সম্পর্কে রয়েছে সোহিনী অর্ণব! জানতে পেরে চমকে গেলো বর্ষা! লুকিয়ে মাংস খেতে গিয়ে পুঁটির কাছে জব্দ হলো সুইটি!

বিয়ের পর মেয়েদের সব থেকে আপন জায়গা হয়ে ওঠে তাদের শ্বশুর বাড়ি। এখানে যদি শান্তি না পাওয়া যায় তাহলে জীবনটা দুর্বিষহ হয়ে যায়। আর সেটাই হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার ননদ বর্ষার সাথে। এমন একটা বাড়িতে তার বিয়ে হয়েছে, যেখানে তাকে উঠতে বসতে খারাপ কথা শুনতে হয়। তবে খুব বেশিদিন হয়তো বর্ষাকে এই কষ্ট সহ্য করতে হবে না। সেইদিকে মোড় নিচ্ছে গল্প।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণার ননদ বর্ষার সাথে এমন একজনের বিয়ে হয়েছে যে নিজের স্ত্রীয়ের উপর কেবলমাত্র প্রভুত্ব ফলাতে চায়। বর্ষার গায়ে হাত অবধি তুলেছে তার স্বামী অর্ণব। মাঝেমধ্যে নিজের বাপের বাড়িতে আসতে গেলে বর্ষাকে অনেক কথা শুনতে হয়। এইবার বর্ষা শ্বশুরবাড়িতে পা রাখতে চলেছে তার স্বামীর মাসতুতো বোন সোহিনী। আর সেটাই বর্ষার জীবনে চরম কাল হয়ে দাঁড়াতে চলেছে।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ৮ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 8 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সৃজন, চয়ন আর পিকলু পর্ণার চাকরি পাওয়ার আনন্দে জমিয়ে নাচ গান করতে থাকে। বাড়িতে একসাথে মাংস ভাতের ফিস্ট চলতে থাকে। পর্ণাও নাচ গানে মেতে ওঠে। খাওয়া দাওয়ার সময় পর্ণা জেঠুকে ডাকার কথা বললে সৃজন বলে জেঠু বোধহয় আসবে না। কিন্তু পর্ণা ঠিক জেঠুকে নিয়ে এসে খেতে বসায়। সবাই মিলে একসাথে খাওয়া দাওয়া করতে থাকে। যেটা দেখে চোখ জুড়িয়ে যায় ঠাম্মির।

মাংস চুরি করতে গিয়ে ধরা পরল সুইটি

মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে মাংস খেতে গিয়ে ধরা পড়ে যাওয়ায় সুইটি মুখ ভার করে ঘরে চলে যায়। সবাই ভাবতে থাকে সে হয়তো খাবে না তার রাগ হয়েছে। কিন্তু সুইটি খাটের তলায় মাংসর বাটি থেকে জমিয়ে মাংস খেতে থাকে। পুঁটি তার ঘরে এসে সবটা দেখে নেয়। সে মনে মনে ভাবে, লুকিয়ে লুকিয়ে মাংস খাওয়া এবার ঘুছিয়ে দেবে সে। এই বলে বাড়ি প্রত্যেককে সেখানে এনে হাজির করে। সবাই এসে দেখে সুইটি খাটের তলায় লুকিয়ে লুকিয়ে মাংস খাচ্ছে। বাড়ির সবার সামনে লজ্জায় মাথা কাটা যায় সুইটির।

আরও পড়ুন:মেহেদির বুদ্ধিতে কুপোকাত শকুন্তলা! জামাইষষ্ঠীতে স্বয়ম্ভুরর আগমন মানতে পারলো না উৎসব!

অর্ণবের পরকীয়া ধরে ফেললো বর্ষা

এদিকে বর্ষার শ্বশুরবাড়িতে এসে হাজির হয়েছে সোহিনী। সে এসে পড়ায় ভীষণ খুশি হয়েছে নবনীতা অর্থাৎ বর্ষার শাশুড়ি মা। কিন্তু মুখটা কেমন শুকিয়ে যায় অর্ণবের বোনের যেটা দেখে বর্ষার বেশ সন্দেহ হয়। এরপর সোহিনীকে নিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই অর্ণব আর সোহিনীর কথাবার্তা হাবভাব দেখে বর্ষা বুঝে যায় তাদের মধ্যে একটা সম্পর্ক রয়েছে। আর সেই জন্যই অর্ণবের বোনের মুখটা এমন বিবর্ণ হয়ে গিয়েছে। ঢোকা মাত্রই সোহিনীকে নিয়ে একেবারে নিজের ঘরে চলে যায় অর্ণব।

 

Back to top button