নিষিদ্ধ পল্লীতে বর্ষাকে বিক্রি করে দিল অর্ণব! দাদার কুকীর্তি পর্ণার সামনে ফাঁস করল ইন্দু!

নিজের নোংরামি নিজের অপরাধ লোকানোর জন্য মানুষ কোন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছতে পারে সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার নন্দাই অর্ণব। আরো এক নতুন রহস্যে পা রাখলো পর্ণা। ফের জমে উঠল ধারাবাহিকের পর্ব। টিআরপি তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিক।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, বর্ষার খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত পর্ণার মনটা খুঁতখুত করছিল। এমন সময় দত্তবাড়িতে বর্ষাকে খুঁজতে চলে আসে অর্ণব তার মা নবনীতা এবং তার মাসতুতো বোন সোহিনী। তারা দত্ত বাড়িতে এসে এমন একটা ভান করে যেন বর্ষাকে কত ভালোবাসে তার শাশুড়ি মা। এই সব কিছুতেই কেমন যেন জল মেশানো মনে হয় পর্ণার। এরপর ধীরে ধীরে তারা বুঝতে পারে বর্ষা নিখোঁজ।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৭ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 17 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বর্ষার বাড়ি থেকে হঠাৎ বেরিয়ে যাওয়া এবং শ্বশুরবাড়ির কারোর সেটা খেয়াল না করা এই সবকিছু নিয়েই প্রশ্ন তুলতে থাকে পর্ণা। তখন বাধ্য হয়ে আবারো একটা মিথ্যা কথা বলে বসে নবনীতা। সে বলে, বর্ষা নাকি লুকিয়ে লুকিয়ে কারো সাথে কথা বলতো। হয়তো তার সাথেই পালিয়েছে তাদের বৌমা। এই কথা শুনে দত্ত বাড়ির প্রত্যেকে এর তীব্র বিরোধিতা জানায়। কিন্তু কৃষ্ণা পিকলুর কাছে এসে তাকে জেরা করা শুরু করে।
নিষিদ্ধ পল্লীতে জ্ঞান ফিরলো বর্ষার
এদিকে বর্ষা ধীরে ধীরে চোখ মেলে তাকায়, তার জ্ঞান ফিরে আসে। সে কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারে তাকে তার স্বামী অর্ণব নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দিয়েছে। সেখানে ৫ লক্ষ টাকায় দরদাম করে তাকে এখানে রেখে গেছে অর্ণব। সবকিছু জানতে পেরে বুঝতে পেরে নিজেকে ঠিক রাখতে পারে না বর্ষা। অনেক অনুরোধ করেও কোন লাভ হয় না। সেখানে সবাই ভীষণ নির্মম। সবাই শুধু টাকা চেনে। বর্ষা, আবার স্বাভাবিক জীবন যাপন করার সমস্ত ইচ্ছাই হারিয়ে ফেলে।
আরও পড়ুন: সব আনন্দ মাটি করে দিলো রাই, অনির্বাণকে প্রত্যাখ্যান করলো সে! কারণটা জানতে পেরে অবাক অনির্বাণ!
এদিকে থানায় গিয়ে অর্ণব জানায় বর্ষা নাকি ঠিক বারোটা চল্লিশে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। অর্ণবের কথা শুনে খটকা লাগে পর্ণার। যে ছেলেটা তাদের জানিয়েছিল, বর্ষা খামখেয়ালীভাবে চলাফেরা করে সেই ছেলেটা একেবারে সঠিক সময়টা কি করে বলল পুলিশকে! এরপর যখন সবাই সেখান থেকে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয় ঠিক তখনই বর্ষার ফোনটা অর্ণবের কাছ থেকে চেয়ে নেয় পর্ণা। বাড়ি ফিরে এসে ইন্দু বুঝে যায় তার বৌদির নিখোঁজ হওয়ার পেছনে হাত রয়েছে তার দাদা এবং মায়ের। ইন্দুর মুখ বন্ধ রাখতে তাকে ঘরে বন্দি করার পরিকল্পনা করে অর্ণব। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে পর্ণা আর সৃজন।

