নিজের রাগ মেটাতে রাইয়ের গায়ে হাত তুললো নন্দিতা! মা হয়ে মেয়ের মৃত্যু কামনা করলো সে!

ক্রমশ আরো বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) অপেক্ষাকৃত মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকের প্রধান নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। শুরুতেই ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের ধারাবাহিকটির প্রতি আগ্রহী করে তুলেছিল। এখনো অবধি সেই আগ্রহ সমান তালে বজায় রেখে চলেছে এই মেগা। টিআরপি তালিকাতেও একটু একটু করে নিজের জায়গা তৈরি করছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই আর অনির্বাণ এর মধ্যে যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছিল সেই সব কিছুই মিটিয়ে নিয়েছে অনির্বাণ। জন্মদিনে রাইকে চমকে দিয়ে তার মন জয় করে নিয়েছে সে। কিন্তু বাড়ি ফিরতেই নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে রাই। সৌর্যর বাড়ি বয়ে এসে রাই এবং তার গোটা পরিবারকে অপমান করাটা একেবারেই মেনে নিতে পারেনি রাই।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২৯ মে (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 29 may)

সৌর্যর কথায় স্তব্ধ অনিন্দিতা

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সৌর্য বাড়ির সকলকে বলে “মানুষ কি কি বিষয় নিয়ে মিথ্যে কথা বলতে পারে বলে আপনাদের ধারণা? নিলু ওর মা হওয়া নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছে। ওর কিছু হয়েইনি। শুধুমাত্র আমার বাবাকে যাতে সেবা করতে না হয় আর বাড়ির সমস্ত কাজকর্ম যাতে করতে না হয় তাই জন্য নিলু এই মিথ্যে মা হওয়ার অভিনয়টা করেছে। আর ও এটা নিজের মুখে স্বীকার করেছে। আমি এই ওকে বয়ে বেড়াতে পারবো না। আমায় ক্ষমা করো রাই।” এই বলে সেখান থেকে চলে যায় সে।

সব দোষের ভাগীদার হলো রাই

তারপর রাই অনির্বাণকে বিদায় জানায়। গোটা বিষয়টা নিয়ে সে খুব চিন্তিত। এমন সময় রাইয়ের দাদা বলে, আজ যদি তার পা ঠিক থাকতো তাহলে সে রাইকে দুটো চড় মারতো। এটা শুনে অবাক হয়ে যায় রাই। এরপর রাইয়ের মা নিলুর কোনো রকম দোষ না দেখে সবকিছুর জন্য রাইকে দোষ দেয়। এই জন্মদিনে রাইয়ের গায়ে হাত তোলে। রাইকে দুশ্চরিত্রা বলে। শুধু তাই নয়, নন্দিতা রাইয়ের মৃত্যু অবধি কামনা করে।

সার্থককে নিজের মনের কথা বললো স্রোত

অন্যদিকে জ্বরের ঘোরে নিজের মনে একাধিক কথা বলতে থাকে স্রোত। সে বলে, স্যার কেন তাকে বারবার কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার কথা বলে? স্যার কি বোঝে না এই পড়াশোনাটা তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ? স্যার কি স্রোতকে একটুও ভালবাসে না? কিন্তু স্রোত তো স্যারকে কত সম্মান করে। এসব শুনে সার্থক বলে, সে আর কোনদিনও স্রোতকে কষ্ট দেবে না।

Back to top button