণায় কাতর হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে সে। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে বর্ষা স্বপ্ন দেখে, তার কাছে এসেছে তার দুই দাদা এবং বৌদি ভাই। তারা বর্ষাকে উদ্ধার করতে এসেছে। বর্ষা তাদের কাছে নালিশ জানায় যে তাকে কিছু খেতে দেওয়া হয়নি। এরপর পর্ণা বর্ষাকে বলে, তারা খুব তাড়াতাড়ি এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে। আর তারপরেই ঘুম ভেঙ্গে যায় বর্ষার। সে দেখে রোজী এক মধ্য বয়স্ক ভদ্রলোককে নিয়ে তার ঘরে এসেছে। বর্ষা তাকে দেখে ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। সেই লোকটি বর্ষাকে জল দিতে এলে বর্ষা সেই জল ছুঁড়ে ফেলে দেয়। তাহলে আবারও জল আনতে সে বাইরে যায়।
বর্ষার ফোন কেটে দিলো সৃজন
লোকটি নিজের ঘড়ি আর ফোন দুটোই ভুলবশত ঘরে রেখেই চলে যায়। সেই সুযোগে বর্ষা সেই লোকটার ফোন নিয়ে তার পরিবারের লোকজনদের ফোন করতে থাকে। কিন্তু কাউকেই ফোনে পায়না সে। সে যখন নিজের দাদাকে ফোন করে তখন সেও অর্থাৎ সৃজনও ফোনটা কেটে দেয়। তারপরেই দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে আসে রোজী আর তার লোকজন। সে সবাইকে চলে যেতে বলে। এরপর রোজী ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। বর্ষাকে শাস্তি দিতে উদ্যত হয় সে।
আরও পড়ুন: সেরা পাঁচ থেকে বেরিয়ে গেল গীতা এলএলবি, প্রথম স্থান দখল করল ফুলকি, রইল আজকের টিআরপি তালিকা!
চয়নকে সাসপেন্ড করলো তার স্যার
এদিকে চয়নের বুদ্ধিমতন প্রত্যেকেই চলে আসে ট্রাফিক পুলিশের অফিসে। তারা সেখান থেকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অর্ণবের গতিবিধি জানার চেষ্টা করে। কিন্তু তার আগেই সেখানে চলে আসে চয়নের স্যার। চয়ন যাতে আর এই রকম কাজ করতে না পারে তাই তাকে সাসপেন্ড করে দেয় তার স্যার। সবাই মিলে তার স্যারকে এরকমটা না করার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু কারোর কথা শুনতে নারাজ সে। পর্ণা বলে, “আপনারা যে অন্যায় করেছে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন আর যার প্রতি অন্যায় হয়েছে তাকে খোঁজার কোন উদ্যোগ দিচ্ছেন না। এটাই কি আপনাদের প্রটোকলের মধ্যে পড়ে?” তার এই কথা শুনে মাথা নিচু হয়ে যায় চয়নের স্যারের। কিন্তু তারপরেও সে কোন রকম পদক্ষেপ নিতে রাজি হয় না।

