সুইটিকে জব্দ করতে কোমর বেঁধে নামলো পর্ণা! তাদের প্ল্যানে যোগ দিলো জেঠু! অর্ণবের ব্যবহারে অবাক বর্ষা

এইবার মজার ছলেই জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের খলনায়িকা সুইটিকে কুপোকাত করবে গোটা দত্ত বাড়ি। নেওয়া হচ্ছে তারই প্রস্তুতি। এই মুহূর্তে ধারাবাহিকটি আরো বেশি আকর্ষণীয় সব পর্ব সম্প্রচার করছে। গত সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করেছে এই মেগা। চলতি সপ্তাহে প্রথম স্থানে উঠতে ফের উঠে পড়ে লেগেছে ধারাবাহিক কর্তৃপক্ষ।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজনের সন্তান পুঁটিকে ভীষণ ভয় দেখায় সুইটি। ভয় পেয়ে রীতিমত জ্বর চলে আসে তার। বাচ্চা মেয়েটাকে এত কষ্ট পেতে দেখে একেবারেই সহ্য করতে পারেনি ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। সে ঠিক করে সুইটিকেও এর যোগ্য জবাব দেবে। সেই জন্য একটা টিম তৈরি করে আর সবাই মিলে সুইটিকে ভয় দেখানোর পরিকল্পনায় নেমে যায়। ভয় দেখানোর প্রাথমিক কাজটা শুরু করে ঠাম্মি আর জেঠি।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১০ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 10 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ঠাম্মি বানিয়ে বানিয়ে একটা গল্প শোনায় সুইটিকে। সে বলে, এককালে এক বাইজি এই বাড়িতে আ’ত্ম’হ’ত্যা করেছিল তারপর থেকেই নাকি তার একটা কুনজর রয়েছে এই বাড়ির উপর। কাল আবার অন্য কোন পেত্নী তার আত্মাকে জাগিয়ে দিয়েছে। এখন কার ঘাড়ে ওই বাইটির কোপ পরে কেউ জানে না। এসব শুনে সুইটি রীতিমত ভয় পেয়ে ঘরে পালিয়ে যায়।

পর্ণার দলে সামিল হলো জেঠু

এরপর ইলেকট্রিক ডিপার্টমেন্টের সমস্ত দায়িত্ব নেয় চয়ন। কোথায় কিভাবে আওয়াজ হবে সে সবকিছু বুঝে নেয় পিকলু। ভূত সাজার দায়িত্ব পর্ণার। তবে সমস্যা হলো বাড়ির বাকিরা জেগে গেলে তোর সব পরিকল্পনা মাঠে মারা যাবে। তাই সবার খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে সবাইকে ঘুম পাড়িয়ে রাখার দায়িত্ব নেয় জেঠু। সবাই হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করায় কাজটা আরো অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়। নিজের হাতে পর্ণাকে পেত্নী সাজিয়ে দেয় সৃজন।

আরও পড়ুন: জি বাংলায় আসছে কাব্য! এই আসন্ন মেগার নায়কর চরিত্র থাকছেন কে? জানলে চমকে যাবেন আপনিও

অর্ণবের ব্যবহারে চমকে গেল বর্ষা

এদিকে বর্ষা অর্ণবকে বলে, আগামীকাল তো ছুটি রয়েছে। অর্ণব যেন তাকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যায়। কাজের মাঝখানে কথা বলায় বর্ষার উপর প্রচন্ড বিরক্ত হয় অর্ণব। বর্ষার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে সে। কিন্তু যখনই ঘরে সোহিনী আসে তখনই কি সুন্দর তার সাথে সোহিনীর ঘরে চলে যায় অর্ণব। এসব দেখে ভীষণ সন্দেহ হয় বর্ষার মনে। তার প্রতি এত অনীহা আর সোহিনীর প্রতি এত ভালোবাসা? তারা খেয়ালই করেনি বর্ষা দাঁড়িয়ে রয়েছে ঘরে। দুজনের মধ্যে এত ভাব! এসব দেখে আরো বেশি অবাক লাগে তার। বুঝতে পারে অর্ণব আর সোহিনীর সম্পর্কটা স্বাভাবিক নয়।

 

Back to top button