“সম্পর্ক টক্সিক হলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসা উচিত”- রাজনীতি থেকে প্রেম, যুদ্ধ থেকে কবিতা সব মিলিয়ে অকপটে সৌরভ

এই মুহূর্তে টলিউডের (Tollywood) এমন অনেক অভিনেতা অভিনেত্রী রয়েছেন যাদের মধ্যে বহুমুখী প্রতিভা বর্তমান। তাদের মধ্যে দর্শকদের মনে অন্যতম জায়গা দখল করেছে অভিনেতা সৌরভ চক্রবর্তী (Sourav Chakraborty)। বর্তমানে তাকে খুব একটা টেলিভিশনের পর্দায় ধারাবাহিকগুলিতে দেখা যায় না ঠিকই তবে পর্দার আড়ালে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন তিনি। তার তৈরি ওয়েব সিরিজ এখন দর্শকদের পছন্দের তালিকার একেবারে শীর্ষে অবস্থান করছে।
রাজনীতিতে আসার ইচ্ছে আছে?
অভিনেতা জানান, “আমি মনে করি মানুষ যখন কোন দলে যুক্ত না হয়ে নিজস্ব মতামত প্রচার করেন তখন সেই মতামতে নিরপেক্ষতা থাকে। সেখানে কোন অন্ধ বিশ্বাস থাকে না। আমি কখনই চাই না কোন দলে যুক্ত হতে। কারণ আমি দেখেছি দলে যুক্ত হয়ে মানুষ নিজের দলকে সবার উপরে রাখে। আর বাকি দলের নিন্দা করে। আমি সর্বদা নিরপেক্ষ থাকতে চাই। তাই জন্য কখনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার কথা ভাবিনি। আমি মনে করি রাজনীতি না করেও মানুষের ভালো করা যায়।”
বড় পর্দা নাকি অনলাইন প্লাটফর্ম?
অভিনেতার মতে, “এটা মানতেই হবে এই অনলাইন প্লাটফর্ম আসার পর থেকে ছবির জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে। অনলাইন প্লাটফর্মের একটা সুবিধা রয়েছে। যেমন একটি ছবি সবার কথা মাথায় রেখে তৈরি করতে হয়। কিন্তু অনলাইন প্লাটফর্মে যে সমস্ত বিষয়গুলি নিয়ে গল্প তৈরি হয় সেগুলি এক একটা গোষ্ঠীভুক্ত মানুষের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়। আমি চাইলেই আমার পছন্দ মতো সিরিজটা খুলে দেখতে পারি। সেটা আবার আমার বাড়ির লোকেদের পছন্দ নাও হতে পারে।”

মধুমিতাকে জড়িয়ে দর্শকদের মন্তব্যে কী প্রতিক্রিয়া অভিনেতার?
সৌরভ বলেন, “যারা আমাদেরকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না তাদের কাছে এই বিষয়টি বেশ হাস্যকর বা মজাদায়ক। যারা চেনেন তারা কখনোই এরকমটা বলবেন না। আমি চাই মধুমিতা খুব ভালো থাকুক। আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে কাটিয়েছি। তো অনেক ভালো স্মৃতি রয়েছে। সেখান থেকেই চাইবো ও নিজের জীবনে এগিয়ে যাক নিজের পছন্দের জিনিসগুলোকে নিজের জীবনে পাক।”
আরও পড়ুন: অনির্বাণের প্রপোজাল পেয়ে লজ্জায় লাল রাইপূর্ণা! অভিমান ভুলে সম্মতি জানালো রাই, শুরু প্রেমের নতুন অধ্যায়
অভিনেতা আরো বলেন, “যদি কখনো আমার কোন গল্পে কোন চরিত্রে মনে হয় মধুমিতা কাজ করলে সেটা পূর্ণতা পাবে তাহলে অবশ্যই ওকে আমার গল্পে দেখা যাবে।” সম্পর্ক নিয়ে অভিনেতা জানান, “আমি মনে করি যখন কোন সম্পর্ক আর টিকিয়ে রাখা যায় না, সেটা টক্সিক হয়ে যায় তখন সে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাটাই ভালো। সেই সম্পর্কে থেকে প্রতিনিয়ত কষ্ট পাওয়ার চেয়ে বেরিয়ে এসে একটা সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করায় শ্রেয়।”

