দূরে গিয়েও আরো কাছাকাছি চলে এলো শ্যামলী অনিকেত, শ্যামলীকে বিয়ে করে মায়ের সামনে এসে দাঁড়ালো নায়ক!

একসাথে একে অপরকে পাশে থাকলে মানুষ অনেক কঠিন পরিস্থিতি খুব সহজেই অতিক্রম করতে পারে। জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটিও বর্তমানে তারই নিদর্শন দিচ্ছে। গত সপ্তাহের টিআরপি তালিকা অনুযায়ী এই ধারাবাহিকটি প্রথম পাঁচে অবস্থান করছে।
এই ধারাবাহিকে নায়িকার জীবনে দুঃখ চিরস্থায়ী এবং সুখ খনস্থায়ী। একটু সুখের মুখ দেখতে না দেখতেই আবার তার জীবনে নেমে আসে চরম দুর্গতি। জোড়া বাড়িতে এসে সে ভেবেছিল এবার হয়তো তার জীবনে সুখ আসবে। কিন্তু সেই গুড়ে বালি। সেখানেও তার জায়গা হলো না। তাকে ভুল বোঝা হলো। তারা এতদিনকার এতো ভালোবাসা দাম না দিয়ে একটা ছোট্ট বিষয়কে কেন্দ্র করে তাকে বাড়ি ছাড়ার জন্য বাধ্য করা হলো।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলী বাড়ি ছেড়ে অর্থাৎ তার শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে নিজের বাপের বাড়িতে চলে আসে। কিন্তু সেখানেও তার আপন বলতে কেউ নেই। তার নিজের দুই ভাই শ্যামলীকে মন্দার চৌধুরী নামক এক মস্তানের কাছে বিক্রি করে দেয়। সে এখন মরিয়া হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে বিয়ে করার জন্য। কিন্তু শ্যামলী তার স্যারকে এতটাই ভালবাসে যে, তার পক্ষে আরো অন্য কাউকে গ্রহণ করা সম্ভব নয়। তাই বিয়ে এড়াতে সেও এখন পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
ঘটনাচক্রে শ্যামলীর সাথে দেখা হয়ে যায় অনিকেতের। এরপর শ্যামলীর সমস্ত দায়িত্ব নেয় অনিকেত। সে শ্যামলীকে এইভাবে অসুরক্ষিত অবস্থায় কিছুতেই ছেড়ে রেখে যেতে পারবে না। কারণ মনে মনে সে শ্যামলীকে ভালবেসে ফেলেছে। তারা দুজনে গুন্ডা গুলোর হাত থেকে পালানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে। চা শ্রমিকদের বস্তিতে গিয়েও গা ঢাকা দেয়। তারা ঠিক করে যাই হয়ে যাক তাদেরকে পালাতেই হবে।
আরও পড়ুন: রনি থাপাকে চিনতে পেরে অবাক হলো জগদ্ধাত্রী! ভাস্করের মুখ চিরকালের মতন বন্ধ করতে মক্ষম চাল চাললো কাকলি!
শ্যামলীকে আবারো বিয়ে করলো অনিকেত
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, শ্যামলী আর অনিকেত বর এবং বউয়ের বেশে এসে হাজির হয় জোড়া বাড়িতে। তাদের দুজনকে একসাথে এইভাবে দেখে অবাক হয়ে যায় অপরাজিতা। সে তার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করে, এই মেয়েটা তার সাথে কী করছে? অনিকেত তখন শক্ত করে সামনের হাত ধরে থাকে। অপরাজিতা বুঝতে পারে সে যে সর্বনাশটার ভয় পাচ্ছিল সেটাই ঘটিয়ে এসেছে অনিকেত। গোটা বিষয়টা দেখে একেবারে বাক্যহারা হয়ে যায় সে।

