মন্দারের থেকে মুক্তি পেতে নিজেকে শেষ করে দিচ্ছে শ্যামলী! ভালোবাসার টানে শ্যামলীর গ্রামেই পা রাখলো অনিকেত!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অপেক্ষাকৃত নবাগত ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। এই ধারাবাহিকে প্রধান নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্বেতা ভট্টাচার্য এবং নায়কের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা রনজয় বিষ্ণুকে। শুরু হওয়ার পর থেকেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে এই মেগা। তাই টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিকের নাম।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, জোড়া বাড়িতে আর জায়গা হয় না শ্যামলীর। ভুলভাবে উপস্থাপন করা একটা দিক তার করা সমস্ত সাহায্য, তার দেওয়া সমস্ত ভালবাসাকে নস্যাৎ করে দেয়। বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে হয় তাকে। শ্যামলী ঠিক করে সে নিজের বাড়ি চলে যাবে। আরে সেটাই শেষ পর্যন্ত সেটাই করে ধারাবাহিকের নায়িকা। তবে সেখানেও যে তার জন্য এত বড় বিপদ অপেক্ষা করেছিল সেটা হয়তো স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি শ্যামলী।
কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ৫ জুন (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 5 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলী যখন বলে এসে বিবাহিত তখন কিছুক্ষণের জন্য সুবলের উপর চোটপাট করে মন্দার। কিন্তু সুবল বলে শ্যামলী তার শ্বশুরবাড়িতে ভালোবাসা পায়নি। এটা শুনেই মন্দার আবার ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে যায় আর শ্যামলীকে নিজে ভালোবাসা দেবে বলে জোর করে শ্যামলীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও তার হাতে আশীর্বাদের আংটি পরিয়ে দেয়। এরপর শ্যামলীকে ধরে ঘরের মধ্যে বন্দী করে রাখে তার দুই ভাই এবং ভাইয়ের বউ। মন্দার বলে, শ্যামলী যদি পালায় তাহলে এই পাড়ায় সে আগুন লাগিয়ে দেবে।
শিলিগুড়িতেই গিয়ে উঠলো অনিকেত
এদিকে আবহাওয়া খারাপ থাকায় অনিকেতের প্লেন জায়গামতো নামতে পারেনি। গন্তব্য আসার আগেই শিলিগুড়িতে ঠিক যেখানে শ্যামলী থাকে তার আশেপাশেই নামতে হয়েছে অনিকেতকে। এই কথাটা যখন অনিকেত তার বাড়িতে অপরাজিতাকে জানায়, সে আবার এই নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করে। আবার যদি অনেকের সঙ্গে শ্যামলীর যোগাযোগ হয়ে যায় এটা ভেবেই ভয় পেয়ে যায় মামনি। এরপর অনিকেত একটা কফি শপে যায় এবং সেখানে গিয়ে শ্যামলীর কথাই বারবার তার মনে পড়ে।
আরও পড়ুন: ভরা জনসভায় বড় স্ক্রিনে সবার সামনে এলো ইশার কুকীর্তি! সৃজনের বিরুদ্ধে কেস তুলে নিতে বাধ্য হল ইশা!
নিজেকে শেষ করে দিচ্ছে শ্যামলী
এদিকে ঘর থেকে কোনভাবেই বেরোতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ে শ্যামলী। এরপর তার বিবেক তাকে বোঝায়, তার স্যার তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। ভালোবাসার টানে সে আর কোনদিনও তার কাছে ফিরে আসবে না। আর এইভাবে মন্দারের মতন একটা গুন্ডার হাতে সে নিজের জীবনটা সঁপে দিতে পারবে না। তাই তার কাছে একটাই উপায় খোলা আছে আর সেটা হলো নিজেকে শেষ করে দেওয়া। তাই শ্যামলী বিছানার চাদর দিয়ে দড়ি বানিয়ে পাখার সঙ্গে আটকে শেষবার স্যারের কথাই মনে করতে থাকে।

