কৌশিকী – মেহেন্দির যুগলবন্দী দেখে চমকে গিয়েছেন দর্শকরা! মেহেন্দিকে পজিটিভ চরিত্রেই দারুন মানিয়েছে দাবি দর্শকের!

শুরু হয়েছিল দুই বোনের তিক্ততা দিয়ে। সৎ বোন জগদ্ধাত্রীকে দু-চোক্ষে দেখতে পারত না মেহেন্দি। ঘটনাক্রমে জগদ্ধাত্রীর প্রাক্তন প্রেমিক উৎসবের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। প্রথমে জগদ্ধাত্রী-উৎসব সম্পর্কে কেউ না জানলেও, বর্তমানে ওয়াকিবহল দুই পরিবারের সকলে। জানাজানি হওয়ার পর দুই বোনের সম্পর্কে আরও অবনতি হয়।

যদিও বর্তমানে গল্পে ট্রাকে সেই সমীকরণ বদলেছে। নিজের চোখে জগদ্ধাত্রীকে উৎসবকে বাঁচাতে দেখেছে মেহেন্দি। তারপর থেকেই দিদিকে নিয়ে মনের যাবতীয় ভুল ভেঙেছে তার। তাই এখন সময় সম্পর্ক সারাই-গড়াইয়ের।

বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্পে, মেহেন্দি আর নেতিবাচক চরিত্র নয়। জগদ্ধাত্রী ও কৌশিকীর সঙ্গে উন্নত হচ্ছে তার সম্পর্কের সমীকরণ। সকলে মিলে হাসিঠাট্টা করে। স্বয়ম্ভু ও রাজনাথ মুখার্জির ডিএনএ টেস্ট করাতেও বদ্ধ পরিকর সে। ধারাবাহিকের দর্শকরা চান না মেহেন্দি আর আগের মহিমায় ফিরে যাক!

https://www.facebook.com/share/r/mZkPBLDJSfuKYLEG/

মেহেন্দি চরিত্র নেটিজেন

নেটদুনিয়ায় নানা মুনির নানা মত। একজন নেটিজেন লিখছেন, ‘কৌশিকী – মেহেন্দির এমন সিন! কেউ হয়ত কল্পনাও করেনি কখনও। জাস্ট এরপর মেহেন্দি কে আবার ভিলেন না বানাক।’ আরেকজন লিখছেন, ‘হাসতে হাসতে শেষ এপিসোড দেখে। পুরো এপিসোড বেশ মজার। এ কোন মেহেন্দি কে দেখছি, সে কিনা এখন ঘর পরিষ্কার করছে! না মানে বলছি যে মেহেন্দির হাতে যেটা আছে সেটা দিয়ে ও উৎসব কে ঝেড়ে দিক।তাহলে উৎসব পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন: সম্পর্কে রয়েছে সোহিনী অর্ণব! জানতে পেরে চমকে গেলো বর্ষা! লুকিয়ে মাংস খেতে গিয়ে পুঁটির কাছে জব্দ হলো সুইটি!

অন্য এক নেট নাগরিক লিখছেন, ‘উৎসব মেহেন্দিকে-আমি তোমাকে ছেড়ে দেব। মেহেন্দি-এতো সহজে তোমার ঘাড় থেকে নামব না,তোমার ঘাড়ে উঠেছি,তোমার ঘাড় মটকে দেবো। উৎসব-তুমি জামাইষষ্ঠী খাওয়াতে পারবে না। মেহেন্দি-খাওয়াতে পারব না মানে তোমার গুষ্টির ষষ্টি পুজো করে দেব। উৎসব না খেয়ে উঠে চলে যাচ্ছিল, মেহেন্দি জোর করে বসিয়ে জোর করে ভাত মুখে পুরে দিয়েছে।

মেহেন্দি আজকে ফাটিয়ে দিয়েছে।’

Back to top button